


ক্ষমতায় গেলে দেশের শিক্ষিত বেকারদের ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে বিএনপি। ইশতেহারে বলা হয়েছে, শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত অথবা কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত (যা আগে ঘটবে ভিত্তিতে) বিশেষ আর্থিক ভাতা প্রদান করা হবে।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দলীয় ইশতেহারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জনের অন্যতম প্রধান পন্থা হিসেবে তুলে ধরে বিএনপি বলছে তারা সমতা, সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের আলোকে পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তুলতে চায় বিএনপি।


বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো হলো– ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা, ক্রীড়াকে পেশায় পরিণত, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ, ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানী ও ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা।


বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন ও জবাবদিহির বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণাকালে এসব কথা বলেন তিনি।




সময়টা পাগলামির, অচেনা রাস্তা কিন্তু লক্ষ্য ছিল ভাষার দরদ। কবিতার ভেতর অশ্রুকণার মতো জীবন্ত এক অনুভূতি খুঁজে পাবার নেশায় তখন দুনিয়া ভুলতে বসেছি। রাস্তায় সামান্য এক টুকরো মরা ডাল দেখলেও তার ভেতর খুঁজে পেতাম করুণাভার চোখ, বিদ্রূপের হাসি, জীবনের অর্থহীনতা।


শুক্রবার আলো ফোটার আগেই, ভোরে অলোকলোকে চলে গেলেন বিখ্যাত বাউল ও লোকসংগীত শিল্পী সুনীল কর্মকার। তিনি শুধু একজন ব্যক্তিই ছিলেন না, ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তার অসংখ্য ভক্ত সাধক রয়েছেন, যাঁরা তার মৃত্যুতে হয়ে পড়েছেন অসহায় ও নিঃসঙ্গ।


দেখার ভুল না হয়ে থাকলে হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন শিল্পী সুনীল কর্মকার।


সুনীল কর্মকারকে প্রথমবার দেখি সেই শৈশবে। নিজের গ্রামের এক আসরে। তখনও রাত জেগে গান শোনার অনুমতি ছিল না। রাত দশটার দিকে বাউলরা এসে পৌঁছলেন আসরে। খুব মনে পড়ছে। ধান ও আখ কাটা হয়ে যাওয়ার পর যে খেত বিরান পড়ে থাকে তাতে খেজুরের রস জ্বাল করার বিশাল আড়ার পাশে মঞ্চ বানানো হয়েছিল।


নির্বাচনী ইশতেহার রাজনৈতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির তালিকা নয়, বরং অনেকটা ভোটারদের সঙ্গে দলের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের লিখিত চুক্তি।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক নতুন বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে। সেই অভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিতব্য প্রথম সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের ৫১ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে।



বুড়িগঙ্গার এক তীরে রাজধানীর জৌলুস থাকলেও অন্য তীরে রয়েছে অবহেলার এক ভিন্ন জগৎ। ভেঙে যাওয়া রাস্তা, ময়লার ভাগাড় আর দুর্গন্ধে নাক চেপে চলা সেখানে দৈনন্দিন বাস্তবতা। ঢাকা-৩ আসনের বাসিন্দাদের কাছে নাগরিক সুবিধা যেন এক দূরের স্বপ্ন। শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকারও এখানে সহজলভ্য নয়।


ভোটাররা বলছেন, এখানে ১০ প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে তিনজনের মধ্যে। তাদের মধ্যে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে যাঁর প্রতিশ্রুতি কার্যকর মনে হবে, তাঁকেই বেছে নেবেন ভোটাররা।


রাজধানীর ঘনবসতি এলাকা মিরপুরের পল্লবী ও রূপনগর নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৬ আসন। চুরি-ছিনতাই, জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট থেকে নাগরিক সমস্যার প্রায় সবই বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম আয়ের বাসিন্দায় পূর্ণ আসনটিতে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাই বাসিন্দারা এমন প্রার্থীকেই খুঁজছেন, যিনি সমাধান করবেন এসব সমস্যা।


পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্য ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র নিয়ে গঠিত ঢাকা-৬ (জাতীয় সংসদের ১৭৯ নং আসন)। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের একটি বড় অংশ এই আসনের অন্তর্ভুক্ত।দেখে আসি এই আসনের সাধারণ জনগণ কী প্রত্যাশা করছেন এবং কেমন চলছে প্রার্থীদের প্রচারণা।


