


বাংলাদেশে ‘মব কালচার’ শেষ বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে মব কালচারকে কোনোভাবেই উৎসাহিত করা হবে না।’


অর্থনীতির সুফল সবার কাছে পৌঁছানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চলতে দিতে পারি না। দেশের অর্থনীতি সবার জন্য হতে হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকতে হবে এবং প্রত্যেকের যাতে সুযোগ থাকে অংশ নেওয়ার নিশ্চিত করতে হবে।


নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না। অতীতে দায়িত্ব পালনকালে নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল; নকল আর প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না বলে আমার বিশ্বাস।’


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, “বিচারপতি মানেই সৎ। বিচারক শব্দটির সঙ্গেই সততার বৈশিষ্ট্য জড়িত।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেউ দুর্নীতি করলে তাঁর বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাই নয়, দুর্নীতির মামলাও দেওয়া হবে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না।


অতীতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা থেকেই স্বৈরাচারের শুরু হয়। সেই ‘প্রধানমন্ত্রীর স্বৈরাচার’ যেন ফিরে না আসে, সেজন্য আমরা ভিন্ন ধরনের জবাবদিহিতা এবং প্রতিষ্ঠানের কথা বলেছি। আগামী কয়েক মাসে দেখার বিষয়, আমরা সেই ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্স’ রক্ষা করতে পারব কি না, নাকি জনগণ আবারও হেরে যাবে।

মন্ত্রিসভায় কাদের নেওয়া হবে, সেটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে; তবে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পছন্দমতো মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। একটি উপদেষ্টা পরিষদও করা হয়েছে। দুটির মোট সদস্য সংখ্যা ৬০।

