


হাল আমলের বাংলাদেশে রাজনৈতিক আলাপচারিতার ভাষায় ‘অন্তর্ভুক্তিমূলকতা’ (inclusiveness) একটা চেনা শব্দ। কিন্তু খুব কম সময়ই এই ভূখণ্ডের জনমানুষ অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সাক্ষাৎ পেয়েছে।


একুশে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। পলাশ-শিমুলের রঙে রাঙানো এক শোকাবহ অথচ গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ঢাকার রাজপথে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারদের বুকের তাজা রক্তে লেখা হয়েছিল মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। সেই রক্তস্রোত আজ বিশ্বস্বীকৃত।


ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে শাসকগোষ্ঠী ভাষার মাধ্যমে কীভাবে কর্তৃত্ব কায়েম করতে চায় এবং শোষিত জনগোষ্ঠী কীভাবে ভাষাকেই প্রতিরোধের হাতিয়ার করে তোলে। এই প্রেক্ষাপটে উপনিবেশের ভাষা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে সামনে আসে।


আগামী এক দশকে অর্থনীতিতে যে কাঠামোগত পরিবর্তন আসবে, তা নিশ্চিতভাবেই সাম্প্রতিক অতীতের যেকোনো ঘটনার চেয়ে নাটকীয় হবে। অনেকেই ভাবছেন এআই শুধু কাজের ধরন বদলাবে; কিন্তু আমাদের মনে রাখা দরকার, এটি ব্যবসার পুরো দৃশ্যপটকেই নতুন করে সাজাবে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ৭ কোটিরও বেশি মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়, যা প্রযুক্তির এক বিশাল জয়যাত্রা। কিন্তু এই অগ্রগতির সমান্তরালে হানা দিয়েছে ‘ডিপফেক’ নামক এক ভয়ংকর ডিজিটাল আতঙ্ক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি করা বিকৃত কনটেন্ট এখন সুস্থ রাজনীতির জন্য প্রধান অন্তরায়।

