


তখন আমি কলেজবর্ষীয় তরুণ। থাকি একটা সাদামাটা মফস্বলে। কবিতা লিখি। বই পড়ি। আমাদের সেই গরিব শহরে সাম্প্রতিক বইপুস্তক পাওয়া ছিল বিস্ময়কার ঘটনা। একদিন খুব আচমকাই শহরতুতো সম্পর্কের এক অগ্রজের কাছে পেয়েছিলাম একটি পত্রিকা, নাম ‘লোকায়ত’। সম্পাদক আবুল কাসেম ফজলুল হক।


আবুল কাসেম ফজলুল হক; শিক্ষাবিদ ও চিন্তক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক এই অধ্যাপক আজ রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে মারা গেছেন। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ছোটকাগজ নি-এর ১ম বর্ষ ১ম সংখ্যায় তাঁর এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রিয়াজ মাহমুদ ও নাজনীন সাথী।


অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলা একাডেমিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। তিনি প্রায়ই একাডেমিতে আসতেন এবং আমাদের বহু অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করতেন। সুতরাং বলতেই হয়, একজন বুদ্ধিজীবী ও লেখক হিসেবে তিনি যেমন সক্রিয় ছিলেন, তেমনি জনসংযোগও বেশ পছন্দ করতেন। তাঁর কাছে প্রচুর মানুষের যাতায়াত ছিল।


পরিণত বয়সে চলে গেলেও অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যু আমাদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তাঁকে যারা জানতেন এবং দীর্ঘদিন তাঁর চলার পথটি যারা খেয়াল করতেন, তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রবীণ শিক্ষক ও লেখকের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হবেন।




রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত করতে দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অধীনে ১০ হাজার একরের বেশি আয়তনের এই শিল্প সম্পদগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।