৩২ নম্বরে ‘মব’ : সিভিল রাইটস কি লঙ্ঘিত হচ্ছে নাশেখ মুজিবুর রহমান নিহত হয়েছিলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল সপরিবারে। সেই রাতে আরও একাধিক বাসভবনে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এর মধ্য দিয়ে শেখ মুজিব নেতৃত্বাধীন স্বৈরশাসনের অবসান হয়েছিল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনে ওই ধরনের হত্যাকাণ্ডই একমাত্র উপায় ছিল কিনা, তা১৬ আগস্ট ২০২৬
কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের মৃত্যু ঠেকাতে জাতীয় টাস্কফোর্স এখন সময়ের দাবি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে ৯ জন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার ঘটনাটি দেশের শ্রম খাতের এক ভয়াবহ ও রূঢ় বাস্তবতাকে আবারও আমাদের সামনে উন্মোচিত করেছে। ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর ‘লাঠিয়াল’ হয়ে ওঠা রোধ করতে হবেময়মনসিংহের ত্রিশালের একটি বালুমহাল। সেখানকার অস্থায়ী টিনের কার্যালয়ে বসে কাজ করছিলেন ইজারাদারের এক কর্মচারী। হঠাৎ সেখানে দলবল নিয়ে প্রবেশ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্য। সরকারি কর্মকর্তাদের এমন আকস্মিক প্রবেশে কিছুটা ভড়কে যান ওই কর্মচারী।১৩ আগস্ট ২০২৬
আমার ঢাকা: বছরে ৪৮০ ঘণ্টা হারানোর দায় নেবে কেঢাকা যেন দিন দিন একটি মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে। বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে এই শহর। প্রতিদিনের নাগরিক জীবনের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণার নাম এখন যানজট। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, রোগী, ব্যবসায়ী—কেউই এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।০৯ আগস্ট ২০২৬
আদিবাসী দিবস‘আদিবাসী’ প্রশ্নে রাষ্ট্রের উষ্মা কেনডন জেত্রার সঙ্গে আজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দেখা হলো। আবারও হ্যান্ডশেকটা ঠিকঠাক হলো না। কারণ ‘আদিবাসী’ এই টগবগে তরুণ তাঁর ডান হাত ভাঁজ করতে পারেন না। কোনোদিন পারবেন কি না, জানা নেই। সহযোদ্ধা রূপাইয়া তঞ্চঙ্গ্যাকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর হাতের এই হাল।০৯ আগস্ট ২০২৬
‘নিজের জনগণের ওপর গুলি চালাবেন না’—কেন বলেছিলাম২২ জুলাই ২০২৪। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তখন অত্যন্ত উত্তপ্ত। প্রতিদিনই আহত ও নিহতের সংবাদ সবাইকে গভীরভাবে ব্যথিত করছিল। সেদিন আমি জানতাম না পরবর্তী দুই সপ্তাহে কী ঘটতে যাচ্ছে। আমি জানতাম না রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিণতি কী হবে।০৫ আগস্ট ২০২৬
হাইকোর্টের রায়: জনমতের বিজয় ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের রক্ষাকবচভবিষ্যতে কোনো সরকার যেন সংবিধানকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে, সেজন্য সাংবিধানিক কাঠামোতে পর্যাপ্ত রক্ষাকবচ প্রয়োজন। বর্তমানে আমাদের সামনে তিনটি বড় রক্ষাকবচ তৈরি হলো: প্রথমত, সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা; দ্বিতীয়ত, গণভোট; এবং তৃতীয়ত, উচ্চ আদালতের বিচারিক পর্যালোচনা।০৯ জুলাই ২০২৬
দিল্লিতে ডা. জাহেদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাসরকারের উচিত ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চাওয়াদিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সরকারের উচিত যথাযথ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে ভারতের কাছে এর আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করা।১৫ জুন ২০২৬
বাজেট মূল্যায়নপ্রস্তাবিত বাজেট: সম্ভাবনা, সংস্কার ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জএই বাজেটে বেশ কিছু ব্যতিক্রমী ও ভালো উদ্যোগ রয়েছে, তবে এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে গেলে সরকারকে সমানতালে অনেকগুলো কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।১৩ জুন ২০২৬
বাজেট প্রতিক্রিয়াবিশাল রাজস্ব আদায়ের চ্যালেঞ্জ, লক্ষ্য অর্জনে দুর্নীতি ও অপচয় রোধ অপরিহার্যএই বাজেটটি সাধারণ আর দশটা বাজেটের মতো নয়। দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতিতে চলা বিনিয়োগ খরা, ব্যাংকিং খাতের সংকট, পুঁজিবাজারের দুর্দশা, বেকারত্ব ও বৈষম্য থেকে অর্থনীতিকে উদ্ধার করার একটি ব্লু-প্রিন্ট হলো এই বাজেট। এটিকে কেবল এক বছরের পরিকল্পনা না ভেবে আগামী পাঁচ বছরের একটি ‘রোডম্যাপ’ হিসেবে দেখা উচিত।১৩ জুন ২০২৬
রাশিয়ায় শ্রমবাজার: কর্মী পাঠানোর আগে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরিঢালাওভাবে কর্মী না পাঠিয়ে, প্রথমে ৫০ বা ১০০ জন কর্মী পাঠিয়ে তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তারা সেখানে নিরাপদে আছেন কি না এবং চুক্তিমতো কাজ পাচ্ছেন কি না, তার ওপর ভিত্তি করেই ধাপে ধাপে আরও কর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।১০ জুন ২০২৬