


কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে নবম পে-স্কেল অনুমোদন করেছে সরকার। এতে বেতন বেড়েছে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। তবে লাখ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয়ের এই বোঝা আগে থেকেই চাপে থাকা অর্থনীতি সামাল দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন পে-স্কেলের সুবিধা প


আমরা যদি পুরো ১১ বছরের হিসাব কষি, তাহলে দেখব এই সময়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমে গেছে। ক্রয়ক্ষমতার এই বিপুল অবনমনের প্রেক্ষাপটে তাদের বেতন বৃদ্ধির দাবিটি শতভাগ যৌক্তিক। এর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকারের সুযোগ নেই।


মাসের শুরুতে বেতন হাতে এলেই স্বস্তি ফেরে কর্মজীবীদের জীবনে। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হয় না। বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ-গ্যাসের বিল, বাজার-সদাই, সন্তানের পড়াশোনা, যাতায়াত, চিকিৎসার খরচ ইত্যাদি নানা খাতে এক এক করে বেতনের বড় অংশ চলে যায়।


বেতন বৃদ্ধির অর্থ জোগাতে উন্নয়ন ব্যয় সংকুচিত হলে প্রকল্প বাস্তবায়ন, সরকারি ক্রয় ও অর্থ বরাদ্দের ওপর চাপ বাড়বে। আর সেখানেই নতুন অনিয়মের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে—যা বেতন বৃদ্ধির দুর্নীতিবিরোধী যুক্তিকেই শেষ পর্যন্ত দুর্বল করে দিতে পারে।
