


বাজার তো বটেই, রাস্তার মোড়ে মোড়ে এবার বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। উৎপাদন বেশি হওয়ার দামও এবার কিছুটা কম। গ্রীষ্মের এই ফল সবার কাছেই প্রিয়। এতে থাকে প্রচুর পানি, যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।


গ্রীষ্মকাল মানেই তরমুজের মৌসুম। লাল টুকটুকে মিষ্টি এই ফল খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছে। তরমুজ খাওয়ার ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস রোগীরা কী করবেন তা নিয়ে অনেকের মনেই দ্বিধা কাজ করে। তরমুজের অনেক পুষ্টিগুণ থাকলেও এটা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাবে কি না, সেই চিন্তায় অনেকে তরমুজ খাওয়া বাদ দেন।


এখন তরমুজের মৌসুম। বাজার থেকে রাস্তাঘাট—সব জায়গায় শুধু তরমুজ আর তরমুজ। কিন্তু এই রসালো ফলটি ঠিক কোথা থেকে প্রথম আমাদের পাতে এল? এ নিয়ে খোদ বিজ্ঞানী মহলেই রয়েছে নানা বিতর্ক। তরমুজের জন্মভূমি কি নীল নদের তীরে, নাকি পশ্চিম আফ্রিকার দুর্গম প্রান্তরে?


গ্রীষ্ম এলেই বাজার ভরে ওঠে রসালো ফল তরমুজে। তীব্র গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে তরমুজের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু ভোক্তাদের একটি সাধারণ অভিযোগ, এই ফলটি বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায় না। কয়েকদিনের মধ্যেই তরমুজ তার স্বাদ, গন্ধ ও সতেজতা হারাতে শুরু করে। কখনো আবার বাইরে ঠিকঠাক দেখালেও ভেতরে


চরের মাটি আর লোনা বাতাসের সংসারে এক ধরনের জুয়া খেলা চলে প্রতি বছর। কৃষক বীজ বোনেন, মাটিতে মিশিয়ে দেন হাজার হাজার টাকা। তারপর শুরু হয় অপেক্ষা। সেই অপেক্ষার নাম তরমুজ।

আধুনিক জোটনিরপেক্ষতা মানে এখন আর চুপচাপ বসে থাকা নয়। এটি এখন পুরোপুরি একটি লেনদেনের খেলা, যাকে বলা যেতে পারে ‘বহুমুখী জোট’ বা মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট। দেশগুলো এখন আর ভূ-রাজনৈতিক কোন্দল থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে না। বরং, তারা পরাশক্তিগুলোকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের জন্য সেরা সুবিধাটা আদায় করে নিচ্ছে।

