


ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। এখানে সব মানুষের অধিকার ও দায়িত্ব সুস্পষ্ঠভাবে নির্ধারিত। বিশেষ করে শ্রমিকের অধিকারের প্রতি ইসলাম অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করেছে৷ কোরআনে প্রত্যেককে তাদের ন্যায্য পারিশ্রমিক বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে৷


দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার অন্যতম কারিগর বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা। নিজের ও পরিবারের ভাগ্য বদলের আশায় তাঁরা পরবাসে পাড়ি জমালেও দিনশেষে তাঁদের ‘পরিচয়’ ও ‘অধিকার’ নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন।


শ্রম আইনে কোনো মামলা ৬০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা বছরের পর বছর চলতে থাকে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং শ্রম আদালতে বর্তমানে ২৭ হাজার ৪০৭টি মামলা রয়েছে।




বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে সত্যজিৎ রায় অস্বাভাবিক ‘নীরব’ ছিলেন। তাঁর কোনো কথায় কিংবা কাজে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিশেষ স্থান পায়নি। এই নীরবতা কৌতূহলোদ্দীপক। ফলে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা আছে। যেমন একবার দেশের একটি দৈনিকে কবি দাউদ হায়দার লেখেন:


আমি বড় হয়েছি প্রায় এক ধরনের নিঃসঙ্গতার ভেতর দিয়ে। যখন আমার সমবয়সীরা বাইরে খেলাধুলা করেছে, হাসি-আনন্দে কোলাহলে স্মৃতি গড়ে তুলছিল, তখন আমার জগৎ ছিল অন্যরকম নিরিবিলি, নীরব। আমার শৈশবের সেই সময়গুলো গড়ে উঠেছিল হলদে হয়ে আসা বইয়ের পাতায়, মৃদু স্বরে ভেসে আসা চিন্তার স্রোতে, আর এক টুকরো নরম আলোয় ঘেরা পড়ার মু


আজকালকের ছেলেমেয়েদের পছন্দের সমীকরণ কেন বদলে যাচ্ছে, তা নিয়ে সাংস্কৃতিক মহলে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। জেনজি বা আজকের প্রজন্মের কাছে শার্লক হোমস যতটা ‘আইকনিক’, ফেলুদা কেন ততটা নয়—এই প্রশ্নও চায়ের আড্ডায়, ঘরোয়া আলোচনায় প্রায়ই শোনা যায়।


সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টিজগত নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত তাঁর সিনেমার ভাষা, মানবিকতা বা গল্প বলার দক্ষতার কথাই আগে বলি। কিন্তু তাঁর কাজকে ভেতর থেকে বুঝতে চাইলে যে দিকটি আলাদা করে সামনে আসে, তা হলো—ভ্রমণ। তিনি ছিলেন এক গভীর কৌতূহলী, পর্যবেক্ষণকারী ও ভ্রমণকারী। সেই ভ্রমণ তাঁর গল্প, চরিত্র ও সিনেমার গঠন


যেকোনো বড় বিপ্লব বা ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর যেমন বিপুল সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়, তেমনি পরক্ষণেই কিছু গভীর সংকট ও সংশয় জনমনে দানা বাঁধতে শুরু করে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের অন্তরে এখন একটিই প্রশ্ন নিরন্তর ঘুরপাক খাচ্ছে—সরকার কি প্রকৃতপক্ষেই জনগণের নাড়ির স্পন্দন বুঝতে পারছে? নাকি

বিজ্ঞানের জগৎ সাধারণত প্রথাগত নিয়ম, দীর্ঘসূত্রিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলে আবদ্ধ। এখানে উন্নতি পরিমাপ করা হয় দশকে আর খ্যাতি তৈরি হয় ধীরস্থির মতৈক্যের ভিত্তিতে। তবে প্রতি প্রজন্মান্তরে এমন একজন ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটে, যিনি তাঁর বৈপ্লবিক চিন্তায় বিজ্ঞানের চিরাচরিত ভিত্তি নাড়িয়ে দেন।

