


কোনো বন্য প্রাণীকে উদ্ধার করে আবার প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। কিন্তু এরপর কী ঘটে? নতুন এক বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, সব ক্ষেত্রে বনে ফিরে পাওয়া স্বাধীনতা নিরাপদ নয়। অনেক সময় সেটিই প্রাণীদের জন্য ‘মৃত্যুফাঁদ’ হতে পারে।


একসময় বাংলাদেশের বন-জঙ্গল, তৃণভূমি আর জলাভূমি ছিল বন্য প্রাণীর নিরাপদ আবাস। দেশের উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ ঘাসভূমিতে দৌড়ে বেড়াত নীলগাই, সুন্দরবনের আশপাশে বিচরণ করত একশৃঙ্গ গন্ডার, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের বনে ঘুরে বেড়াত বনমহিষ।


মাঝেমধ্যেই দেখা যায় কেউ বাসায় টিয়া পাখি পুষছেন, কেউ পুষছেন বানর বা কচ্ছপ। আবার অভিযানে উদ্ধার হচ্ছে অজগর, পেঁচা কিংবা শকুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রায়ই বন্যপ্রাণী কেনাবেচার বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। অনেকেই মনে করেন, ‘একটা পাখি বা কচ্ছপ পুষলে সমস্যা কোথায়?’


প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে যাত্রীদের লাগেজে লুকিয়ে দেশে ঢুকছে নানা প্রজাতির ভিনদেশি বন্য প্রাণী। ধরা পড়ার ঝুঁকি এড়াতে হাটে-বাজারের বদলে এসব প্রাণীর বাণিজ্য চলছে অনলাইনে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যথাযথ অনুমোদন ও কোয়ারেন্টিন (সঙ্গনিরোধ) ছাড়াই অবৈধভাবে আনা এসব প্রাণী দেশীয় পরিবেশ...




গাজার বেসামরিক শাসন ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়েছে হামাস। সোমবার (৬ জুলাই) হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘হামাস আর গাজা উপত্যকার দায়িত্বে থাকবে না। দখলদারদের আগ্রাসন এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সব ধরনের অজুহাত বন্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’