


বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান একটি নতুন পর্যায় শুরু করেছে। এই আন্দোলনের পর রাষ্ট্রের মেরামত বা পুনর্গঠন স্লোগান থেকে বাস্তব রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়েছে।


একটি রাষ্ট্র কেবল ইটের দালান বা সীমানা দিয়ে চলে না। রাষ্ট্র চলে তার নাগরিকদের মধ্যে থাকা পারস্পরিক বিশ্বাস এবং শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতার ওপর। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে সবচেয়ে বড় ক্ষত হলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং লাগামহীন দুর্নীতি।


একটি দেশের গণতন্ত্র তখনই সার্থক হয়, যখন তার অর্থনীতিতে সাধারণ মানুষের সমান অংশগ্রহণ থাকে। বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় সংকট হলো ‘সিন্ডিকেট’ এবং ‘সম্পদ কুক্ষিগতকরণ’।


রাজনীতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের জীবনের মান উন্নয়ন। ২০২৬ সালের বিভিন্ন নির্বাচনী ইশতেহারে সামাজিক নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রক্ষার জন্য যে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পরিভাষাগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, তা গতানুগতিক ‘ত্রাণ দেওয়া’ বা ‘ভাতা দেওয়া’র রাজনীতি থেকে অনেক বেশি উন্নত।




আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ (সদর) আসনের ভোটের সমীকরণ ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে। দীর্ঘদিনের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ‘নৌকা’ ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীক এবারের ব্যালটে না থাকায় নির্বাচনী মাঠে তৈরি হয়েছে নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতা।


প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসাসেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় চরম অবহেলার শিকার দ্বীপ জেলা ভোলা। এই জেলার ভোলা-১ (সদর) আসনের ভোটাররা এবার শুধু মুখের আশ্বাসে সন্তুষ্ট থাকতে নারাজ, তারা সমস্যা সমাধানের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ‘রোডম্যাপ’ চাচ্ছেন ত্রয়োদম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদে


প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ সম্পদে সমৃদ্ধ ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। এই আসনে এবার ১৭ হাজারের বেশি তরুণ ও নতুন ভোটার প্রথমবারের মতো তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।


দ্বীপ জেলা ভোলার মানুষের কাছে নদীভাঙন মানেই এক চিরস্থায়ী আতঙ্ক। প্রতিবছর বর্ষা এলেই মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হয় হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্বল।


আর কেবল ক’দিনের অপেক্ষা। তারপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নতুন সংসদ। নতুন সাংসদ। নতুন সরকার। নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা। সেই নবযাত্রাকে বরণের প্রস্তুতির মাঝে হঠাৎই জন্ম নিল এক অনভিপ্রেত সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা—নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথ পড়াবেন কে? আর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে সংবিধানসম

