leadT1ad

ইসরায়েলের হামলায় আরও ৬১ ফিলিস্তিনি নিহত

স্ট্রিম ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১০: ৫২
আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১১: ২৪
ইসরায়েলি হামলার পর গাজার একটি ভবনের চিত্র। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজার শহরজুড়ে ইসরায়েলের নতুন হামলায় আরও অন্তত ৬১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ত্রাণের আশায় ছুটে যাওয়া ১৯ ফিলিস্তিনিও রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন এই নিহতের ঘটনা ঘটে।

গাজার মেডিক্যাল সূত্র ও বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে বলেছে, গাজা শহরের পার্শ্ববর্তী পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুরো গাজা দখলের নতুন সিদ্ধান্তের সমালোচনা সত্ত্বেও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী তাদের কার্যক্রমের পরিধি বাড়িয়েছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী পুরো গাজা দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও ইসরায়েলকে গাজা দখলের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে ‍বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা। তাদের শঙ্কা, ইসরায়েলের নতুন সামরিক অভিযানের ফলে হতাহাতের সংখ্যা গুরুতরভাবে বাড়বে এবং প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি নতুন করে বাস্তুচ্যুত হবে।

ইসরায়েলের নতুন সিদ্ধান্তের সমালোচনাকারীদের মধ্যে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসও একজন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্ত ‘‘যুদ্ধের নতুন বিপজ্জনক পর্যায়ের ইঙ্গিত দেয়’’।’

তিনি বলেন, ‘গাজা শহরে সামরিক অভিযান সম্প্রসারণ ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনবে। লাখ লাখ বেসামরিক ফিলিস্তিনি ইতিমধ্যে বিপর্যস্ত ও ট্রমাটাইজড অবস্থায় আছেন। এখন ইসরায়েলের নতুন অভিযানে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে আবারও পালাতে বাধ্য করবে এবং আরও বিপদের দিকে ঠেলে দেবে।’

গুতেরেস ইসরায়েলের এই অব্যাহত ভয়াবহতাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই অভিযান অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। মৌলিক মানবতাকে উপেক্ষা করে ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্তের ফল হলো গাজা উপত্যকায় ‘‘এই ভয়াবহ বিপর্যয়কর পরিস্থিতি’’।’

গাজা শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন—শুজাইয়া, জেইতুন এবং সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণের সময় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলি ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন এবং বেশিরভাগই উপকূলের দিকে ছুটছেন।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ইসরায়েলি স্থল অভিযানে ১ হাজার ৫০০ টিরও বেশি বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গাজার জেইতুনের দক্ষিণাঞ্চলে আর কোনো ভবন নেই যা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়নি।

এদিকে, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গাজা শহরকে হামাসের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি বলে উল্লেখ করছেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত