


স্থান নিউইয়র্ক। নিউইয়র্ক টাইমসের অফিস। সময় ১৯৭১ সালের জুনের প্রচণ্ড গরমের এক সন্ধ্যা। পত্রিকার নিউজরুমে তখন প্রবল উত্তেজনা। উত্তেজনার কারণ গুপ্তধনের মতো পাওয়া কিছু গোপন দলিল। তাতে ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন সরকারের লুকানো সত্য লেখা।


গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। কারণ এর মূল কাজ হলো সমাজের দর্পণ হয়ে তথ্য তুলে ধরা, সত্য যাচাই করা এবং জনস্বার্থে প্রশ্ন তোলা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, মূলধারার অনেক গণমাধ্যমই ধীরে ধীরে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ থেকে সরে গিয়ে পপুলার কালচার বা বিনোদনকেন্দ্রিক কনটেন্টের দিকে ঝুঁকছে।


ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাতে পৌঁছে যায় খবরের কাগজ, কিংবা টিভির পর্দায় ভেসে ওঠে দেশ-বিদেশের সংবাদ। কিন্তু এই প্রতিটি শব্দের বুননে মিশে থাকে একদল অদম্য মানুষের ঘাম আর অশ্রু, যাদের বলা হয় সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকর্মী।


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অবাধ তথ্য প্রবাহের প্রধান পূর্বশর্ত হচ্ছে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য। তথ্যের স্বাধীনতা যেমন আমাদের কাম্য, তেমনি অপতথ্য রোধ করে ‘ক্লিন ইনফরমেশন’ বা পরিচ্ছন্ন তথ্য নিশ্চিত করা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


বাংলাদেশের জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হরমুজ দিয়ে আমাদের জাহাজের নির্বিঘ্নে চলাচল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইউএন কনভেনশন অন দ্য ল অব দ্য সি বা (UNCLOS) সাপেক্ষে কি কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে পারে বাংলাদেশ? বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ রিয়ার এডমিরাল (অবসরপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ খুরশেদ আলম।



সত্যজিৎ রায় অসামান্য প্রতিভাবান একজন চলচ্চিত্রকার হিসেবেই সবচেয়ে পরিচিত। স্বল্প যন্ত্রপাতি ও বাজেটে তিনি বানিয়েছেন অসাধারণ সব সিনেমা। রেখে গিয়েছেন হাতে করা নিখুঁত ইলাস্ট্রেশন। তবে গল্পকার সত্যজিৎ যেন অনেকটাই আলোচনার বাইরে।


সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টিজগত নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত তাঁর সিনেমার ভাষা, মানবিকতা বা গল্প বলার দক্ষতার কথাই আগে বলি। কিন্তু তাঁর কাজকে ভেতর থেকে বুঝতে চাইলে যে দিকটি আলাদা করে সামনে আসে, তা হলো—ভ্রমণ। তিনি ছিলেন এক গভীর কৌতূহলী, পর্যবেক্ষণকারী ও ভ্রমণকারী। সেই ভ্রমণ তাঁর গল্প, চরিত্র ও সিনেমার গঠন


গতকাল ছিল পয়লা মে, মেহনতের দিন। আজ ২ মে, মগজ-বুদ্ধি আর হাসির রাজা ‘জয় বাবা মানিকনাথ’-এর জন্মদিন। ‘মানিক’ মানে সত্যজিৎ রায়ের ডাক নাম। এই মানুষটা (মানে সত্যজিৎ রায়) আমাদের নিয়ে কত সুন্দর করে মজা করে গেছেন!


বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে সত্যজিৎ রায় অস্বাভাবিক ‘নীরব’ ছিলেন। তাঁর কোনো কথায় কিংবা কাজে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিশেষ স্থান পায়নি। এই নীরবতা কৌতূহলোদ্দীপক। ফলে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আছে। যেমন একবার দেশের একটি দৈনিকে কবি দাউদ হায়দার লেখেন:




দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ২০২৫ সালে মন্দাভাব থাকলেও ব্যাংকিং খাতে উল্টো চিত্র। বেসরকারি ব্যাংকগুলো নিট মুনাফায় বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। দেশের ইতিহাসে ব্র্যাক ব্যাংক প্রথমবারের মতো কোনো দেশীয় ব্যাংক হিসেবে ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকার নিট মুনাফার রেকর্ড গড়েছে।