যুগান্তকারী রায়: মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার নতুন সম্ভাবনাআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষিত হয়েছে। এই রায় কেবল একটি আইনি সিদ্ধান্ত নয়, বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই বিচারকাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে বাংলাদেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হলো।
আমার সৌভাগ্য, আমার ভারআমি আমার সাফল্যে গর্বিত। হ্যাঁ, আমি আমার ভেতরের স্পৃহা নিয়ে গর্বিত। চৌদ্দ বছর বয়সী আমি ঠোঁট অসার হয়ে যাওয়া নিয়ে কেঁদেছিলাম। সেই অদ্ভুতুড়ে কাণ্ডেও আমি গর্বিত। কিন্তু আমি এও জানি যে, এর কোনোটাই বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। আকাঙ্ক্ষা এবং কঠোর পরিশ্রম গুরুত্বপূর্ণ।
জলবায়ু বিপর্যয় ঠেকাতে বৈশ্বিক নেতৃত্বের চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জ—কপ৩০ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত কপ৩০ সম্মেলন বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক নেতাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন উজাড়, তাপপ্রবাহ, খরা ও জীবাশ্ম জ্বালানি নির্গমনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবে বিশ্ব এখন অতিসংবেদনশীল অবস্থায়, এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ
সংকট বাড়ায় কারা: বাজার নাকি মিডিয়াআমার দৃষ্টিতে সংকটের সময়ে গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো মানুষের মনকে স্থির করা। সংবাদ কেবল তথ্য নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। যখন অর্থনীতি চাপের মুখে, তখন শিরোনামের একটি ভুল শব্দই বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে পারে।
দেশে ইংরেজি শিখন-শেখানোর হাল হকিকত!বর্তমান বিশ্বে সফলতার জন্য ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগ দক্ষতার বিকল্প নেই। নিজের ভাবনা ও বক্তব্য স্পষ্ট ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রকাশ করতে পারা আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু আমাদের শিক্ষায় এটি এখনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
আওয়ামী লীগের লকডাউন: নাশকতার রাজনীতি ও সংলাপের আবশ্যকতারাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ডাকা সাম্প্রতিক লকডাউন রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা ও সহিংসতার জন্ম দিয়েছে। দেশব্যাপী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড যেমন জনমনে ভীতি ছড়িয়েছে, তেমনি এই কর্মসূচির সাফল্য নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
কপ৩০-এর পঞ্চম দিনজীবাশ্ম জ্বালানি লবিস্টদের উপস্থিতি ও করপোরেট প্রভাব লক্ষণীয়বেলেমের কপ৩০ সম্মেলনে জলবায়ু আলোচনায় ১,৬০০ জনেরও বেশি জীবাশ্ম জ্বালানি লবিস্টকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই সংখ্যা আয়োজক দেশ ব্রাজিল ছাড়া অন্য সব দেশের প্রতিনিধিদলের তুলনায় বেশি।
কপ৩০বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা: বিপর্যয় এড়াতে ১.৫ ডিগ্রি সীমা ধরে রাখা জরুরিজলবায়ু পরিবর্তনের ধ্বংসাত্মক প্রভাব প্রতিনিয়ত তীব্রতর হয়ে ওঠায়, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি রোধে জরুরি এবং সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ এখন অনিবার্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চরম আবহাওয়া, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়গুলো প্রমাণ করছে যে, পৃথিবীর পরিবেশ ব্যবস
দিল্লি থেকে ইসলামাবাদ, বিস্ফোরিত বোমা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাগত ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় দিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লার ছয় নম্বর গেটের কাছে একটি গাড়ি বিস্ফোরিত হয়। এই ঘটনায় অন্তত ১৩ জন নিহত ও ২০ জনেরও বেশি আহত হন। ভারত সরকার প্রাথমিকভাবে সতর্কতার সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানালেও প্রমাণ হাতে আসার পর, এই বিস্ফোরণকে ‘সন্ত্রাসী ঘটনা’ হিসেবে ঘোষণা করে ও কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইন
রাজপথে আগুনসন্ত্রাস, বিপর্যস্ত গণতন্ত্র, কোন দিকে বাংলাদেশদেশব্যাপী অগ্নিসন্ত্রাস জনমনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। গত দুই দিনে রাজধানীতে অন্তত ৯টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই সহিংসতার জন্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হলেও, নির্বাচন বানচালের নেপথ্যে তৃতীয় শক্তির ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও প্রবল।
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন: ঐকমত্যহীন রাজনীতির বন্দিত্বে বাংলাদেশবাংলাদেশ এখন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। অথচ গণঅভ্যুত্থানের পর যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আশায় জাতি উল্লসিত হয়েছিল, সেই আশাই এখন অনিশ্চয়তার মেঘে ঢাকা। জুলাই জাতীয় সনদ—যে দলিল একসময় নতুন রাজনৈতিক চুক্তির প্রতীক হিসেবে প্রশংসিত হয়েছিল—আজ তা-ই হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কেন্দ
মামদানির বড় বাজিনিউইয়র্ক সিটি মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানির বিজয়ে সারাবিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের উল্লসিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই জয় চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে, আজকের জনতুষ্টিবাদী ডানপন্থার (পপুলিস্ট রাইটউইং) হাতেই শুধু জনতাকে সংঘবদ্ধ করার কিংবা নতুন ভোটারদের আকর্ষণ করার একচেটিয়া ক্ষমতা নেই।
নতুন পে–স্কেল: সুখবরের আড়ালে অর্থনৈতিক সতর্কবার্তাবর্তমান প্রেক্ষাপটে বলা যায়, বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি অর্থনৈতিক ন্যায্যতা ও আর্থিক শৃঙ্খলার যৌথ পরীক্ষা।
তাকাইচি কেন জাপানের ‘লৌহমানবী’জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে সম্পর্কে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি পুরুষ নেতাদের চেয়েও কঠোর হতে পারেন। অভিবাসন ও প্রতিরক্ষা নীতিতে তার কড়া অবস্থানের কারণে এমন ধারণা প্রকট হচ্ছে।
রুশ বিপ্লব, মার্ক্স ও আল্লামা ইকবালরাশিয়াতে যখন ১৯১৭ সালে বিপ্লব ঘটল, তখন বহির্বিশ্ব তাৎক্ষণিকভাবে এর গভীরতা অনুধাবন করতে পারেনি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপক ডামাডোলের মধ্যে এটিকে অনেকেই আরেকটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে গণ্য করেছিল। তবে ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামে লিপ্ত দরিদ্র দেশগুলোর কাছে এই বিপ্লব এক নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দেয়।
১৯১৭-র রুশ বিপ্লব১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের মতো কিছু মানবজাতির ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি। বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাদের আপাত বিজয় ঘটছে। সেই ডামাডোলে একটি ঘটনা যেন ভুলেই গেছে সবাই। আমি এমন একটি বিষয়ের উপর জোর দিতে চাই। আর তা হোল ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব। এই বিপ্লব ছিল মানবজাতির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর: সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও তার তাৎপর্য৭ নভেম্বরের তাৎপর্য বুঝতে হলে এর পূর্ববর্তী ঘটনাবলি অনুধাবন করা জরুরি। ১৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর জাতি এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। এর মধ্যেই ৩ নভেম্বর সংঘটিত হয় একটি পাল্টা অভ্যুত্থান, যার নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ।