


দক্ষিণ এশিয়ায় তাপপ্রবাহ এখন আর মৌসুমি অস্বস্তির বিষয় নয়। এটি ধীরে ধীরে বড় ধরনের জলবায়ু ও জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে প্রতি বছরই গরম আরও দীর্ঘ, তীব্র ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। সম্প্রতি পরিবেশ বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণায় এই পরিবর্তনের পেছনের কারণগুলো নতুনভাবে ব্যাখ্যা


দিনের তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে উড়িষ্যা রাজ্যের ৯টি জেলার জেলা প্রশাসকরা সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় রাজ্য সরকার একটি মানসম্মত কার্যপদ্ধতি (এসওপি) জারি করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রত


চৈত্র পার হতেই কাঠফাটা রোদে পুড়ছে রাজধানী। ভ্যাপসা গরমে ত্রাহি দশা। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস, চলতি সপ্তাহে ঢাকায় তাপপ্রবাহ আসছে। ২১ এপ্রিল থেকে এই দাবদাহ মাসের শেষঅবধি চলবে। ইতোমধ্যে রাজধানীতে তার আলামত মিলছে।


বর্তমান এই জ্বালানিমূল্য বৃদ্ধির ফলে সরকারের যে সামান্য লাভ হবে, তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি ক্ষতি হবে জনগণের। বিশাল এই বোঝার ফায়দা লুটছে মূলত তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ অসাধু ব্যবসায়ীরা। পুরো সুবিধাটাই তারা নিজেদের পকেটে ভরছে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই ২৮ ফেব্রুয়ারির আকস্মিক বিমান হামলা ছিল একই সঙ্গে উদ্বেগজনক ঘটনা। বাংলাদেশও পরিমিত ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে—ইরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা করেছে, কিন্তু য



একদিকে ‘হিন্দু খতরে মে হ্যায়’ আর অন্যদিকে ‘মোদি এলে মাছ-ভাত খাওয়া ঘুচে যাবে’— এই দুয়ের মধ্যে বাঙালি হিন্দুরা পড়েছে মহাবিপদে। আর তার চেয়েও বেশি বিপদে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গবাসীর রাজনৈতিক বিশ্লেষক সত্তা, যারা সকালে চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে শুরু করে দুপুরের সেলুনের আড্ডা এবং সন্ধ্যার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অন

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে (এফবিসিসিআই) দেশের ব্যবসায়ী সমাজের প্রকৃত প্রতিনিধিত্বকারী, কার্যকর ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।