দ্য লাস্ট ফ্লাইট বিফোর সানশাইন: আত্মসমর্পণের আগে হেলিকপ্টারে পালানো পাকিস্তানি সেনারা১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে এবং ১৬ ডিসেম্বর দুপুরে পাকিস্তান বাহিনীর ৪ আর্মি এভিয়েশন স্কোয়াড্রনের পাইলট এবং বেশ কিছু সেনা কর্মকর্তা বার্মার (মায়ানমার) উদ্দেশ্যে সপরিবারে হেলিকপ্টারে করে পালিয়েছিলেন।
দ্য সারেন্ডার লাঞ্চ: ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের আগে মুরগির রোস্ট আর গল্পগুজব১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। লাঞ্চ আওয়ার, ঢাকা সেনানিবাস। কয়েকঘন্টা পর আত্মসমর্পণ করবে পাকিস্তান বাহিনী। খাবারের টেবিলে পাকিস্তানি অফিসাররা।
১৯৭১ সালে ওভালের কনসার্ট কীভাবে বাংলাদেশী শরণার্থীদের জন্য তহবিল তুলেছিল১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর লন্ডনের ওভালে অনুষ্ঠিত হয় মানবিক কনসার্ট ‘গুডবাই সামার’, যেখানে ৩৫ হাজারেরও বেশি দর্শকের অংশগ্রহণে সংগৃহীত ১৫,০০০ পাউন্ড পাঠানো হয় ভারতের বাংলাদেশী শরণার্থীদের সহায়তায়। জর্জ হ্যারিসনের ‘কনসার্ট ফর বাংলাদশ’ বিখ্যাত হলেও এই কনসার্টের মানবিক অবদান অনেকটাই অজানা রয়ে গেছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের হাঁটতে শেখানো এক বুড়া সাহেবের গল্প১৯৭১ এর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখাতে অস্ট্রেলিয়া থেকে ছুটে এসেছিলেন ২৩ বছরের তরুণ প্রস্থেটিক এক্সপার্ট বেরি লীচ। আধুনিক উপকরণের অভাব সত্ত্বেও অদম্য সৃজনশীলতায় স্থানীয় কাঠ আর টায়ার দিয়ে কৃত্রিম অঙ্গ তৈরি করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন অজস্র মানুষের 'বুড়া সাহেব'।
নিয়তির সন্তান: ক্র্যাক প্লাটুনের মেজর হায়দারক্র্যাক প্লাটুনের মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল আলম (বীর প্রতীক)-এর কাছে খবর আসে যে ভারতীয় আর্মি কমান্ড ঢাকা রেডিও স্টেশনের মাধ্যমে জনগণের উদ্দেশে বিজয়ের ঘোষণা করবে। এটা শুনে তাঁর মনেহলো যেহেতু বাংলাদেশ সরকার এবং মুক্তিযুদ্ধের সেনাপতি ও উপ-সেনাপ্রধান কলকাতায় অবস্থান করছেন সেহেতু বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চল সেক্টর-২
এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে রাজনীতিকসহ বিভিন্নজনের শোকএয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার (এ কে খন্দকার) বীর উত্তমের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের কর্মীরা।
মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি এ কে খন্দকার আর নেইমহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক, মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপতি (ডেপুটি চিফ অব স্টাফ) এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার—এ কে খন্দকার বীর উত্তম আর নেই। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকায় বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন।
৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে কী লিখেছিলেন এ কে খন্দকার, কী ঘটেছিল তাঁর জীবনেমুক্তিযুদ্ধের উপসেনাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার বীরউত্তম শনিবার (২০ ডিসেম্বর) মারা গেছেন। ৯৫ বছরের দীর্ঘ জীবনে মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের নানা ঘটনার স্বাক্ষী তিনি। ২০১৪ সালে প্রথমা প্রকাশন থেকে ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ প্রকাশের পর শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের ওপর লেখা এক
এ কে খন্দকারের জীবনের মাইলফলকমুক্তিযুদ্ধের উপসেনাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার বীরউত্তম মারা গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর হাত ধরেই যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর। দেশ স্বাধীনের পর তিনিই বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এ কে খন্দকারের হাত ধরে যেভাবে যাত্রা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ বিমান বাহিনীরমুক্তিযুদ্ধের উপসেনাপতি এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার (এ কে খন্দকার) বীরউত্তম মারা গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর হাত ধরেই যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর। দেশ স্বাধীনের পর তিনিই বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ‘মুক্তিযুদ্ধের পুর্বাপর কথোপকথ
এ কে খন্দকারের কৌশলগত সিদ্ধান্ত স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরও সুসংহত করেছিল: প্রধান উপদেষ্টাবাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান এবং সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকারের (এ কে খন্দকার) মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
স্বাধীনতাবিরোধীদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের গণস্বাক্ষরমহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি ও তার এ দেশীয় দোসর রাজাকার-আলশামসসহ সব স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে সাতক্ষীরা শহর ছাত্রদল। এই দাবিতে সাতক্ষীরায় গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছে। আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় শহরের শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এই কর্মসূচির আয়োজন করে তারা।