জাতীয় পার্টিকে ঘিরে চলমান বিতর্ক ও দলীয় কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা
সম্প্রতি জাতীয় পার্টিকে ঘিরে চলমান বিতর্ক, দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, দল নিষিদ্ধের দাবি, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ এবং সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ভাঙন নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে। এসব প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে ৩০ আগস্ট রাতে স্ট্রিমের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী
স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম: জাতীয় পার্টি নিয়ে তো এখন অনেক আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক নানা কিছু চলছে। বিভিন্ন অফিসে হামলা হচ্ছে। পরিস্থিতিটিকে আপনারা কীভাবে দেখছেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: আমরা খুবই মর্মাহত। আমরা নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের ব্যানারে আমরা অনেকবার ভোট করেছি। এখন হঠাৎ করে হামলা হলো। এর আগেও আমাদের পার্টি অফিসে অনেকবার হামলা হয়েছে। অতিসম্প্রতি আমাদের দল নিষিদ্ধ করার জন্য গণঅধিকার পরিষদের যে উদ্যোগ, আমরা মনে করি এটা সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারা নয়। আমাদের অফিসে আগুন দেওয়ার চেষ্টার কারণে গতকাল শুক্রবার (২৯ আগস্ট) অনেক ঘটনা ঘটে গেছে। আমাদের অনেক লোক আহত হয়েছেন। একপর্যায়ে যৌথবাহিনী লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়। যৌথবাহিনীর লাঠিচার্জের ফলে গণঅধিকার পরিষদেরও অনেকে আহত হয়েছেন। ভিপি নুর গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা তাঁর সুস্থতা কামনা করি। পুরো জিনিসটি আসলে শুরু হয়েছিল জাতীয় পার্টির অফিসে আগুন দেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে। এর ফলে জাতীয় পার্টি অত্যন্ত মর্মাহত। তবে আমরা প্রত্যেকে একতাবদ্ধ আছি। জাতীয় পার্টি তার নিজস্ব রাজনীতি করে যাবে।
স্ট্রিম: এখন জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের ব্যাপারে যে তৎপরতা চলছে, এটা কেন হচ্ছে বলে মনে করেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: আমরা মনে করি, জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবির অর্থ হচ্ছে ভোট হতে না দেওয়া। কারণ, ভোটে যদি জাতীয় পার্টি না থাকে, আওয়ামী লীগ তো ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ, আরও অনেকগুলো দল নিষিদ্ধ–তাহলে আসলে ভোটটা সম্পূর্ণ একতরফা হবে। সেই একতরফা ভোটে গুটিকয়েক দল অংশগ্রহণ করবে; এবং তারা তাদের নিজস্ব সাজানো ছকেই ভোট করতে চাচ্ছে। আমার মনে হয়, সে রকম একটি পরিকল্পনার জন্যই জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হচ্ছে।
স্ট্রিম: আপনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আপনারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করছেন। কী বলবেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: দেখুন, আমরা অবশ্যই কোনো দলকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছি না। আমরা আমাদের রাজনীতি করছি। রাজনীতি করে দল টিকিয়ে রাখা এবং ভোট করা; পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছায়ের চেষ্টা এখন আমরা করছি। কোনো দলের পুনর্বাসনের প্যাকেজ আমরা নিইনি। আর যারা আমাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলছে, তারা আসলে নিজেরা বড় দল হতে পারেনি। শত চেষ্টা করেও দেশব্যাপী একটি সংগঠন গড়তে পারেনি। স্বাভাবিকভাবেই তাই তারা ভোটে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে অস্বস্তিতে আছে। হতে পারে জাতীয় পার্টি তাদের থেকে বেশি ভোট পাবে, হতে পারে সব দল মিলেও জাতীয় পার্টির মতো ভোট তারা পাবে না। যে কারণে তারা ভোটকে ধ্বংস করার জন্য জাতীয় পার্টিকে ভোটের বাইরে রাখার অপচেষ্টায় লিপ্ত।
