
.png)

শ্রীলঙ্কাজুড়ে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৬ জনে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দেশটির সব সরকারি অফিস ও স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এখন পর্যন্ত ছয় শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। হাজারো তরুণ রাস্তায় নেমে আসে এবং সংসদ ভবনে ঢুকে পড়ে। তারা দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও মতপ্রকাশের ওপর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু মানুষ মারা যায়।

সম্প্রতি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বলেন, গত সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সরকার পরিবর্তন বা পতনের মূল কারণ ছিল ‘অদক্ষ ও দুর্বল শাসনব্যবস্থা’। গত শুক্রবার ভারতে পালিত ‘জাতীয় একতা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সরদার প্যাটেল স্মারক বক্তৃতায় দোভাল এ কথা বলেন।

তরুণেরা কোনো নির্দিষ্ট নেতা বা দলের বিরুদ্ধে লড়ছে না; তারা লড়ছে একটি পচে যাওয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। যে ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ, প্রতিষ্ঠান ও নীতি—সবকিছুই সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করে একটি ক্ষুদ্র সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহৃত হয়।

শ্রীলঙ্কায় নিজ কার্যালয়ে এক বিরোধীদলীয় নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। দেশটিতে বাড়তে থাকা ধারাবাহিক গুপ্তহত্যার মধ্যে এটিই প্রথম কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে লক্ষ্য করে চালানো হামলা।

সাত বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট ম্যাচ মানেই যেন বাড়তি রোমাঞ্চ, বাড়তি উত্তাপ। কোনো কোনো সময়ে সেই লড়াই হয়ে ওঠে বিব্রতকর, কখনো-বা তিক্ততায় ভরা। ২২ গজে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার দ্বৈরথ এখন আর স্রেফ মাঠের খেলা নয়, বরং একধরনের আবেগ আর ক্রিকেট নাটকীয়তার নতুন অধ্যায়।

দক্ষিণ এশিয়ায় তরুণদের নেতৃত্বে একের পর এক আন্দোলন দেখা যাচ্ছে। এসব আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত সরকারকেও ক্ষমতাচ্যুত করেছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে— বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এই অঞ্চল কি জেনারেশন জেড তথা জেন জি (১৯৯৭–২০১২ সালে জন্ম নেওয়া প্রজন্ম) বিপ্লবের কেন্দ্র হয়ে উঠছে?

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ছাত্র সংগঠনগুলোর গুরুত্ব অনেক প্রাচীন। ১৮৮৫ সালে ভারতের প্রথম রাজনৈতিক দল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকে রাজনৈতিক আন্দোলনে ছাত্রদের অংশগ্রহণ শুরু হয়।

রাষ্ট্রীয় অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। দেশটির অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) শুক্রবার তাঁকে আটক করেছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।