


ভারতে ‘গরু’ নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড চলছে। এই গৃহপালিত পশুটি ভারতের রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনীতির অন্যতম অনুঘটক। বিশেষ করে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কেন্দ্রে এবং বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গো-রক্ষা এবং গো-মাংস বর্জনের বিষয়টি রাজনৈতিক মেরুকরণের বড় একটি হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।


পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন গরু নিয়ে ভিডিওতে সয়লাব। একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মুসলিম যুবকেরা হিন্দু গরু বিক্রেতাদের আটকে দিয়ে তাদের গরু নিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বলছেন। তারা বলছেন—‘কেন আপনি আপনার মাকে বিক্রি করতে এসেছেন?


পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ঘোষপাড়ার গরু খামারি সাধন ঘোষ। নিজের গোয়াল ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, তাঁর আর কোনো পথ খোলা নেই। স্থানীয় এক মহাজনের কাছ থেকে তিনি ৪ শতাংশ সুদে ৫ লাখ রুপি ঋণ নিয়েছিলেন। তাঁর আশা ছিল, নিজের ১০টি গরুর মধ্যে ৯টি বিক্রি করে সেই ঋণ শোধ করবেন।


মিশেল দ্য সের্তো বলেছিলেন, ক্ষমতাহীন মানুষের প্রধান অস্ত্র হলো দৈনন্দিন জীবনের ভিতর ছোট ছোট প্রতিরোধ। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সেই প্রতিরোধেরই এক ডিজিটাল রূপ। এখানে যুবসমাজ বলছে— তোমরা আমাদের অপমান করবে, আমরা সেই অপমানকেই আত্মপরিচয়ে পরিণত করব। কিন্তু এই প্রতিবাদের স্থায়িত্ব মানুষের রাজনৈতিক সংগঠ

বাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে দেখলাম, জনাপাঁচেক মানুষ একটা স্মার্টফোনের ওপর ঝুঁকে আছে। সবার চোখে এক ধরনের আদিম উত্তেজনা। ফোনের স্ক্রিনে একটা ভিডিও চলছে—কোনো এক জায়গায় শিশু ধর্ষণের খবর। জটলার ভেতরের ছাইরঙা টি-শার্ট পরা লোকটা দাঁত কিড়মিড় করে বলল, ‘মামা, এডিরে ধইরা মাঝরাস্তায় পিটায়া মারা দরকার। লাইভ করা



মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত অবসানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের অন্তর্বর্তী চুক্তি চূড়ান্ত করতে তেহরানে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা চলছে। শনিবার (২৩ মে) তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, কাতার ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে চলতি সপ্তাহের শেষেই বড় কূটনৈতিক অগ্রগতির আশা করা হচ্ছে।