স্ট্রিম: অনেকে বলেন, ভারতের সঙ্গে আপনাদের দলের একটা সম্পর্ক আছে। আপনাদের দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের এক নির্বাচনের আগে আগে ভারতে গিয়েছিলেন। দেশে ফিরে তিনি বলেছিলেন যে ভারতের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর মিটিং হয়েছে…
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: দেখুন, আমরা বাংলাদেশের জন্য রাজনীতি করি। আমরা অবশ্যই কোনো দলের দালালি করি না। আমাদের দল বহুমুখী পররাষ্ট্র নীতিতে বিশ্বাসী। জাতীয় পার্টি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, ও ভারত–সবার সঙ্গেই বাংলাদেশের সুসম্পর্ক ছিল। সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই আমরা চলতে চাই।
স্ট্রিম: আপনাদের দলের ভাঙন নিয়ে নানা ধরনের কথাবার্তা আছে। আনিসুল ইসলাম মাহমুদ নেতৃত্বে একটা নতুন ধারা তৈরি হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কেউ কেউ এই হামলাকে অনেকে জি এম কাদের বনাম আনিসুল ইসলাম মাহমুদের দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখছেন। কী বলবেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: এই মুহূর্তে জি এম কাদের সাহেব সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র মোতাবেক জাতীয় পার্টি চালাচ্ছেন। গঠনতন্ত্র মেনেই দল পুনর্গঠন করা হয়েছে। সেখানে অন্য কোনো অংশের বৈধ জাতীয় পার্টি হওয়ার আসলে আইনগত কোনো সুযোগ নেই। আমরা মনে করি, মূলধারার জাতীয় পার্টি সঠিক রাজনীতি করছে। সবাই জি এম কাদেরের নেতৃত্বে একতাবদ্ধ আছে।
স্ট্রিম: অনেকে বলছেন, আপনাদের দলকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই হামলা হয়েছে। যদি কোনো কারণে জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধ হয়, তখন আপনাদের অবস্থান কী হবে?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: আশঙ্কাটি কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে আমরা মনে করি, সরকার এ ধরনের অগণতান্ত্রিক কাজ করবে না। সরকার এখানে অন্তর্ভুক্ত করতে এসেছে, কাউকে নিষিদ্ধ বা বাতিল করতে আসেনি। সরকার তো গুটিকতক লোকের সরকার না, সবার সরকার। সেক্ষেত্রে যদি আমাদের দল নিষিদ্ধ করা হয়, অবশ্যই তা একটি বাজে নিদর্শন হবে। সেই বাজে নিদর্শন যেন এই সরকার না করে, তার জন্যই আহ্বান জানাব।
স্ট্রিম: আপনাদের বিভিন্ন অফিসে যে আগুন দেওয়া হচ্ছে, হামলা হচ্ছে, এ নিয়ে আপনাদের সঙ্গে সরকারের কেউ কি এখন পর্যন্ত যোগাযোগ করেছে?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: না, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো আশ্বাস পাইনি। কেউ যোগাযোগ করেনি। তবে পুলিশ যথেষ্ট ভালো ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের ভূমিকাটা তো আমরা মনে করি সরকারের ভূমিকারই অংশ। তার পরেও আমরা মনে করি, সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। আমাদের সহানুভূতি জানানো উচিত।
