


আজ চৈত্রসংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন। বিদায় হবে ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। আগামীকাল সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩।


এখন আর সেই দিন, সেই খানা, সেই পরিবেশ নেই। তার পরিবর্তে অন্য পরিবেশ—শহুরে বলি আর গ্রামের বলি—সব পরিবেশ একাকার। দোকানে পাওয়া যাচ্ছে পাজন বা বিঝুর জন্য যা যা লাগবে তা।


পাবনার চাটমোহর পৌর শহরের অদূরে বোঁথড় গ্রামে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও তিন দিনব্যাপী মেলা। প্রতিবছর চৈত্রসংক্রান্তিতে আয়োজিত এই মেলায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের ঢল নামে।




কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক পীরকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। কয়েক মাস আগে পার্শ্ববর্তী জেলা রাজবাড়িতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় মাজারে হামলার খবর এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়।


দক্ষিণ এশিয়ায় মাজার-সংস্কৃতির বয়স কম নয়। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাস বিষয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক বারবারা দালি মেটকাফ তাঁর মোরাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড অথরিটি: দ্য প্লেস অব আদব ইন সাউথ এশিয়ার ইসলাম বইয়ে বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পুরোনো মাজার পাকিস্তানের বাবা ফরিদউদ্দীন গঞ্জেশকরের মাজার। এটি ত্রয়


বাংলাদেশকে বলা হয় ‘বারো আউলিয়ার দেশ’। ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে সুফি সাধকরা এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতে শুরু করেন। তাঁদের প্রয়াণের পর তাঁদের সমাধিস্থল বা মাজারগুলো কেন্দ্র করে এক ধরনের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। মূলত আধ্যাত্মিক সাধনা, মানসিক শান্তি এবং লৌকিক মানত পূরণের আশায় মানুষ এসব মাজারে ভিড় করে।


দেশে সুফি ঐতিহ্য ও মাজার সংস্কৃতির দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও এসব স্থাপনায় হামলায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৭টি মাজার ও দরবারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসার পরেও স


বহুমাত্রিক অসাম্য ও বৈষম্য কমানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে নতুন ধাঁচে সাজাতে না পারলে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে না। আমরা এখন দেখার অপেক্ষায় আছি নীতিমালা প্রণয়নে আগের মতো গোষ্ঠী তোষণের রীতিই চালু থাকবে না কি সত্যিকারের পরিবর্তন আসবে।

বাংলাদেশের কৃষি খাত দীর্ঘদিন ধরেই দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি ও খাদ্য নিরাপত্তার মূলভিত্তি। স্বাধীনতার পর থেকেই কৃষি আমাদের সংস্কৃতি, জীবনযাত্রা এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলা করে আত্মনির্ভরতার দিকে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার যে গল্প, তার কেন্দ্রে

