স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ পুরস্কার ‘দ্য আর্থশট প্রাইজ ২০২৫’ জিতেছে বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ‘ফ্রেন্ডশিপ’। ‘ফিক্স আওয়ার ক্লাইমেট’ ক্যাটাগরিতে সমন্বিত উন্নয়ন মডেলের জন্য সংস্থাটিকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যের প্রিন্স উইলিয়ামের উদ্যোগে এই পুরস্কার চালুর পর এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এই সম্মাননা অর্জন করল।
গতকাল বুধবার (৫ নভেম্বর) ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। পুরস্কার হিসেবে ফ্রেন্ডশিপ পেয়েছে ১ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ১৫ কোটি টাকা)।
ফ্রেন্ডশিপকে তার অগ্রণী সমন্বিত উন্নয়ন মডেলের জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই সমন্বিত উন্নয়ন প্রকৃতি-ভিত্তিক এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত মডেল ব্যবহার করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে টেকসই, পরিমাপযোগ্য এবং অনুকরণযোগ্য সমাধান প্রদান করে। সংস্থাটি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো, আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ম্যানগ্রোভ বনায়নের মতো বহুমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে কাজ করে।
পুরস্কার ঘোষণার সময় প্রিন্স উইলিয়াম বলেন, ‘২০২০ সালে যখন আমি আর্থশট পুরস্কার প্রতিষ্ঠা করি, তখন আমাদের লক্ষ্য ছিল বিশ্বকে আরও উন্নত করব। ফ্রেন্ডশিপের মতো উদ্ভাবকদের কাজই প্রমাণ করে যে অগ্রগতি সম্ভব।’
ফ্রেন্ডশিপের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে প্রথম আর্থশট পুরস্কার গ্রহণ করা আমাদের জন্য এক বিশাল সম্মানের। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা ও উদ্ভাবনকে উদযাপন করে। আমাদের এই অর্জন সবার, বিশেষ করে আমরা যাদের সঙ্গে এবং যাদের জন্য কাজ করি, তাদের।’
ফ্রেন্ডশিপের অন্যতম সফল উদ্যোগ হলো ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রকল্প। সংস্থাটি বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলবর্তী সুন্দরবনের কাছে ২০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকায় ৬ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণ করেছে, যা ৬২ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এই ম্যানগ্রোভ বন ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে ১ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি প্রায় ৩,০০০ পরিবারের জন্য নতুন জীবিকার সুযোগ তৈরি করেছে।
এর আগে ফ্রেন্ডশিপ ২০২১ সালে জলবায়ু-সহনশীল ডিজাইনের জন্য রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৬ সালে পরিবেশবান্ধব ডিজাইনের জন্য আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার পুরস্কারও জিতেছিল।

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ পুরস্কার ‘দ্য আর্থশট প্রাইজ ২০২৫’ জিতেছে বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ‘ফ্রেন্ডশিপ’। ‘ফিক্স আওয়ার ক্লাইমেট’ ক্যাটাগরিতে সমন্বিত উন্নয়ন মডেলের জন্য সংস্থাটিকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যের প্রিন্স উইলিয়ামের উদ্যোগে এই পুরস্কার চালুর পর এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এই সম্মাননা অর্জন করল।
গতকাল বুধবার (৫ নভেম্বর) ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। পুরস্কার হিসেবে ফ্রেন্ডশিপ পেয়েছে ১ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ১৫ কোটি টাকা)।
ফ্রেন্ডশিপকে তার অগ্রণী সমন্বিত উন্নয়ন মডেলের জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই সমন্বিত উন্নয়ন প্রকৃতি-ভিত্তিক এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত মডেল ব্যবহার করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে টেকসই, পরিমাপযোগ্য এবং অনুকরণযোগ্য সমাধান প্রদান করে। সংস্থাটি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো, আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ম্যানগ্রোভ বনায়নের মতো বহুমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে কাজ করে।
পুরস্কার ঘোষণার সময় প্রিন্স উইলিয়াম বলেন, ‘২০২০ সালে যখন আমি আর্থশট পুরস্কার প্রতিষ্ঠা করি, তখন আমাদের লক্ষ্য ছিল বিশ্বকে আরও উন্নত করব। ফ্রেন্ডশিপের মতো উদ্ভাবকদের কাজই প্রমাণ করে যে অগ্রগতি সম্ভব।’
ফ্রেন্ডশিপের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে প্রথম আর্থশট পুরস্কার গ্রহণ করা আমাদের জন্য এক বিশাল সম্মানের। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা ও উদ্ভাবনকে উদযাপন করে। আমাদের এই অর্জন সবার, বিশেষ করে আমরা যাদের সঙ্গে এবং যাদের জন্য কাজ করি, তাদের।’
ফ্রেন্ডশিপের অন্যতম সফল উদ্যোগ হলো ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রকল্প। সংস্থাটি বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলবর্তী সুন্দরবনের কাছে ২০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকায় ৬ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণ করেছে, যা ৬২ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এই ম্যানগ্রোভ বন ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে ১ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি প্রায় ৩,০০০ পরিবারের জন্য নতুন জীবিকার সুযোগ তৈরি করেছে।
এর আগে ফ্রেন্ডশিপ ২০২১ সালে জলবায়ু-সহনশীল ডিজাইনের জন্য রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৬ সালে পরিবেশবান্ধব ডিজাইনের জন্য আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার পুরস্কারও জিতেছিল।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে