


ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েল নতুন করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। এই যুদ্ধকে একটি বিপজ্জনক যুদ্ধ হিসেবে দেখছেন বিবিসির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জেরেমি বোয়েন। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধের পরিণতি হতে পারে কল্পনার অতীত।


কয়েক সপ্তাহের আলোচনা এক প্রকার ভেস্তেই গেল। ইরানে যৌথভাবে হামলা করেই বসল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এবারের হামলাটি ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলা আলোচনা আবারও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানে যেসব স্থানে হামলা হয়েছে, তাঁর মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও টার্গেট ছিল।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশেষে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। কয়েক সপ্তাহের হুমকি ও উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শনিবার ভোরে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বদের লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান হামলার অনুমোদন দেন।


২০১৭ সালের ঐতিহাসিক সফরের পর ২০২৬ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় ইসরায়েল সফর বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। এই সফর প্রমাণ করে ভারত ও ইসরায়েলের সম্পর্ক এখন আর কেবল সামরিক বা বাণিজ্যিক লেনদেনে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি একটি শক্তিশালী আদর্শিক ও কৌশলগত জোটে রূপ নিয়েছে।



২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান ৪৬ জন। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ হয়নি। হাইরাইজ নগরায়নের মধ্যে নিরাপত্তা মানদণ্ড, ফায়ার ড্রিল, নিয়মিত ইন্সপেকশন ও জবাবদিহির প্রশ্ন আবারও সামনে এসেছে।


রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দুই বছর হয়ে গেল। এই অগ্নিকাণ্ডের মামলার কোনো সুরাহা এখনো হয়নি। ফলে পরিত্যক্তই পড়ে আছে আটতলা ভবনটি। ভয়াল স্মৃতির নীরব ও কঙ্কালসার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ভবনটির দিকে মাঝেমধ্যে চোখ ফেরাচ্ছেন পথচারীরা।


