


জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের যে জীবনীগ্রন্থগুলো বাজারে পাওয়া যায়, সেগুলো সংক্ষিপ্ত ও পূর্ণাঙ্গ নয় বলে মনে করেন কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক লতিফুল ইসলাম শিবলী।


বিখ্যাত ব্যক্তিদের ব্যক্তিজীবন ইতিহাসের চেয়ে কম কিছু নয়। তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা নিয়ে এত কিংবদন্তির জন্ম হয় যে নির্দিষ্ট সময় পর আর পার্থক্য করা যায় না—কোন ঘটনাটি আসলেই সত্য, আর কোনটি মিথ। বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) সাম্য, প্রেম ও দ্রোহের কবি।


কাজী নজরুল ইসলামের শিল্প সাহিত্যের বিবিধ বিষয়ে যুক্ত হওয়ার ইতিহাস সর্বজনবিদিত। তাঁর এই যুক্ত হওয়া কেবল রচনা করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি একই সঙ্গে একজন পারফর্মার, একজন শিল্পী। ফলে নজরুল কবি, কথাসাহিত্যিক ও সংগীত রচয়িতার পাশাপাশি একজন সংগীত শিল্পী, একজন বাদক, একজন অভিনয় শিল্পী এবং একই সঙ্গে একজন রাজন


কাজী নজরুল ইসলামকে বোঝার জন্য তাঁর সাহিত্যকে শুধু পাঠ্যবইয়ের অলংকার হিসেবে পড়লে চলে না। তাঁকে বুঝতে হলে শুনতে হয় বাংলার শ্রমজীবী মানুষের দীর্ঘশ্বাস, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তরুণদের অস্থিরতা, ধর্মীয় বিভাজনে ক্লান্ত মানুষের আর্তি, অবহেলিত নারীর আর্তনাদ। নজরুল সেইসব কণ্ঠকে ভাষা দিয়েছিলেন। তাঁর কলমে বিদ


কোরবানির ঈদের সকাল মানে একটা বিশেষ আলো। মসজিদ বা ঈদগাহ থেকে ফেরার পথে মানুষের মুখে হাসি, কোলাকুলি, ছোটদের নতুন জামা, উঠানে-পার্কিংয়ে-রাস্তায় পশু বাঁধা, রান্নাঘর থেকে ভেসে আসা গন্ধ। এই দিনটার জন্য বছর ধরে অপেক্ষা করে সবাই। বিশেষ করে যারা দূরে থাকে, যারা পরিবার ছেড়ে শহরে বা বোর্ডিংয়ে আছে, তাদের কাছে

শিশু ধর্ষণ এতকাল ছিল বিচ্ছিন্ন ঘটনা। কিন্তু হালে তা রূপ পেয়েছে ‘নিরবচ্ছিন্ন ঘটনায়’। অনেক ক্ষেত্রে ঘটছে আবার দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা। এমনকি কখনও কখনও ওই ধর্ষণের নৃশংসতা ‘হত্যা’ পর্যন্ত গড়াচ্ছে। এই যেমন, গত চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) ১১৮ জন কন্যাশিশু ধর্ষিত হয়। গত দুই সপ্তাহে ধর্ষণের পর অন্তত চার শিশুকে

