


খাল কেবল পানিই বয়ে নেয় না, বরং তার স্রোতের সঙ্গে ভেসে চলে ইতিহাস, নেতৃত্বের দূরদর্শিতা এবং একটি জাতির আত্মনির্ভরতার স্বপ্ন। বাংলার কৃষিনির্ভর জনপদে খাল মানে জীবিকা ও সম্ভাবনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।


বাংলাদেশ নদী, খাল ও জলাভূমির দেশ। একসময় দেশের গ্রামীণ জীবন, কৃষি উৎপাদন এবং স্থানীয় বাণিজ্যের বড় অংশই পরিচালিত হতো এই প্রাকৃতিক জলপথকে কেন্দ্র করে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অব্যবস্থাপনা, দখল এবং অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে অসংখ্য খাল হারিয়ে গেছে ও নাব্যতা হারিয়েছে।


খাল খনন কর্মসূচির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি এর বাস্তবায়নে চরম পেশাদারত্বের পরিচয় দিতে হবে। খাল খননের পূর্বশর্ত হিসেবে হাইড্রোলজিক্যাল সার্ভে ও সারফেস ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশনের ওপর ভিত্তি করে একটি পূর্ণাঙ্গ 'মাস্টার প্ল্যান' প্রণয়ন করতে হবে।


সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশব্যাপী পরিচালিত খাল খনন কর্মসূচিতে প্রযুক্তির ব্যবহার কমিয়ে মানুষের কায়িক শ্রমকে অধিক প্রাধান্য দেওয়া হবে। তাঁর এই বক্তব্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ‘শ্রমনির্ভর’ পদ্ধতির পুরোনো কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর একটি ধারণাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই


বাংলাদেশে ডিজিটাল শাসনের পথচলা এক সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। আর এর অন্যতম ভিত্তি ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা অধ্যাদেশ (পিডিপিও) ২০২৫ এবং পরবর্তী ২০২৬ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশ জারি।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলা কেবল মধ্যপ্রাচ্যেই আগুন জ্বালায়নি। এর ভয়াবহ ধাক্কা হরমুজ প্রণালি থেকে শুরু করে জাপান সাগর পর্যন্ত পুরো এশিয়া জুড়ে অনুভূত হচ্ছে। এই সংঘাত এশিয়ার আঞ্চলিক জ্বালানি ব্যবস্থার ভঙ্গুরতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।



ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার প্রথম দুই সপ্তাহে বিপুল খবর, প্রচার আর জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। সব পক্ষের রাজনীতিক ও বিশ্লেষকেরা একে অন্যের বিপরীত কথা বলেছেন। ফলে যুদ্ধের ময়দানের বাস্তবতা অনেকটাই আড়ালে থেকে গেছে। বিশ্বজুড়ে মানুষও তথ্যের চাপে বিভ্রান্ত হয়েছে।


ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পুরো বিশ্বের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক; বলা যায়, তিনি এখন ‘গ্লোবাল পাবলিক এনিমি নাম্বার ওয়ান’ বা বিশ্বের এক নম্বর গণশত্রু। ইরানের সঙ্গে যে অবৈধ যুদ্ধ তিনি শুরু করেছিলেন, তা থামাতে তো পারছেনই না, উল্টো ধীরে ধীরে পরাজয়ের দিকেই যাচ্ছেন।


যুক্তরাষ্ট্র এখনও বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি ও শক্তিশালী সামরিক শক্তি। কিন্তু তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কবে ঠিক হবে, তার জন্য বিশ্বের বাকি দেশগুলো অনন্তকাল অপেক্ষা করতে পারে না। এখন সময় বিকল্প চিন্তার। আগামীর জন্য এমন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়তে হবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়াও চলতে পারে।
