


২০০৬ সালের কোনো এক অলস দুপুর। নানুর কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে আমি ‘পান্তা বুড়ি’র গল্প শুনছিলাম। সেই বুদ্ধিতে ঝলমল এক বুড়ির গল্প, যে মানুষের ঠাট্টা-তামাশাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে নিজের মতো থাকতে জানত।


নারী-প্রশ্ন ডিল করার আগে নিজের অপারগতা স্বীকার করছি। কেননা, ‘নারী প্রশ্ন’ বলার মধ্য দিয়েই নারীকে কম মানুষ করা হয়ে যায়। যদিও কম মানুষের বিপরীতে বেশি মানুষ বলে কিছু নেই। অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গ মানুষরূপ বিবেচনা থেকে আমাদের চিন্তার উত্তরণ ঘটলে এই আলোচনা হয়তো সহজ হতো। এমনকি ভাষা নিজেও, নারীকে কম মানুষ করে রাখা


‘শরীরের লগে ঘেঁইষা বসেছেন কেন?’—বাসে একজন নারী যাত্রীর এই অতি স্বাভাবিক প্রতিবাদের বিপরীতে যখন উত্তর আসে, ‘প্রাইভেট কার ব্যবহার করেন, বাসে চড়েন কেন? বাসে চড়লে শরীর লাগবোই!’—তখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে আমাদের সমাজের গভীরে প্রোথিত পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার কদর্য রূপ।


প্রশ্ন আসে, নারীদের এই চিত্র সবখানেই এক কিনা। ইকুয়াল অপরচুনিটি পাওয়া নারীদের সংখ্যা হাতে গোণা। বড় শহর ও মফস্বল শহরের শিক্ষিত বাবা-মা বাংলাদেশে প্রিভিলেজই ধরা যেতে পারে। কেননা ২০২২ সালের সর্বশেষ জনমিতি অনুযায়ী মোট ৫১ শতাংশ নারী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সিংহভাগই গ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে, এবং গ্রাম অঞ্চলেই নারীদে


রাজনৈতিক বন্দোবস্তের নামে আমরা এত বছর পার করলাম, তার ভিত্তি হওয়া উচিত ছিল সরকারি কর্মচারীদের ভূমিকা এবং তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রের ও রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্ক কেমন হবে, তা নির্ধারণ করা। কিন্তু আমরা সেসব না করে কেবল কথার ফুলঝুরি ছুটিয়েছি, যার পরিণতি ভবিষ্যতে আমরা আরও বেশি দেখতে পাব।



মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পর বাংলাদেশে আতঙ্কজনিত কেনাকাটা ও মজুদের প্রবণতা বাড়ে। এ পরিস্থিতিতে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি তেল বিক্রিতে দৈনিক সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার।


সম্প্রতি দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে একধরনের অস্থিরতা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, অনেক দূর থেকে এসে তেল না পেয়ে ফিরে যাওয়ার অভিযোগ এবং কোথাও কোথাও স্টেশন বন্ধ রাখার খবর—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ অস্বস্তিকর।


ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হবে না—ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করতে হবে।




সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ নিয়ে কথা বলেছেন। এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে সে বিষয়ে তিনি একটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো পরিষ্কার বা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অনেকটাই অস্পষ্ট ও পরস্পরবিরোধী।

দেশে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমদানিনির্ভরতা কমানোর পরামর্শ দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। এজন্য দেশীয় জ্বালানি উৎস এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুপারিশ করে সংস্থাটি।