






মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওই নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে যারা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে রাশিয়া থেকে তেল কিনে পুতিনকে অর্থায়ন করবে, তাদের ওপরও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











লিবারেশন আর্মির সদস্যরা নিয়োজিত। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়নি, তবু মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।