স্ট্রিম: যেহেতু এক সময়ের সেনাপ্রধান হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ আপনাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা, তাই বাজারে একটা কথা চালু আছে যে জাতীয় পার্টির সঙ্গে সব সময় সামরিক বাহিনীর একটা সম্পর্ক ছিল এবং আছেও। তো শুক্রবার রাতে নুরুল হক নুরের ওপরে যে হামলা হলো, তাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর একটা ভূমিকা রয়েছে হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে আলোচনা হচ্ছে। কয়েকটি দল এ বিষয়ে অভিযোগও তুলেছেন। কী বলবেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: প্রকৃতপক্ষে জাতীয় পার্টির পক্ষে সেনাবাহিনী কাজ করছে–ব্যাপারটা তা নয়। আমাদের পার্টি অফিসে আগুন দেওয়ার জন্য যে দলটি এসেছিল, তারা যেন আগুন দিতে না পারে, সেজন্য সেনাবাহিনী কাজ করেছে। অনেকবার তারা সতর্ক করেছে। বাঁশি বাজিয়েছে। অনেকবারই মাইকে নিবৃত হতে বলেছে। শেষে একপর্যায়ে বাধ্য হয়েছে লাঠিচার্জ করতে। আর এটি করতে গিয়ে সেনাবাহিনী কোনো পক্ষপাত করেছে, এমনটা আমরা বলব না। তারা কোনো পক্ষ নেয়নি। তারা আইনের পক্ষ নিয়েছে।
স্ট্রিম: শুক্রবারের ঘটনায় সেনাবাহিনী আর পুলিশের ভূমিকা কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: তারা শক্তি প্রয়োগ না করে সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। একপর্যায়ে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়েছে। আমি বলব, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আমাদের আগুনে পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। আমাদের পার্টি অফিসে আমরা সবাই ছিলাম। সেখানে আগুন দিলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হতো, অনেক মানুষ মারা যেতে পারত। সে বিষয়টি পুলিশ ঠেকিয়েছে, সেনাবাহিনী ঠেকিয়েছে।
স্ট্রিম: জাতীয় পার্টি নিয়ে তো এখন অনেক আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক নানা কিছু চলছে। বিভিন্ন অফিসে হামলা হচ্ছে। পরিস্থিতিটিকে আপনারা কীভাবে দেখছেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: আমরা খুবই মর্মাহত। আমরা নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের ব্যানারে আমরা অনেকবার ভোট করেছি। এখন হঠাৎ করে হামলা হলো। এর আগেও আমাদের পার্টি অফিসে অনেকবার হামলা হয়েছে। অতিসম্প্রতি আমাদের দল নিষিদ্ধ করার জন্য গণঅধিকার পরিষদের যে উদ্যোগ, আমরা মনে করি এটা সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারা নয়। আমাদের অফিসে আগুন দেওয়ার চেষ্টার কারণে গতকাল শুক্রবার (২৯ আগস্ট) অনেক ঘটনা ঘটে গেছে। আমাদের অনেক লোক আহত হয়েছেন। একপর্যায়ে যৌথবাহিনী লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়। যৌথবাহিনীর লাঠিচার্জের ফলে গণঅধিকার পরিষদেরও অনেকে আহত হয়েছেন। ভিপি নুর গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা তাঁর সুস্থতা কামনা করি। পুরো জিনিসটি আসলে শুরু হয়েছিল জাতীয় পার্টির অফিসে আগুন দেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে। এর ফলে জাতীয় পার্টি অত্যন্ত মর্মাহত। তবে আমরা প্রত্যেকে একতাবদ্ধ আছি। জাতীয় পার্টি তার নিজস্ব রাজনীতি করে যাবে।
স্ট্রিম: এখন জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের ব্যাপারে যে তৎপরতা চলছে, এটা কেন হচ্ছে বলে মনে করেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: আমরা মনে করি, জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবির অর্থ হচ্ছে ভোট হতে না দেওয়া। কারণ, ভোটে যদি জাতীয় পার্টি না থাকে, আওয়ামী লীগ তো ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ, আরও অনেকগুলো দল নিষিদ্ধ–তাহলে আসলে ভোটটা সম্পূর্ণ একতরফা হবে। সেই একতরফা ভোটে গুটিকয়েক দল অংশগ্রহণ করবে; এবং তারা তাদের নিজস্ব সাজানো ছকেই ভোট করতে চাচ্ছে। আমার মনে হয়, সে রকম একটি পরিকল্পনার জন্যই জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হচ্ছে।
