* প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বি.এন.পি
২০৯
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
৬৮
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি
৬
জাতীয় পার্টি
০
অন্যান্য
৭
স্বতন্ত্র
৭

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচন কেবল একটি ভোটাভুটি নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের গণতান্ত্রিক প্রতিফলন।

বহুল প্রতীক্ষিত ও আকাঙ্ক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। দীর্ঘদিন পর ভোটকেন্দ্রে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি, দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে নিজের পছন্দের দল ও প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার দৃশ্য—গণতন্ত্রের জন্য নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক বার্তা।



২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে মোট ভোটার প্রায় ১২ কোটি ৭০ লাখ মানুষ।


২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করে। এতে বলা হয়, পরবর্তী সংসদ নির্বাচন হবে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত একটি জাতীয় গণভোটের সঙ্গে একসঙ্গে।


পাকিস্তান আমলেও যে দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতো; এমনকি সেটা হতো আরপিও’র মতো বিধিবিধান না থাকা সত্ত্বেও আর জনপ্রশাসনের তত্ত্বাবধানে, সেই দেশে নির্বাচনের নামে পৌনঃপুনিক তামাশার আয়োজন করেছিল হাসিনা সরকার।


ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান, ওইদিন রাতেই রাষ্ট্রপতি সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। পরে ৮ আগস্ট শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।


