


পৃথিবীর ইতিহাসে সংক্রামক ব্যাধির সঙ্গে মানুষের লড়াই অনেক পুরোনো। বিভিন্ন যুগে নানা রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব রোগে প্রাণহানি ঘটেছে কোটি কোটি মানুষের। চতুর্দশ শতাব্দীতে ‘ব্ল্যাক ডেথ’ বা প্লেগ রোগে ইউরোপের বিপুল সংখ্যক মানুষ মারা যায়। এরপর গুটিবসন্ত, কলেরা ও স্প্যানিশ ফ্লু পৃথিবীতে ব্যাপক ধ্বং


বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ বছর অন্তত ৩৮ জন শিশু হাম ও এর জটিলতায় মারা গেছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এই সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। শুধু মার্চ মাসেই ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে (আইডিএইচ) ২১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে ।


দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় একসময় হাম ছিল শিশুমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এক সময় এই সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগটি বহু শিশুর জীবন কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি টিকাদান কর্মসূচি, শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও কার্যকর নজরদারির মাধ্যমে আজ সেই চিত্র বদলে গেছে।


সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। হাসপাতালগুলোতে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। হাম বায়ুবাহিত ছোঁয়াচে একটি রোগ। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি খুব সহজেই হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে তার চারপাশের অসংখ্য মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।


গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থনীতির হিসাব এক দ্বৈত বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরেছিল। এর উপরিভাগে ছিল রপ্তানিনির্ভর প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার সরকারি বর্ণনা।