স্ট্রিম: আপনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আপনারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করছেন। কী বলবেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: দেখুন, আমরা অবশ্যই কোনো দলকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছি না। আমরা আমাদের রাজনীতি করছি। রাজনীতি করে দল টিকিয়ে রাখা এবং ভোট করা; পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছায়ের চেষ্টা এখন আমরা করছি। কোনো দলের পুনর্বাসনের প্যাকেজ আমরা নিইনি। আর যারা আমাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলছে, তারা আসলে নিজেরা বড় দল হতে পারেনি। শত চেষ্টা করেও দেশব্যাপী একটি সংগঠন গড়তে পারেনি। স্বাভাবিকভাবেই তাই তারা ভোটে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে অস্বস্তিতে আছে। হতে পারে জাতীয় পার্টি তাদের থেকে বেশি ভোট পাবে, হতে পারে সব দল মিলেও জাতীয় পার্টির মতো ভোট তারা পাবে না। যে কারণে তারা ভোটকে ধ্বংস করার জন্য জাতীয় পার্টিকে ভোটের বাইরে রাখার অপচেষ্টায় লিপ্ত।
স্ট্রিম: অনেকে বলেন, ভারতের সঙ্গে আপনাদের দলের একটা সম্পর্ক আছে। আপনাদের দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের এক নির্বাচনের আগে আগে ভারতে গিয়েছিলেন। দেশে ফিরে তিনি বলেছিলেন যে ভারতের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর মিটিং হয়েছে…
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: দেখুন, আমরা বাংলাদেশের জন্য রাজনীতি করি। আমরা অবশ্যই কোনো দলের দালালি করি না। আমাদের দল বহুমুখী পররাষ্ট্র নীতিতে বিশ্বাসী। জাতীয় পার্টি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, ও ভারত–সবার সঙ্গেই বাংলাদেশের সুসম্পর্ক ছিল। সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই আমরা চলতে চাই।
স্ট্রিম: আপনাদের দলের ভাঙন নিয়ে নানা ধরনের কথাবার্তা আছে। আনিসুল ইসলাম মাহমুদ নেতৃত্বে একটা নতুন ধারা তৈরি হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কেউ কেউ এই হামলাকে অনেকে জি এম কাদের বনাম আনিসুল ইসলাম মাহমুদের দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখছেন। কী বলবেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: এই মুহূর্তে জি এম কাদের সাহেব সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র মোতাবেক জাতীয় পার্টি চালাচ্ছেন। গঠনতন্ত্র মেনেই দল পুনর্গঠন করা হয়েছে। সেখানে অন্য কোনো অংশের বৈধ জাতীয় পার্টি হওয়ার আসলে আইনগত কোনো সুযোগ নেই। আমরা মনে করি, মূলধারার জাতীয় পার্টি সঠিক রাজনীতি করছে। সবাই জি এম কাদেরের নেতৃত্বে একতাবদ্ধ আছে।
স্ট্রিম: অনেকে বলছেন, আপনাদের দলকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই হামলা হয়েছে। যদি কোনো কারণে জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধ হয়, তখন আপনাদের অবস্থান কী হবে?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: আশঙ্কাটি কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে আমরা মনে করি, সরকার এ ধরনের অগণতান্ত্রিক কাজ করবে না। সরকার এখানে অন্তর্ভুক্ত করতে এসেছে, কাউকে নিষিদ্ধ বা বাতিল করতে আসেনি। সরকার তো গুটিকতক লোকের সরকার না, সবার সরকার। সেক্ষেত্রে যদি আমাদের দল নিষিদ্ধ করা হয়, অবশ্যই তা একটি বাজে নিদর্শন হবে। সেই বাজে নিদর্শন যেন এই সরকার না করে, তার জন্যই আহ্বান জানাব।
স্ট্রিম: আপনাদের বিভিন্ন অফিসে যে আগুন দেওয়া হচ্ছে, হামলা হচ্ছে, এ নিয়ে আপনাদের সঙ্গে সরকারের কেউ কি এখন পর্যন্ত যোগাযোগ করেছে?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: না, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো আশ্বাস পাইনি। কেউ যোগাযোগ করেনি। তবে পুলিশ যথেষ্ট ভালো ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের ভূমিকাটা তো আমরা মনে করি সরকারের ভূমিকারই অংশ। তার পরেও আমরা মনে করি, সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। আমাদের সহানুভূতি জানানো উচিত।
