


বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৬ শতাংশ জোগান দেয় এবং রিজার্ভ শক্তিশালী রাখতে ভূমিকা রাখে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় এই আয়ের ধারাবাহিকতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যে আবার শুরু হয়েছে সংঘাত। শনিবার ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করেছে বিশ্ব পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র ইসরাইল। এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরাইলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে।


বাংলাদেশ ইরান থেকে সরাসরি গ্যাস আমদানি করে না। তবুও দেশটি উপসাগরীয় এলএনজি প্রবাহের ওপর কাঠামোগতভাবে নির্ভরশীল। এই এলএনজি হরমুজ হয়েই আসে। অর্থাৎ সমস্যাটা দ্বিপাক্ষীয় নয়; সমস্যাটা পদ্ধতিগত।


২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিধ্বংসী যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দেহাবসান কেবল একটি রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতার মৃত্যু নয়, বরং এটি সমসাময়িক ভূ-রাজনীতির ইতিহাসে এক প্রলয়ঙ্কারী মোড়।


ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরু হয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির বাড়ি ও কার্যালয়ে বিমান হামলার মধ্য দিয়ে। হামলার সময় খামেনি তাঁর উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এই আকস্মিক হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বহু বছর ধরে পশ্চিমারা একটি যুক্তি দিয়ে আসছিলেন। তাদের মতে, ইরানে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার কারণে যে দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক অবক্ষয় এবং সামাজিক স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, তার দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি বাইরে থেকে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে ‘রেজিম চেঞ্জের’ ঝুঁকির চেয়েও বেশি।



জাতীয় পতাকা কেবল নির্দিষ্ট অনুপাতের একখণ্ড রঞ্জিত কাপড় নয়, জাতীয় পতাকা একটি জনপদের সামষ্টিক আকাঙ্ক্ষা, দীর্ঘ লড়াইয়ের নির্যাস এবং আত্মপরিচয়ের এক দৃশ্যমান ইশতেহার। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলায় প্রথম উত্তোলিত পতাকাটি ছিল এক রাষ্ট্রদ্রোহী বিদ্রোহের প্রকাশ, যা সময়ের পরিক্রমায়


১৯৭১ সালের ২ মার্চ। বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। এদিনই প্রথম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আকাশে উড়েছিল স্বাধীন বাংলার জাতীয় পতাকা, যা ছিল পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এক বলিষ্ঠ ঘোষণা।


অগ্নিঝরা মার্চের শুরু। এই মাস আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনের সূচনালগ্ন। আবার সেই সাথে শোক ও দহনের স্মৃতিবাহক। ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলার মানুষ যখন স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এক পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞে। তাদের এই পাশবিকতার সবচেয়ে করুণ আখ্যানটি সম্ভবত হলো


শুরু হলো অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ সালের এই মাসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। নয় মাস টানা যুদ্ধের পরে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা মাস হিসেবে মার্চ মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এবার পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এসেছে মাসটি।


