


বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নাম শুধু ব্যক্তি নয়, একটি যুগের প্রতিনিধিত্ব করে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেই ধরনেরই একজন নেতা। তাঁর জীবন ছিল ঘটনাবহুল। তাঁর রাজনৈতিক উত্থান ছিল এক অর্থে অস্বাভাবিক। তাঁর মৃত্যু মর্মান্তিক।


১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর এক চরম ভূ-রাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ সংকটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত ভারত এবং সোভিয়েত ব্লকের ওপর বহুলাংশে নির্ভরশীল থাকলেও, জিয়াউর রহমানের শাসনামল (১৯৭৭-১৯৮১) দেশের জাতীয় নিরাপত


মানুষের স্মৃতিতে জিয়াউর রহমান এমন এক শাসক, যিনি উন্নয়নের ভাষাকে শহরের মসনদ থেকে নামিয়ে খাল, মাঠ ও ইউনিয়ন পরিষদের উঠোনে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। খাল কাটা কর্মসূচি, স্বনির্ভর বাংলাদেশ ও গ্রাম সরকার; এসব ধারণা আজও বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিধানে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। প্রশ্ন হচ্ছে, তাঁর সেই উন্নয়ন-দর্শন আজকের


কত গরু-ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং কী পরিমাণ কোরবানি হতে পারে, সে বিষয়ে একটা ধারণা দেওয়া হয়েছিল– এবারও। কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল কিনা, তা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন রয়েছে। কোরবানির চাহিদা অত বেশি কিনা, সেটাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। চাহিদা বলতে ‘কার্যকর চাহিদা’ই বুঝতে হবে।



সিনেমা ‘বনলতা সেন’ কি সবার জন্য? সবাই বুঝবে? এমন প্রশ্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখতে পাচ্ছি। প্রথম প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যা’। দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর ‘না’। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে, যারা বুঝবে না তাঁরা দেখবে কেন?


প্রথমে ছুরি মারার দু-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছিল। এখন দুই পক্ষের মধ্যে রীতিমতো যুদ্ধ শুরু হওয়ার খবর আসতে লাগল। সেই লড়াইয়ে দেদার ব্যবহার হচ্ছিল চাকু-ছুরির পাশাপাশি কৃপাণ, তলোয়ার আর বন্দুক। মাঝে মাঝে দেশে তৈরি বোমা ফাটার খবরও আসছিল।


মানুষ সম্ভবত কথা বলার আগেই সুর চিনেছিল। পৃথিবীর শব্দ শুনেছিল। নদীর গর্জন, বাতাসের চলন, পাখির ডাক, বৃষ্টির ছন্দ—এসবের মধ্যেই মানুষ প্রথম উপলব্ধি করেছিল যে অস্তিত্ব নিছক নীরব নয়; বরং সবকিছুই এক গভীর অনুরণনের অংশ।


নবম এবং দশম শতকে ইরাকের বাগদাদ শহর ছিল একটি বিপুল ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী অনুবাদ যজ্ঞের কেন্দ্র। এর লক্ষ্য ছিল নব্য মুসলিম সাম্রাজ্যের ভাষা আরবিতে প্রাচীন গ্রিসের বিজ্ঞান ও দর্শনবিষয়ক কাজগুলো অনুবাদ করা। অবশ্য সেই সঙ্গে বিপুল সংখ্যক সিরিয়াক, ফারসি, এবং সংস্কৃত টেক্সট-ও অনূদিত হয়েছিল।




ফুটবল মাঠে গতির ঝলক আর পায়ের কারুকাজ সব সময়ই দর্শকদের মুগ্ধ করে। উইং দিয়ে ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে বক্সে ঢুকে পড়ার দৃশ্য গ্যালারিতে উন্মাদনা ছড়ায়। বর্তমান ফুটবল বিশ্বে এই জাদুকরী দক্ষতার কথা উঠলে উসমান দেম্বেলের নাম প্রথম সারিতে চলে আসে। তাঁকে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ‘উইং উইজার্ড’ বলা হয়।

কোরবানির ঈদকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন সবাই আরও বেশি করে কনটেন্ট আপলোড করে। কনটেন্টের এই হঠাৎ বিস্ফোরণের পেছনে শুধু উৎসবের উচ্ছ্বাসই নয়, আছে অর্থনীতিও। এখন ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক—প্রায় সব বড় প্ল্যাটফর্মই কনটেন্ট নির্মাতাদের বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে অর্থ দেয়।