স্ট্রিম: যেহেতু এক সময়ের সেনাপ্রধান হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ আপনাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা, তাই বাজারে একটা কথা চালু আছে যে জাতীয় পার্টির সঙ্গে সব সময় সামরিক বাহিনীর একটা সম্পর্ক ছিল এবং আছেও। তো শুক্রবার রাতে নুরুল হক নুরের ওপরে যে হামলা হলো, তাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর একটা ভূমিকা রয়েছে হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে আলোচনা হচ্ছে। কয়েকটি দল এ বিষয়ে অভিযোগও তুলেছেন। কী বলবেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: প্রকৃতপক্ষে জাতীয় পার্টির পক্ষে সেনাবাহিনী কাজ করছে–ব্যাপারটা তা নয়। আমাদের পার্টি অফিসে আগুন দেওয়ার জন্য যে দলটি এসেছিল, তারা যেন আগুন দিতে না পারে, সেজন্য সেনাবাহিনী কাজ করেছে। অনেকবার তারা সতর্ক করেছে। বাঁশি বাজিয়েছে। অনেকবারই মাইকে নিবৃত হতে বলেছে। শেষে একপর্যায়ে বাধ্য হয়েছে লাঠিচার্জ করতে। আর এটি করতে গিয়ে সেনাবাহিনী কোনো পক্ষপাত করেছে, এমনটা আমরা বলব না। তারা কোনো পক্ষ নেয়নি। তারা আইনের পক্ষ নিয়েছে।
স্ট্রিম: শুক্রবারের ঘটনায় সেনাবাহিনী আর পুলিশের ভূমিকা কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শামীম হায়দার পাটোয়ারী: তারা শক্তি প্রয়োগ না করে সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। একপর্যায়ে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়েছে। আমি বলব, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আমাদের আগুনে পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। আমাদের পার্টি অফিসে আমরা সবাই ছিলাম। সেখানে আগুন দিলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হতো, অনেক মানুষ মারা যেতে পারত। সে বিষয়টি পুলিশ ঠেকিয়েছে, সেনাবাহিনী ঠেকিয়েছে।
বিভিন্ন সময়ে বাইরে থেকে এসে উপমহাদেশের ইতিহাস বদলে দিয়েছেন এমন জাতি ও ব্যক্তির সংখ্যা অনেক। সেই অনুপাতে এই বঙ্গীয়-বদ্বীপ ছিল অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী ও দুর্গম। সমূদ্রপথে এই অঞ্চলের সঙ্গে বাইরের পৃথিবীর বাণিজ্য যোগাযোগ ছিল প্রাচীনকাল থেকেই।
২ দিন আগেতিন দাবিতে করা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন নিয়ে স্ট্রিমের পক্ষ থেকে বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক আইনুন নিশাতের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়। জবাবে আইনুন নিশাত তাঁর মতামত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এই দাবিগুলো সম্পূর্ণ যৌক্তিক এবং দেশের স্বার্থে এগুলো বাস্তবায়ন করা দরকার। আমি এই প্রসঙ্গে
৩ দিন আগেগবেষক দল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিজস্ব প্রযুক্তি এবং নিজস্ব অ্যালগী এর মাধ্যমে দুটি মডেল তৈরি করেছেন। এর একটি আউটডোর মডেল, অপরটি ইনডোর। গবেষকদের মতে, আউটডোর লিকুইড ট্রি মডেল রাস্তাঘাটের ডিভাইডার, ফুটপাত, ছাদ, পার্কিং এলাকা, শিল্পাঞ্চলে ব্যবহারযোগ্য। এগুলো যানবাহন ও শিল্প কারখানা থেকে নির্গত কার্বন-
৩ দিন আগেমুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বেরোনো এসব বইয়ের অনেকগুলোয় এখন বাংলা একাডেমির স্টোরে পড়ে আছে। গণ-অভ্যুত্থানের পর বদলে যাওয়া প্রেক্ষাপটে বইগুলো বাংলা একাডেমি এখন আর বিক্রি করছে না। বন্ধ রেখেছে বইয়ের প্রদর্শনীও।
৫ দিন আগে