খাগড়াছড়িতে এনসিপির পদযাত্রানাহিদ ইসলাম বললেন /একটি বহুভাষা ও সংস্কৃতির দেশ হিসেবে গড়তে চাইনাহিদ ইসলাম বললেন, ‘আমরা নাগরিক পরিচয়ের ভিত্তিতে দেশকে গড়তে চাই। জাতি, বর্ণ, ধর্ম, নির্বিশেষে সব নাগরিকের অধিকার সমান’।
ফিরে দেখা ২১ জুলাই আদালতের রায়ে ৭ শতাংশ কোটা জারি, গুম থেকে ফিরে এলেন নাহিদইন্টারনেট বন্ধ, বহু টিভি চ্যানেল সত্য প্রচার করছে না। আগামীকালের পত্রিকার জন্য অধির হয়ে অপেক্ষা করছেন মানুষ। বাইরে চলছে কারফিউ—সে সময় মোটামুটি অন্ধকারেই ঘরবসতি গেড়েছিল সবাই।
ফিরে দেখা ২০ জুলাইনাহিদ ইসলামকে তুলে নেয় র্যাব, দিনভর মৃত্যুর মিছিল২০ জুলাই ২০২৪। দিবাগত রাতে নাহিদ ইসলামকে তুলে নিয়ে গিয়েও অস্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ‘কমপ্লিট শাটডাউন’কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, হামলার ঘটনায় প্রাণহানি বেড়েই চলে। যুদ্ধবিধ্বস্তের মতো পরিস্থিতি হয় বাংলাদেশের।
মুন্সিগঞ্জে এনসিপির পথসভাদেশ নির্মাণে সামনে আরেকটি লড়াই আসছে: নাহিদ ইসলামরংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশালের পর ঢাকা বিভাগে পদযাত্রা শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)৷ মানিগঞ্জের পর ঢাকা বিভাগের দ্বিতীয় জেলা হিসেবে মুন্সিগঞ্জে পথসভা করেছে দলটি৷
গোপালগঞ্জের একজন নিরীহ মানুষকেও যেন হয়রানি করা না হয়: নাহিদ ইসলামনাহিদ ইসলাম বলেছেন, হামলাকারী মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা যেন ছাড় না পায়, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনতে হবে।
আবারও গোপালগঞ্জ যাব, প্রত্যেক গ্রামে কর্মসূচি করব: নাহিদ ইসলামজাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা আবারও গোপালগঞ্জে যাব। জীবিত থাকলে গোপালগঞ্জের প্রত্যেক উপজেলায়, প্রত্যেক গ্রামে কর্মসূচি করব।’
ভোলায় এনসিপির পথসভানাহিদ ইসলামের কণ্ঠে ‘রাজাকার রাজাকার’ স্লোগানগত বছরের ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। ওই বক্তব্যের প্রতিবাদে সেদিন রাতেই তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’ স্লোগানে মিছিল করেন। দেশজুড়ে আলোড়ন তোলে সেই মিছিল।
বরগুনায় ‘দুলাভাই দুলাভাই’ স্লোগানে সারজিস-রাফিকে বরণপটুয়াখালীর পথসভা শেষ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীরা রওনা করেন বরগুনার উদ্দেশে। ঝড়-বৃষ্টি এবং খানাখন্দ ভরা রাস্তা পেরিয়ে সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে বরগুনায় পৌঁছে দলটির গাড়ি বহর। পাঁচটায় শুরু হয় পদযাত্রা।
খুলনায় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন এনসিপি নেতারা‘অনেকে রিকশাওয়ালা, মজুর, কৃষক, শ্রমিকদের তুই তুকারি করে কথা বলে৷ তাদেরকে তুচ্ছ করে, তাচ্ছিল্য করে৷ আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছি! বাংলাদেশকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে, একজন রিকশাওয়ালা, একজন সচিব সবার সম্মান হবে সমান।‘
যে কারণে মাগুরার বুরাইল বিলে নেমেছিলেন এনসিপি নেতারাবিলের ধারে এনসিপি নেতাদের হাস্যোজ্জ্বল ও উচ্ছ্বসিত একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল’ হয়। পরে একই স্থানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সেই বিলে নেমে সমর্থকদের সঙ্গে ‘শাপলা’ ‘এনসিপি’ ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন নেতারা।
‘শাপলা’ নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, নড়াইলের পথসভায় এনসিপি নেতারাআমরা শুনছি শাপলা প্রতীক আমাদের দেওয়া হবে না। নির্বাচন কমিশন মিটিং করার আগেই কিভাবে এই খবর প্রচার হলো। ধিক্কার জানাই নির্বাচন কমিশনকে। আপনাদের রিমোট কন্ট্রোল কাদের হাতে তা আমরা জানি।
গত বছরের ৯ জুলাই: একদিন বিরতি দিয়ে ফের বাংলা ব্লকেডের ডাক৯ জুলাই সারাদিন গণসংযোগ শেষে সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। এখানে পরদিন বুধবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা ‘বাংলা ব্লকেড’ ঘোষণা করেন নাহিদ ইসলাম।
কুষ্টিয়ায় নাহিদ ইসলাম‘ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে আবরার ফাহাদ ছিলেন মাইলফলক’পদযাত্রায় এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশপন্থী রাজনীতির পথ দেখিয়ে গেছেন আবরার ফাহাদ। সেই পথেই এনসিপি রাজনীতি করছে, সেই পথ ধরেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছিল।’
গত বছর ৬ জুলাই যা যা ঘটেছিলএদিন বিকেলে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে আবার শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে প্রায় একঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন তাঁরা। অবরোধ শেষে নাহিদ ইসলাম ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
বগুড়ায় শহীদ পরিবারের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সাক্ষাৎশহীদদের যে স্বপ্ন ছিল, তা জানাচ্ছি। শহীদ পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কটা রাজনৈতিক নয়। দল-মত নির্বিশেষে শহীদ পরিবারের সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক। শহীদ পরিবারের ক্ষতি অপূরণীয়।
যেকোনো মূল্যে সীমান্তে গণহত্যা বন্ধ করব: নাহিদ ইসলামনাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র, মৌলিক সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও নতুন সংবিধানের জন্য আমরা লড়াই করছি। অবশ্যই জুলাই-আগস্টের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র দিতে হবে এবং সাংবিধানিক ভিত্তি থাকবে এই ঘোষণাপত্রে।
যত দ্রুত সংষ্কার হবে, তত তাড়াতাড়ি দেশ সঠিকপথে এগিয়ে যাবেপরাজিত শক্তির রেখে যাওয়া পুরাতন বন্দোবস্ত পরিবর্তন করা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবেনা। যত দ্রুত সংষ্কার হবে, তত তাড়াতাড়ি দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাবে। আমরা জুলাই পদযাত্রার মাধ্যমে যে সাড়া পাচ্ছি তাতে জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন করেই ছাড়ব।