


১৯৭৯ সালের ১ এপ্রিল। ইরানের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের দিন। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পর দেশটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। পতন ঘটে রেজা শাহ পাহলভির শাসনের। এই রাজনৈতিক বাকবদলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা লাগে ইরানের সংস্কৃতিতে। বিশেষ করে ইরানের চলচ্চিত্র জগতে এক অভাবনীয় পরিবর্তন আসে।


অ্যারিস্টোটলের গণতন্ত্র এক জিনিস, সোভিয়েত গণতন্ত্র এক জিনিস আবার পুঁজিবাদীদের গণতন্ত্র অন্য জিনিস। আমরা আমাদের সংবিধানে এ রকম একটি ধোঁয়াশাপূর্ণ ধারণাকে স্থান দেয়ার ইচ্ছা রাখি না।


এই বিপ্লব কেবল আড়াই হাজার বছরের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়নি, বরং বিশ্বকে এক সম্পূর্ণ নতুন এবং অনন্য শাসনকাঠামোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। ২০২৬ সালে এসে যখন এই প্রজাতন্ত্র ৪৭ বছরে পদার্পণ করছে, তখন এর সাফল্য ও ব্যর্থতার খতিয়ান অত্যন্ত জটিল এবং বহুমাত্রিক


১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব কেবল ইসলামপন্থীদের একক কোনো লড়াই ছিল না। শাহের পতন ঘটাতে বামপন্থী ও সেক্যুলার বা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরাও কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছিলেন। রাজতন্ত্রের পতন নিশ্চিত হওয়ার পর সবাই একটি নতুন ও স্বাধীন ইরানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে যখন ইসলামি প্রজাতন্ত্


রাজনীতি ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি খুব সহজে বদলায় না। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে সুস্থ ধারার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার অভাব। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পরে যে সুযোগ এসেছিল তার সদ্ব্যবহার আমরা করতে পারিনি। তবে বিভিন্ন সময় প্রচেষ্টা যে ছিল না, তা কিন্তু নয়। এর পরও সুযোগ এসেছে। সেসবের মধ্যে বোধ হয় জুলা

হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি রোগ। একজন আক্রান্ত হলে তার থেকে খুব সহজেই ১২-১৮ জনের মাঝে এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে। হাম মূলত শ্বাসতন্ত্র বা রেসপিরেটরি সিস্টেমকে আক্রমণ করে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসের আক্রমণে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা যখন কমে যায়, তখন সেকেন্ডারি সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়।

