স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকায় আজ (সোমবার) ভোর থেকে টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে নগরজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় রেকর্ড হয়েছে ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। এর আগে রোববার রাত থেকে শুরু হয়েছিল টানা বৃষ্টি। সব মিলিয়ে রাত ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৯ ঘণ্টায় ঢাকায় পড়েছে ১০৫ মিলিমিটার বৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান স্ট্রিমকে বলেন, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবেই এ বৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেই ছিল। সোমবার ভোর থেকে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হয়ে ওঠায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তবে মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমতে পারে।’

খোন্দকার হাফিজুর রহমান আরও বলেন, ‘উত্তর বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।’ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের দিকে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বর্তমানে উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল ও আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এ কারণে আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সকালের অফিসযাত্রার সময় ঢাকার বিভিন্ন সড়ক হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে ডুবে যায়। ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, কারওয়ান বাজার, গ্রিন রোড, জিগাতলা, আসাদগেট, নিউমার্কেট, ফকিরাপুল, কাকরাইল, মালিবাগ ও মতিঝিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

বেসরকারি চাকরিজীবী আরমান হোসেন জানান, মতিঝিল পৌঁছাতে তাঁকে কোমরসমান পানি অতিক্রম করতে হয়েছে। অন্যদিকে, মিরপুর থেকে উত্তরা অফিসগামী জাকির বলেন, ‘ভিজে ভিজে অফিসে এসেছি। মেট্রোতে উঠলেও নিচের সব সড়কই পানিতে ডুবে ছিল।’
আবহাওয়া অফিস জানায়, কোনো এলাকায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তা ভারী, আর ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে গণ্য হয়। সে হিসেবে ঢাকার সোমবার সকালের বৃষ্টি অতি ভারী পর্যায়ের মধ্যে পড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ফেনীতে, ১১৬ মিলিমিটার। এ ছাড়া নোয়াখালীর মাইজদীকোর্টে ৯০ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ফেনীতে ১৩৯ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি সমতল আপাতত বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি বাড়তে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলায় সতর্কসীমা ছুঁতে পারে।

এছাড়া উপকূলীয় নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু জোয়ার বিরাজ করছে, যা অন্তত তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় পানি সমতল এখন স্থিতিশীল থাকলেও কয়েক দিনের মধ্যে কমে যেতে পারে।
আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা থাকলেও অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই তা বিদায় নিতে পারে। তবে এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ২-৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি মৌসুমি লঘুচাপে রূপ নিতে পারে। ফলে আগামী কয়েক দিন দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।

রাজধানী ঢাকায় আজ (সোমবার) ভোর থেকে টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে নগরজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় রেকর্ড হয়েছে ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। এর আগে রোববার রাত থেকে শুরু হয়েছিল টানা বৃষ্টি। সব মিলিয়ে রাত ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৯ ঘণ্টায় ঢাকায় পড়েছে ১০৫ মিলিমিটার বৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান স্ট্রিমকে বলেন, মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবেই এ বৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ঢাকাসহ দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেই ছিল। সোমবার ভোর থেকে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হয়ে ওঠায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তবে মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমতে পারে।’

খোন্দকার হাফিজুর রহমান আরও বলেন, ‘উত্তর বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।’ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের দিকে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বর্তমানে উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল ও আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এ কারণে আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সকালের অফিসযাত্রার সময় ঢাকার বিভিন্ন সড়ক হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে ডুবে যায়। ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, কারওয়ান বাজার, গ্রিন রোড, জিগাতলা, আসাদগেট, নিউমার্কেট, ফকিরাপুল, কাকরাইল, মালিবাগ ও মতিঝিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

বেসরকারি চাকরিজীবী আরমান হোসেন জানান, মতিঝিল পৌঁছাতে তাঁকে কোমরসমান পানি অতিক্রম করতে হয়েছে। অন্যদিকে, মিরপুর থেকে উত্তরা অফিসগামী জাকির বলেন, ‘ভিজে ভিজে অফিসে এসেছি। মেট্রোতে উঠলেও নিচের সব সড়কই পানিতে ডুবে ছিল।’
আবহাওয়া অফিস জানায়, কোনো এলাকায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তা ভারী, আর ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হলে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে গণ্য হয়। সে হিসেবে ঢাকার সোমবার সকালের বৃষ্টি অতি ভারী পর্যায়ের মধ্যে পড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ফেনীতে, ১১৬ মিলিমিটার। এ ছাড়া নোয়াখালীর মাইজদীকোর্টে ৯০ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ফেনীতে ১৩৯ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি সমতল আপাতত বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি বাড়তে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলায় সতর্কসীমা ছুঁতে পারে।

এছাড়া উপকূলীয় নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু জোয়ার বিরাজ করছে, যা অন্তত তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় পানি সমতল এখন স্থিতিশীল থাকলেও কয়েক দিনের মধ্যে কমে যেতে পারে।
আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা থাকলেও অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই তা বিদায় নিতে পারে। তবে এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ২-৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি মৌসুমি লঘুচাপে রূপ নিতে পারে। ফলে আগামী কয়েক দিন দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে