


২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিলের সকাল। প্রতিদিনের মতো কাজে এসেছিলেন শ্রমিকরা। হঠাৎ বিকট আওয়াজ। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ধসে পড়ে সাভারের রানা প্লাজার ৯তলা ভবনের পুরোটাই। প্রাণ হারান ১১ শ ৩৬ শ্রমিক। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি এই সংখ্যা ১১ শ ৭৫।


রানা প্লাজার ভয়াবহ দুর্ঘটনার পেছনে সবচেয়ে বড় দায় ছিল কাঠামোগত ও পরিকল্পনার ত্রুটি। প্রথমত, ভবনটির নকশা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সঠিকভাবে অনুমোদিত ছিল না। পৌরসভার যে অনুমোদন ছিল, তাতে পরবর্তী সম্প্রসারণ বা এক্সটেনশনের কোনো উল্লেখ ছিল না।


২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় সাধারণ একটি দিন হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়ে যায় একটি বিভীষিকাময় দিন। যে দিনের স্মরণে আজও কেঁপে ওঠে হৃদয়, চোখ দিয়ে পড়ে পানি। এখনো নাকে লাগে গলিত ও অর্ধগলিত লাশের দুর্গন্ধ।


দেশের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী শিল্প দুর্ঘটনা সাভারের রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৩ সালের এই দিনে ৯তলা ভবনটি ধসে পড়ে ১ হাজার ১৩৮ জন পোশাকশ্রমিকের নিহত হন। আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করেন হাজারো শ্রমিক।




ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন একটি আসন। এই আসনে তাঁরা মনোনয়ন দিয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেত্রী সুলতানা জেসমিন জুঁইকে।


বিএনপির সঙ্গে বছরের পর বছর আমাদের জোট ছিল। তো ১১-দলীয় ঐক্যের জোটও দীর্ঘমেয়াদি হবে– এটি আমরা প্রত্যাশা করি। জোটকে শুধু মজবুত নয়, টিকিয়ে রাখার স্বার্থেও সংরক্ষিত আসনে ছাড় দিয়েছে জামায়াত।


২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের নিযুক্ত বান্দরবান জেলার সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাধবী। পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনয়নে নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগ পান।


রানা প্লাজার এই ঘটনাটিকে আমরা আসলে ‘দুর্ঘটনা’ না বলে ‘কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড’ বলব। যে স্থানে রানা প্লাজা ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটি মূলত একটি জলাশয় ছিল। একটি জলাভূমির ওপর ভবনটি তৈরি করা হলেও সেখানে প্রকৌশলগত নিরাপত্তার যথাযথ মানদণ্ড মানা হয়নি।



বিশ্ব বই দিবসে এই শিরোনামটি দেখে আপনি হয়তো চমকে উঠছেন। কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, সস্তা একটা ক্লিকবেইট, ফোকাস কমে যাওয়া আর অনন্ত কন্টেন্টের যুগে স্রেফ পাঠক ধরার ধান্দা। কেউ হয়তো ভ্রু কুঁচকে বা হেসে ভাবছেন, বই কীভাবে পড়তে হয় মানে? অক্ষরের পর অক্ষর গড়গড় করে পড়ে যাব। ব্যাস! বই পড়া আবার শিখতে হয় নাকি?


মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক অদ্ভূত বৈপরীত্য দেখা যায়—একটা সময় ছিল যখন পড়ার অভ্যাস চালু হওয়াটাকেই দেখা হতো সংকট হিসেবে। গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস যেমন বই পড়ার অভ্যাসের কারণে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার আশঙ্কা করতেন।


আজ আমি বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলব। বলব যে আনন্দ পাওয়ার জন্য বা নিছক শখের বশে কথাসাহিত্য পড়া মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।


জেমস বন্ড চরিত্রের স্রষ্টা, প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ইয়ান ফ্লেমিং ১৯৫৬ সালে ‘কীভাবে বেস্টসেলার বই লিখতে হয়’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লেখেন, বেস্টসেলার বই লেখার খুব সহজ একটা রেসিপি আছে। সেটি হচ্ছে পৃষ্ঠা ওলটানোর কৌশল। অর্থাৎ গল্পটি এমনভাবে বলতে হবে, যাতে পাঠক পরের পৃষ্ঠা ওলটাতে বাধ্য হয়।


