


আজ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছেন। তারপরও ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটির উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়—এই যুদ্ধে আসলে কে জিতল?


চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা হিসেবে সমঝোতা স্মারকটিতে ১৪টি দফা রয়েছে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের তেল রপ্তানিতে ছাড়ের মতো বিষয় রয়েছে।


ইরানিদের সামনে এখনও দীর্ঘ ও কঠিন পথ পাড়ি দেওয়ার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একইভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের জনগণের কাছেও নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পরিবর্তনমুখী রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষাগুলোর একটি, সরকার যেই ক্ষমতায় থাকুক না কেন।


আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জগতে কোনো রাষ্ট্রনেতার প্রথম বিদেশ সফর কেবল একটি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং তা দেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার, কৌশলগত অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা তাৎক্ষণিক ক্ষতি কিছুটা লাঘব করবে, কিন্তু কাঠামোগত ভঙ্গুরতার কোনো চিকিৎসা এই সমঝোতায় নেই। দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য, নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা এখন সময়ের দাবি। একটি প্রণালি বন্ধ হলে যেন পুরো অর্থনী

