মৃত্যুবার্ষিকীতারেক মাসুদ: বাংলা চলচ্চিত্রের ভিন্নধারার নির্মাতাবন্ধুর কথা শুনে আমি তারেক মাসুদের সিনেমা দেখলাম। এরপর তারেকের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ‘ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সের’ মাধ্যমে অনেক তরুণ ও প্রতিভাবান চলচ্চিত্র নির্মাতা উঠে এসেছেন। তাদের মধ্যে তারেক মাসুদ ছিলেন অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা।১৩ আগস্ট ২০২৬
তারেক মাসুদের পুরোনো সাক্ষাৎকার‘পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষদের মধ্যেই উগ্রপন্থী হয়ে ওঠার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে’এই সাক্ষাৎকারে তারেক মাসুদ তাঁর মাদ্রাসাজীবনের শৈশবের অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশে সুফি মরমিয়া ঐতিহ্যের গুরুত্ব, গণমাধ্যমে রাজনৈতিক সহিংসতার উপস্থাপন, মাটির ময়না নির্মাণের অভিজ্ঞতা, চলচ্চিত্রে সংগীত ও স্থাপত্যের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।১৩ আগস্ট ২০২৬
ফিরে দেখামধ্যদুপুরের সেই ট্র্যাজেডি, তারেক মাসুদ নিহত হয়েছিলেন যে দুর্ঘটনায়দিনটি ছিল ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট। খুব সকালে ঢাকা থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে মানিকগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ, এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনীর, তারেক মাসুদের সহধর্মিণী ক্যাথরিন মাসুদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ঢালি আল মামুন, তাঁর স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম জ১৩ আগস্ট ২০২৬
মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ‘মাটির ময়না’র সামাজিক ইতিহাসের সন্ধানেএকদা সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রসঙ্গক্রমে তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন, ‘বাঙ্গালার ইতিহাস নাই।’ প্রশ্ন জাগে, তবে কি সত্যি বাংলার ইতিহাস নাই, নাকি সেটা কথার কথা? একসময় যে-ইতিহাস শুধু রাজরাজড়ার কর্মকাণ্ডের মধ্যেই আবদ্ধ ছিল, সময়ের পরিক্রমায় সে নিম্নবর্গকে তার ঘরে ঠাঁই দিল।১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রয়াণদিবসে স্মরণরবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা ও বাংলাদেশরবীন্দ্রনাথকে ভাঙতে পারলে অনেকের শান্তি হয়; যদি ভাঙা নাও যায়, অন্ততপক্ষে আঁচড় কেটে কেউ কেউ তৃপ্তি পান। বাংলা অঞ্চলে সেই আঁচড় কাটার ইতিহাস বেশ পুরনো। এমনকি বিগত দুই বছরেও নানামাত্রিক নখরাঘাত চোখে পড়েছে; প্রশ্ন তোলা হয়েছে রবীন্দ্রনাথের রাজনীতি, ধর্ম কিংবা অঞ্চলগত পরিচয় প্রসঙ্গে।০৬ আগস্ট ২০২৬
মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাআহমদ ছফার বাবা বলতেন, তাঁর ছেলেটি আগের যুগে জন্মালে পয়গম্বর হতোজীবনে তিনি রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী—এমন অনেক কিছুই হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার পর শেষমেশ লেখক হওয়াকেই বেছে নেন আহমদ ছফা। নিজের লেখা একটি প্রবন্ধে তিনি নিজেই এ কথা স্বীকার করেছেন। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই লেখকের সমাজ ও দেশকে দেখার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ছিল।২৮ জুলাই ২০২৬
কলকাতায় হুমায়ূন কতটা জনপ্রিয়ঢাকা ও কলকাতা—ভৌগোলিক মানচিত্রে কাঁটাতারের এপারে-ওপারে থাকা দুটি শহর। ভাষা এক, আবেগের টানও এক। কিন্তু সাহিত্যের অন্দরমহলে এই দুই বাংলার লেনদেনের সমীকরণটা সব সময় সমান রেখায় চলেনি। বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের আলোচনা উঠলে একটি নাম সবার আগে, সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে ভেসে ওঠে। তিনি হুমায়ূন আহমেদ।২১ জুলাই ২০২৬
হুমায়ূনের বইয়ের রয়্যালটি: অর্ধেকের বেশি শাওন পরিবারের, বাকিদের ভাগ কতআবার আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুর পরে রয়্যালটির একটা অংশ হুমায়ূনের ভাই-বোনেরাও পেতেন, কিন্তু লেখকের ভাই-বোনেরা সেই অংশ নেন না বলে জানিয়েছেন প্রকাশকেরা।১৯ জুলাই ২০২৬
বলপয়েন্ট থেকে নিউইয়র্কের নীল আকাশ: হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনের দিনলিপিআমার চোখে প্রায় পানি এসে যাবার মতো অবস্থা হলো। ইচ্ছে করল টিকিট এবং পাসপোর্ট ছুঁড়ে ফেলে তার হাত ধরে বলি—চলো, বাসায় যাই। অল্প কিছুদিন আমাদের আয়ু। এই অল্পদিনের জন্যে আমাদের মতো আয়োজন—পাস, ডিগ্রি, চাকরি, প্রমোশন, টাকা-পয়সা, বাড়িঘর-কোনো মানে হয়? কোনোই মানে হয় না।’১৯ জুলাই ২০২৬
জেন-জি ও জেন-আলফার কাছে হুমায়ূন কতটা পরিচিতনব্বই দশক কিংবা দুই হাজার সালের শুরুর প্রজন্ম মানেই বলা হতো হুমায়ূন আহমেদের পাঠক। তখন হাতে হাতে ছিল না স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ছিল সীমিত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে ছিল না এতো মাতামাতি।১৯ জুলাই ২০২৬
সমরেশ মজুমদারের লেখাসম্রাট হুমায়ূনহুমায়ূনকে আমি প্রথম দেখি একুশের বইমেলায়, সাতাশি সালের এক সন্ধ্যায়। যিনি আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি বলেছিলেন, ‘‘ইনি হুমায়ূন আহমেদ। ‘এইসব দিনরাত্রি’ নামে একটি জনপ্রিয় টিভি-নাটক লিখেছেন, ‘শঙ্খনীল কারাগার’ নামের উপন্যাস লিখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান পড়ান।’’১৯ জুলাই ২০২৬