৭ নভেম্বর: রাষ্ট্রচিন্তার পুনর্জাগরণবাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তাৎপর্যপূর্ণ দিনগুলোর একটি হলো ৭ নভেম্বর ১৯৭৫। এই দিন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মোড়-ফেরানো দিন। দিনটিকে কেউ বলেন ‘সিপাহি-জনতার বিপ্লব’। বিরোধীরা বলেন, ‘রাষ্ট্রবিপর্যয়ের সূচনা’।
সর্বমিত্রের ‘লাঠির শাসন’, ডাকসুর ভূমিকা কি বদলে যাচ্ছেহেমন্তের রাত। হালকা হিম পড়ছে আকাশ থেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার জাতীয় বার্ন ইউনিটের ১ নম্বর গেটের বিপরীতের ফুটপাতে পোটলা বিছিয়ে শুয়ে পড়লেন এক বৃদ্ধ। কিন্তু নিরপরাধ ঘুমের স্পর্শ পাওয়ার আগেই উদ্ধত লাঠির দেখা পেলেন তিনি। কয়েকজন তরুণ লাঠি হাতে বৃদ্ধকে শাসাতে লাগলেন সেখান থেকে উঠে যাওয়ার জন্য।
মামদানির জয় কি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীকনিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানির বিজয় আসলে প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে এক নৈতিক জবাব। যে প্রাতিষ্ঠানিকতা আমাদের এতদিন বলে এসেছে, ক্ষমতার কাছাকাছি থাকাই পূন্য ও টাকা থাকাই যোগ্যতা, সেই প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে মামদানির বিজয় যেন এক সাক্ষাৎ চপেটাঘাত।
আমেরিকার পুঁজিবাদের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সমাজতান্ত্রিক মনবহু বছর ধরে সারা বিশ্বের কাছে আমেরিকা মানেই পুঁজিবাদের চূড়ান্ত প্রতীক। এই দুনিয়া চলে ওয়াল স্ট্রিট, সিলিকন ভ্যালির ইশারাতে। ব্যক্তির ইচ্ছাই এখানে শেষ কথা। এখানে ‘সমাজতন্ত্রী’ শব্দটি আজও রাজনৈতিক আক্রমণ বা গালাগাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ: নতুন রাজনৈতিক দিগন্তের সূচনা২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, যার মূলে রয়েছে রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা। এই সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন ৮৪ দফা সুপারিশ পেশ করেছে।
গণভোটের পরেও কেন প্রয়োজন সংবিধান সংস্কার পরিষদ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাত ধরে সেই সংস্কার প্রক্রিয়ার যাত্রা শুরু হয়েছে।
আমেরিকার প্রথম ‘সৎ’ প্রেসিডেন্টক্ষোভ এখন এক ধরনের জীবনধারা, নৈরাশ্য এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশন। রাজনৈতিক সমালোচনা এখন পণ্য—মিডিয়া ও প্রকাশনা শিল্প মানুষের ক্ষোভকে বই, ডকুমেন্টারি, বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রূপ দিচ্ছে।
বাজেট সংশোধন: অর্থনীতির চাপ সামাল না ভোটের প্রস্তুতি?চলতি অর্থবছরে ডিসেম্বরে সরকারের বাজেট সংশোধনের ঘোষণা গভীর অর্থনৈতিক সংকট নির্দেশ করে। ক্রমবর্ধমান ব্যয়, রাজস্ব ঘাটতি ও মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে এই পদক্ষেপ কি অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা রক্ষার চেষ্টা, নাকি আসন্ন নির্বাচনের আগে জনপ্রিয়তা অর্জনের রাজনৈতিক কৌশল—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আনু মুহাম্মদের কলাম /শিক্ষার সংকটে ভবিষ্যৎ: এক নৈরাজ্যিক ব্যবস্থার ব্যবচ্ছেদবাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা একটি বহুধা বিভক্ত ও বৈষম্যমূলক কাঠামোতে পরিণত হয়েছে। নীতিগত পঙ্গুত্ব, শিক্ষকদের অবমূল্যায়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে নীতিনির্ধারকদের সংযোগহীনতা এর মূল কারণ, যা একটি জ্ঞানহীন প্রজন্ম ও সামাজিক বিভাজন তৈরি করছে।
জাতীয় পার্টির ‘লাঙ্গল’ এখন কোন শস্য ফলাতে চায়?অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়া জাতীয় পার্টি এখন নিজেদের প্রতীক “লাঙ্গল” নিয়েই টানাটানিতে ব্যস্ত। এই ভাঙ্গন কেবল নেতৃত্বের সংঘাত নয়, বরং দলটির দীর্ঘদিনের আদর্শিক সংকট এবং রাজনৈতিক কৌশলের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। প্রশ্ন উঠেছে, জাতীয় পার্টির এই লাঙ্গল আগামী দিনে আসলে কোন শস্য ফলাতে চায়?
চীন-বাংলাদেশ সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি ও মার্কিন উদ্বেগচীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সামরিক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ঢাকার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কিনা সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে।
কোর্ট মার্শালের এখতিয়ার কী, আইনগত বাস্তবতা কী বলেগুম–নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তা। বাংলাদেশে এই প্রথম ১৯৭৩ সালের আইনের অধীনে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রশ্ন উঠতে পারে, এই বিচার কি সেনা আইনের অধীনে কোর্ট মার্শালে করা যেতো কিনা। এর আইনগত বাস্তবতা নিয়ে লিখেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
শিক্ষা ও কর্মসংস্থান: সমাধানের পথ কোথায়জুলাইয়ের ছাত্র গণঅভ্যুত্থান আকস্মিক কোনো ঘটনা ছিল না। এর নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে জমে থাকা দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও হতাশা, যার মূলে রয়েছে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের সংকট।
টাকার মান কমায় বাড়ছে উদ্বেগ, করণীয় কীকাগজ-কলমে দেশের অর্থনীতিকে যতই ঊর্ধ্বগতির দেখানো হোক, বাজারে গিয়ে তার আলাদা চেহারাটাই দেখা যায়। বাজারে ঢুকলেই বোঝা যায়, কীভাবে টাকার দুর্বলতা নীরবে মানুষের দৈনন্দিনকে বদলে দেয়।
রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা কি দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে পেছনে রাখছেবাণিজ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি পরিদর্শনে গিয়ে উপদেশ দিয়েছেন, ফার্নিচার, গাড়ি-টাড়ি বানানো বাদ দিয়ে ওখানে যেন ট্যাংক বানানো হয়। আমি বাণিজ্য উপদেষ্টার মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে দুটি প্রশ্ন করতে চাই।
ইনবক্সের বাইরে-১মেট্রো স্টেশনে এক বিকেল ও জুলাই সনদ-অগ্নিকাণ্ডের গল্পরাজধানীর রাস্তাগুলোতে দিনের পর দিন একইভাবে ক্লান্তিকর যানজটে আটকে থাকার অভ্যাসটা বদলে দিয়েছে এই মেট্রো রেল। যান্ত্রিক কাঠামোয় চাপলে মনে হয় যেন একটা গতিদানবের পিঠে সওয়ার হয়েছি। এই গতি শুধু বাহ্যিক গতি নয়, যেন দেশটার এগিয়ে চলার একটা প্রতীকী গতিও অনুভব করি।
টেকসই তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিকল্প রূপরেখা কীজুলাই অভ্যুত্থানের পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবার চীনের কাছেই ফেরত গিয়েছে তাদের প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে দেওয়ার অনুরোধ নিয়ে। সেই লক্ষ্যে এই মহাপরিকল্পনা নিয়ে আবারও গণমাধ্যমে আলোচনা দেখা যাচ্ছে, সরকারও গণশুনানির আয়োজন করেছে।