জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

রাষ্ট্র মেরামতে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচি নির্ধারণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০: ৫৫
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে নতুন সরকার। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, “আমরা এবার ১৮০ দিনের একটি অগ্রাধিকার বা প্রায়রিটি নির্ধারণ করেছি, যা পরে বিস্তারিত জানানো হবে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রথামাফিক সরকারের প্রথম দিনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। সাধারণত সরকারের প্রথম ১০০ দিনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হলেও এবার ১৮০ দিনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সরকারের প্রাথমিক তালিকায় রয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট নিরসন। এছাড়া সরকারের সব সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, মেধাভিত্তিতে কর্মকর্তাদের যাচাই করা হবে এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে।

রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ বাজার নিয়ন্ত্রণ
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর জানান, বৈঠকে সেহরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের সুশাসন ও জবাবদিহির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনে স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।”

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখা এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ড দ্রুত দৃশ্যমান করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণে সরকারের বিশেষ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শ্রমবাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ
প্রতিমন্ত্রী নুর জানান, মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার পুনরায় পূর্ণোদ্যমে উন্মুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে শ্রমবাজারের যে ধারাবাহিকতা ছিল, মাঝখানে তাতে ছন্দপতন ঘটেছে। আমরা বাজারগুলো পুনরায় উন্মুক্ত করতে চাই। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন, যা আমরা বাস্তবায়ন করব।”

Ad 300x250

সম্পর্কিত