স্ট্রিম সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার শহীদ আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেমিনার ও চিত্রপ্রদর্শনী হয়েছে। সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব: স্মরণে শহিদ আবরার ফাহাদ’ শীর্ষক সেমিনার হয়।
তবে আয়োজনে অতিথি আমন্ত্রণের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক আচরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করছেন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, আবরার ফাহাদ হত্যাকান্ডের পর যাঁরা প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, এমনকি জেল-জুলুমের স্বীকার হয়েছেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন শহিদ আবরার ফাহাদের পিতা মো. বরকত উল্লাহ।

অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শহিদ আবরার ফাহাদের ভাই আবরার ফাইয়াজ, ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী, আপ বাংলাদেশ এর প্রধান সমন্বয়ক রাফে সালমান, যবান পত্রিকার সম্পাদক রেজাউল করিম রনি, মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আব্দুর রব প্রমুখ।
তবে আমন্ত্রিত হলেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন নি জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
সেমিনারে বক্তারা বুয়েট ছাত্র শহিদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুকে গত বছরের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল অনুঘটক হিসেবে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি বিদেশি আধিপত্যবাদ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন বক্তারা।
সেমিনারে ডাকসু সহ-সভাপতি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘আবরার ফাহাদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ আমাদের শিখিয়েছিল কীভাবে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে হয়। ন্যায্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীজ বপন করেছিলেন আবরার ফাহাদ।’
এ সময় বাংলাদেশের জনগণ, রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন এবং মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি ‘ঐকমত্যে’ পৌঁছানোর আহ্বান জানানা সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ‘আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধভাবে পররাষ্ট্র নীতি ঠিক করতে হবে।’

আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘আবরারের মৃত্যু বৃথা যায় নি। ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান আবরার ফাহাদের মৃত্যু থেকেই উদ্ভূত।’
যবান পত্রিকার সম্পাদক রেজাউল করিম রনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ভারতের প্রশ্নে একটি জাতীয় নীতি বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই আমরা কেবল আবরার ফাহাদকে সম্মান জানাতে সক্ষম হব।’
গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টায় জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ন সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘৭ই অক্টোবর আধিপত্যবাদবিরোধী দিবস উপলক্ষে সেমিনার আয়োজন করেছে ডাকসু। ভালো উদ্যোগ। কিন্তু তাদের বক্তা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সময়ের আধিপত্যবিরোধী অগ্রগামী সৈনিকদের সম্পূর্ণ আড়াল করে দিয়েছে এবং কেবল নিজেদের রাজনৈতিক বন্ধুদের সামনে এনেছে।’
আধিপত্যবাদবিরোধী দিবসকে সাংস্কৃতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করা ও শহিদ আবরার ফাহাদের বিচারের দাবিতে তৎকালীন ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রদল ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি লিখেন, ‘এই ডাকসু ক্যাম্পাসের ভার্সাটাইল চরিত্রকে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং ইতিহাসের একপক্ষীয়করণ, ইফ নট, একদলীয়করণ— এর দিকে ঝুঁকছে।’
এছাড়া এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নামের সঙ্গে তার দলীয় পরিচয় যোগ না করার সমালোচনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) বিশ্ববিদ্যালয় আহবায়ক আব্দুল কাদের স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে ডাকসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্বজনীন প্লাটফর্ম। সুতরাং ডাকসুর পক্ষ থেকে যদি কোনো আয়োজন হয়ে থাকে তাহলে সেখানে সব পক্ষের সমান অন্তর্ভুক্তি থাকা প্রয়োজন। অথচ শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ডাকসু যে আয়োজন করেছে তাতে কয়েকজন ব্যতীত সবাই ইসলামি ছাত্র শিবিরের বন্ধুপ্রতিম সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার শহীদ আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সেমিনার ও চিত্রপ্রদর্শনী হয়েছে। সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব: স্মরণে শহিদ আবরার ফাহাদ’ শীর্ষক সেমিনার হয়।
তবে আয়োজনে অতিথি আমন্ত্রণের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক আচরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করছেন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, আবরার ফাহাদ হত্যাকান্ডের পর যাঁরা প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, এমনকি জেল-জুলুমের স্বীকার হয়েছেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন শহিদ আবরার ফাহাদের পিতা মো. বরকত উল্লাহ।

অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শহিদ আবরার ফাহাদের ভাই আবরার ফাইয়াজ, ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী, আপ বাংলাদেশ এর প্রধান সমন্বয়ক রাফে সালমান, যবান পত্রিকার সম্পাদক রেজাউল করিম রনি, মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আব্দুর রব প্রমুখ।
তবে আমন্ত্রিত হলেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন নি জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
সেমিনারে বক্তারা বুয়েট ছাত্র শহিদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুকে গত বছরের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল অনুঘটক হিসেবে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি বিদেশি আধিপত্যবাদ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন বক্তারা।
সেমিনারে ডাকসু সহ-সভাপতি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘আবরার ফাহাদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ আমাদের শিখিয়েছিল কীভাবে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে হয়। ন্যায্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীজ বপন করেছিলেন আবরার ফাহাদ।’
এ সময় বাংলাদেশের জনগণ, রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন এবং মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি ‘ঐকমত্যে’ পৌঁছানোর আহ্বান জানানা সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ‘আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধভাবে পররাষ্ট্র নীতি ঠিক করতে হবে।’

আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘আবরারের মৃত্যু বৃথা যায় নি। ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান আবরার ফাহাদের মৃত্যু থেকেই উদ্ভূত।’
যবান পত্রিকার সম্পাদক রেজাউল করিম রনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ভারতের প্রশ্নে একটি জাতীয় নীতি বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই আমরা কেবল আবরার ফাহাদকে সম্মান জানাতে সক্ষম হব।’
গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টায় জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ন সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘৭ই অক্টোবর আধিপত্যবাদবিরোধী দিবস উপলক্ষে সেমিনার আয়োজন করেছে ডাকসু। ভালো উদ্যোগ। কিন্তু তাদের বক্তা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সময়ের আধিপত্যবিরোধী অগ্রগামী সৈনিকদের সম্পূর্ণ আড়াল করে দিয়েছে এবং কেবল নিজেদের রাজনৈতিক বন্ধুদের সামনে এনেছে।’
আধিপত্যবাদবিরোধী দিবসকে সাংস্কৃতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করা ও শহিদ আবরার ফাহাদের বিচারের দাবিতে তৎকালীন ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রদল ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীদের সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি লিখেন, ‘এই ডাকসু ক্যাম্পাসের ভার্সাটাইল চরিত্রকে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং ইতিহাসের একপক্ষীয়করণ, ইফ নট, একদলীয়করণ— এর দিকে ঝুঁকছে।’
এছাড়া এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নামের সঙ্গে তার দলীয় পরিচয় যোগ না করার সমালোচনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) বিশ্ববিদ্যালয় আহবায়ক আব্দুল কাদের স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে ডাকসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্বজনীন প্লাটফর্ম। সুতরাং ডাকসুর পক্ষ থেকে যদি কোনো আয়োজন হয়ে থাকে তাহলে সেখানে সব পক্ষের সমান অন্তর্ভুক্তি থাকা প্রয়োজন। অথচ শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ডাকসু যে আয়োজন করেছে তাতে কয়েকজন ব্যতীত সবাই ইসলামি ছাত্র শিবিরের বন্ধুপ্রতিম সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ।’

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে