স্ট্রিম প্রতিবেদক

আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রস্তাব দিলে তাদের সমস্যা সমাধান করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোখলেস উর রহমান।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
তিন দফা দাবিতে গত মঙ্গলবার রাজধানীর শাহবাগ মোড় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধ করে রেখেছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
দাবি পূরণে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়ায় আজ সারা দেশের প্রকৌশলীদের নিয়ে ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। এর মধ্যে দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে গেলে আন্দোলনরতদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়।
আন্দোলনের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, ‘তারা (আন্দোলনকারী) যদি দাবিগুলো স্মারকলিপি আকারে দেন, তাদের কাছে আইন-কানুন আছে, এগুলো যদি সংযুক্ত করে দেন, আমরা অল্প সময়ে এটার সমাধান দিতে পারব। আমাদের কাছে কোনো আবেদন আসেনি, আমরা বিষয়টি শুনেছি। এখন আপনারা আমার কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করছেন।’
তাদের দাবি-দাওয়া আপনারা কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে মোখলেস উর রহমান বলেন, এর সঙ্গে পিএসসি (সরকারি কর্ম কমিশন) জড়িত, জনপ্রশাসন জড়িত, মন্ত্রিপরিষদ জড়িত, লেজিসলেটিভ বিভাগ জড়িত এবং যে প্রকৌশলীরা যে মন্ত্রণালয়ে চাকরি করছেন ওই সব মন্ত্রণালয় জড়িত। বিষয়টি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা, যার অফিসিয়াল নাম সচিব কমিটি, সেখানে তুললেই সমাধান হবে। এরজন্য একটি বা দুটি মিটিং লাগবে। এটা সম্ভব, এটা এমন কোনো জটিল বিষয় নয়।’
তিনি বলেন, ‘যারা ভুক্তভোগী তারা তাদের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রস্তাবটা আনবে। আমরা এটা ইতিবাচকভাবে দেখব, এটা ফেলে রাখব না।’
অন্যদিকে, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরাও আন্দোলনে নেমেছেন, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, ‘দুটিই তো সরকারের। বেসরকারি নিয়ে তো কোনো সমস্যা নেই। সরকারের সুবিধা যারা বেশি পায়, সমস্যা তারাই বেশি সৃষ্টি করে। তাঁরা যে প্রস্তাব নিয়ে আসতেছেন আমরা সমাধান করার জন্য প্রস্তুত। তাদের প্রস্তাব এলে আমরা সবাইকে ডাকব।’
তিনি বলেন, ‘রাস্তাঘাট বন্ধ করার কোনো দরকার নেই। এই সরকারের আমলে রাস্তাঘাট বন্ধ রেখে আন্দোলন আমরা সরকারি লোকেরাই বেশি করেছি।’
সচিব কমিটির সভা কবে করবেন, জানতে চাইলে জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, ‘যখন কাগজ আসবে আমরা প্লেস করব, আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং তো আমরা যখন দরকার হয় তখনই করি। এটার প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সব সচিবরা এটার সদস্য। এখানে নেগেটিভ কিছুই নেই।’
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের তিনদফা দাবির মধ্যে রয়েছে নবম গ্রেডের ইঞ্জিনিয়ারিং পদ বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে প্রবেশের জন্য সকলকে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং প্রার্থীর কমপক্ষে বিএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে। কোটার মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। এমনকি বিভিন্ন নামে সমমানের পদ সৃষ্টি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। দশম গ্রেডের কারিগরি পদ বা উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদের জন্য নিয়োগ পরীক্ষা ডিপ্লোমা এবং বিএসসি ডিগ্রিধারীদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি না থাকলেও ইঞ্জিনিয়ার পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তারা ৬ মাস ধরে দাবি জানিয়ে এলেও সরকার এসব দাবি পূরণে কাজ করেনি। সরকার তাদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছে।

আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রস্তাব দিলে তাদের সমস্যা সমাধান করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোখলেস উর রহমান।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
তিন দফা দাবিতে গত মঙ্গলবার রাজধানীর শাহবাগ মোড় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধ করে রেখেছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
দাবি পূরণে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়ায় আজ সারা দেশের প্রকৌশলীদের নিয়ে ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। এর মধ্যে দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে গেলে আন্দোলনরতদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়।
আন্দোলনের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, ‘তারা (আন্দোলনকারী) যদি দাবিগুলো স্মারকলিপি আকারে দেন, তাদের কাছে আইন-কানুন আছে, এগুলো যদি সংযুক্ত করে দেন, আমরা অল্প সময়ে এটার সমাধান দিতে পারব। আমাদের কাছে কোনো আবেদন আসেনি, আমরা বিষয়টি শুনেছি। এখন আপনারা আমার কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করছেন।’
তাদের দাবি-দাওয়া আপনারা কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে মোখলেস উর রহমান বলেন, এর সঙ্গে পিএসসি (সরকারি কর্ম কমিশন) জড়িত, জনপ্রশাসন জড়িত, মন্ত্রিপরিষদ জড়িত, লেজিসলেটিভ বিভাগ জড়িত এবং যে প্রকৌশলীরা যে মন্ত্রণালয়ে চাকরি করছেন ওই সব মন্ত্রণালয় জড়িত। বিষয়টি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা, যার অফিসিয়াল নাম সচিব কমিটি, সেখানে তুললেই সমাধান হবে। এরজন্য একটি বা দুটি মিটিং লাগবে। এটা সম্ভব, এটা এমন কোনো জটিল বিষয় নয়।’
তিনি বলেন, ‘যারা ভুক্তভোগী তারা তাদের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রস্তাবটা আনবে। আমরা এটা ইতিবাচকভাবে দেখব, এটা ফেলে রাখব না।’
অন্যদিকে, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরাও আন্দোলনে নেমেছেন, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, ‘দুটিই তো সরকারের। বেসরকারি নিয়ে তো কোনো সমস্যা নেই। সরকারের সুবিধা যারা বেশি পায়, সমস্যা তারাই বেশি সৃষ্টি করে। তাঁরা যে প্রস্তাব নিয়ে আসতেছেন আমরা সমাধান করার জন্য প্রস্তুত। তাদের প্রস্তাব এলে আমরা সবাইকে ডাকব।’
তিনি বলেন, ‘রাস্তাঘাট বন্ধ করার কোনো দরকার নেই। এই সরকারের আমলে রাস্তাঘাট বন্ধ রেখে আন্দোলন আমরা সরকারি লোকেরাই বেশি করেছি।’
সচিব কমিটির সভা কবে করবেন, জানতে চাইলে জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, ‘যখন কাগজ আসবে আমরা প্লেস করব, আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং তো আমরা যখন দরকার হয় তখনই করি। এটার প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সব সচিবরা এটার সদস্য। এখানে নেগেটিভ কিছুই নেই।’
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের তিনদফা দাবির মধ্যে রয়েছে নবম গ্রেডের ইঞ্জিনিয়ারিং পদ বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদে প্রবেশের জন্য সকলকে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং প্রার্থীর কমপক্ষে বিএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে। কোটার মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। এমনকি বিভিন্ন নামে সমমানের পদ সৃষ্টি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। দশম গ্রেডের কারিগরি পদ বা উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমানের পদের জন্য নিয়োগ পরীক্ষা ডিপ্লোমা এবং বিএসসি ডিগ্রিধারীদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি না থাকলেও ইঞ্জিনিয়ার পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তারা ৬ মাস ধরে দাবি জানিয়ে এলেও সরকার এসব দাবি পূরণে কাজ করেনি। সরকার তাদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে