২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে বেশ কয়েকজন আলোচিত 'স্বতন্ত্র' প্রার্থী ও প্যানেল তাদের রাজনৈতিক অতীত নিয়ে আলোচনায় এসেছে। প্রার্থীদের অনেকেই জুলাই অভ্যুত্থান বা কোটা সংস্কার আন্দোলনের মতো রাজনৈতিক আন্দোলনগুলোতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাম্পাসে 'অরাজনৈতিক' ও 'স্বতন্ত্র' প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সমস্যা যেমন আবাসন, পরিবহন, খাবারের মান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং প্রচলিত ছাত্র রাজনীতির নেতিবাচক দিকগুলো থেকে নিজেদের দূরে রাখার বার্তা দিয়ে তাঁরা ভোট প্রার্থনা করছেন। 'অরাজনৈতিক' প্রার্থীরা আদৌ রাজনীতির প্রভাবমুক্ত কিনা, আছে এই আলোচনাও।
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এবারের ডাকসু নির্বাচনে 'অরাজনৈতিক' বা 'স্বতন্ত্র' পরিচয়টিকে একটি কার্যকর নির্বাচনী কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই প্রার্থীরা মূলত সেসব শিক্ষার্থীদের ভোট টানতে চাইছেন, যাঁরা ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও লেজুড়বৃত্তির রাজনীতির পরিবর্তে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক প্রশাসন দেখতে আগ্রহী।
২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে বেশ কয়েকজন আলোচিত 'স্বতন্ত্র' প্রার্থী ও প্যানেল তাদের রাজনৈতিক অতীত নিয়ে আলোচনায় এসেছে। প্রার্থীদের অনেকেই জুলাই অভ্যুত্থান বা কোটা সংস্কার আন্দোলনের মতো রাজনৈতিক আন্দোলনগুলোতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

যা বলছেন প্রার্থীরা
স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী উমামা ফাতেমার নেতৃত্বাধীন 'স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য' প্যানেল এবারের নির্বাচনে একটি শক্তিশালী অবস্থানে আছে। ইশতেহারে ‘পলিটিক্যালি কন্সাস একাডেমিক ক্যাম্পাস’ স্লোগানের মাধ্যমে তাঁরা আদর্শগত বার্তা জানান। উমামা জুলাই অভ্যুত্থানের সময় 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে'র মুখপাত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। যদিও তিনি অতীতে ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়াও স্বতন্ত্র ভিপি পদপ্রার্থী শামীম হোসেন দলীয় রাজনীতিকে নিরুৎসাহিত করেন। তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে রাজনৈতিক প্যানেলে যুক্ত না হওয়ার কারণ নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক কোনো দলের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই না। আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ আছে কিন্তু সেটা ডাকসুতে নিয়ে আসতে চাই না।’ শিক্ষার্থীদের অধিকারের কথা বলতে ‘রাজনৈতিক’ দলভুক্ত হওয়া জরুরি না বলে তিনি মনে করেন।

একইভাবে, অন্যান্য স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থীরাও জুলাই অভ্যুত্থানের মতো আন্দোলনগুলোতে সক্রিয় ছিলেন। যদিও এই আন্দোলনগুলো কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের অধীন ছিল না, তবুও তাদের লক্ষ্য ও কার্যক্রম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হয়েছিল।
এবারের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মূলত জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের অংশ নন, এই বার্তাটি দিতে চান। তাদের রাজনীতি মূলত শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক এবং তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারেও এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয়।

'বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থী সংসদে'র এজিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদার বলেছেন, ‘প্রার্থীর আসল পরিচয় তাঁর কর্মকাণ্ড, লেবেল নয়।’ তিনি মনে করেন, শিক্ষার্থীরা প্রার্থীদের 'রাজনৈতিক' বা 'অরাজনৈতিক' হিসেবে বিবেচনা করে নয়, বরং শিক্ষার্থীরা দেখেন যে কে অতীতে তাঁদের পাশে ছিলেন, কে তাঁদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন এবং কার নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা ও ভিশন আছে। যে প্রার্থী শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়বদ্ধ, শিক্ষার্থীরা তাঁকেই ভোট দেবেন। তিনি আরও যোগ করেন, ‘অনেকে দলীয় রাজনীতি করলেও নির্দলীয়ভাবে নির্বাচন করছে। অতীতে যখন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়েছে বা বিভিন্ন সংকট তৈরি হয়েছে, তখন এই ব্যক্তিরা হয় চুপ ছিলেন অথবা হামলাকারীদের সমর্থন করেছেন। এখন নির্বাচনের সময় তারা অরাজনৈতিক সেজে শিক্ষার্থীদের ভোট চাইতে এসেছেন, যা এক ধরনের অপরাজনীতি।
প্রতিরোধ পর্ষদের ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়া-বিষয়ক সম্পাদক নূজিন হাসিন রাশা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ডাকসুতে কোনো প্রার্থীই অরাজনৈতিক নন। সবারই একটি রাজনৈতিক অবস্থান আছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অরাজনৈতিক’ করার চেষ্টা করাটাও একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রকল্প, যার উদ্দেশ্য হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্যিকীকরণ বা প্রাইভেটাইজেশন। শিক্ষার্থীদের এই “চার্মিং” পরিচয়ের পেছনে থাকা আসল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য খুঁজে বের করার আহ্বান জানাই।’
অন্যরা যা ভাবছেন
অন্যদিকে, ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী বিপ্র বিশ্বাস বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার হচ্ছে একটা কথা খুব প্রচলিত আছে যে নাথিং ইজ অ্যাপলিটিক্যাল। অরাজনৈতিক বলে আসলে কিছুই নেই। তো আপনি কোনো না কোনো আইডোলজি অবশ্যই ধারণ করেন। এই ডাকসুর সময় আমরা বিভিন্ন প্যানেলের ক্ষেত্রে দেখতে পাচ্ছি।’
থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী সাফওয়ান স্পর্শ মনে করেন, ডাকসু নির্বাচন কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং এটি অনেক ক্ষেত্রে জাতীয় রাজনীতির প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়ায়। তিনি বলেন, ‘যদি দলীয় আইওয়াশের ব্যাপার না থাকে তাহলে যে কোনো শিক্ষার্থীর অধিকার আছে দলীয় প্যানেলের বাইরে নির্বাচনে দাঁড়ানোর।’
ডাকসুতে স্বতন্ত্র ও নির্দলীয় প্রার্থীদের সনাতন ধারার রাজনীতির বাইরে অধিকার-সচেতনদের পক্ষের অবস্থান সম্পর্কে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘ডাকসুর গঠনতন্ত্রে দলীয় রাজনীতির কথা না থাকলেও সচরাচর এই নির্বাচনগুলো দলীয় দিকেই ঝুঁকে যায়। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও অরাজনৈতিক নন। তাঁরাও তাঁদের রাজনীতি করছেন। কারণ, মানুষের অধিকারের কথা বলাটাও রাজনীতি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাম্পাসে 'অরাজনৈতিক' ও 'স্বতন্ত্র' প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সমস্যা যেমন আবাসন, পরিবহন, খাবারের মান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং প্রচলিত ছাত্র রাজনীতির নেতিবাচক দিকগুলো থেকে নিজেদের দূরে রাখার বার্তা দিয়ে তাঁরা ভোট প্রার্থনা করছেন। 'অরাজনৈতিক' প্রার্থীরা আদৌ রাজনীতির প্রভাবমুক্ত কিনা, আছে এই আলোচনাও।
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এবারের ডাকসু নির্বাচনে 'অরাজনৈতিক' বা 'স্বতন্ত্র' পরিচয়টিকে একটি কার্যকর নির্বাচনী কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই প্রার্থীরা মূলত সেসব শিক্ষার্থীদের ভোট টানতে চাইছেন, যাঁরা ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও লেজুড়বৃত্তির রাজনীতির পরিবর্তে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক প্রশাসন দেখতে আগ্রহী।
২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে বেশ কয়েকজন আলোচিত 'স্বতন্ত্র' প্রার্থী ও প্যানেল তাদের রাজনৈতিক অতীত নিয়ে আলোচনায় এসেছে। প্রার্থীদের অনেকেই জুলাই অভ্যুত্থান বা কোটা সংস্কার আন্দোলনের মতো রাজনৈতিক আন্দোলনগুলোতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

যা বলছেন প্রার্থীরা
স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী উমামা ফাতেমার নেতৃত্বাধীন 'স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য' প্যানেল এবারের নির্বাচনে একটি শক্তিশালী অবস্থানে আছে। ইশতেহারে ‘পলিটিক্যালি কন্সাস একাডেমিক ক্যাম্পাস’ স্লোগানের মাধ্যমে তাঁরা আদর্শগত বার্তা জানান। উমামা জুলাই অভ্যুত্থানের সময় 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে'র মুখপাত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। যদিও তিনি অতীতে ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়াও স্বতন্ত্র ভিপি পদপ্রার্থী শামীম হোসেন দলীয় রাজনীতিকে নিরুৎসাহিত করেন। তিনি বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে রাজনৈতিক প্যানেলে যুক্ত না হওয়ার কারণ নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক কোনো দলের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই না। আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ আছে কিন্তু সেটা ডাকসুতে নিয়ে আসতে চাই না।’ শিক্ষার্থীদের অধিকারের কথা বলতে ‘রাজনৈতিক’ দলভুক্ত হওয়া জরুরি না বলে তিনি মনে করেন।

একইভাবে, অন্যান্য স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থীরাও জুলাই অভ্যুত্থানের মতো আন্দোলনগুলোতে সক্রিয় ছিলেন। যদিও এই আন্দোলনগুলো কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের অধীন ছিল না, তবুও তাদের লক্ষ্য ও কার্যক্রম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হয়েছিল।
এবারের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মূলত জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের অংশ নন, এই বার্তাটি দিতে চান। তাদের রাজনীতি মূলত শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক এবং তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারেও এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয়।

'বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থী সংসদে'র এজিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদার বলেছেন, ‘প্রার্থীর আসল পরিচয় তাঁর কর্মকাণ্ড, লেবেল নয়।’ তিনি মনে করেন, শিক্ষার্থীরা প্রার্থীদের 'রাজনৈতিক' বা 'অরাজনৈতিক' হিসেবে বিবেচনা করে নয়, বরং শিক্ষার্থীরা দেখেন যে কে অতীতে তাঁদের পাশে ছিলেন, কে তাঁদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন এবং কার নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা ও ভিশন আছে। যে প্রার্থী শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়বদ্ধ, শিক্ষার্থীরা তাঁকেই ভোট দেবেন। তিনি আরও যোগ করেন, ‘অনেকে দলীয় রাজনীতি করলেও নির্দলীয়ভাবে নির্বাচন করছে। অতীতে যখন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়েছে বা বিভিন্ন সংকট তৈরি হয়েছে, তখন এই ব্যক্তিরা হয় চুপ ছিলেন অথবা হামলাকারীদের সমর্থন করেছেন। এখন নির্বাচনের সময় তারা অরাজনৈতিক সেজে শিক্ষার্থীদের ভোট চাইতে এসেছেন, যা এক ধরনের অপরাজনীতি।
প্রতিরোধ পর্ষদের ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়া-বিষয়ক সম্পাদক নূজিন হাসিন রাশা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ডাকসুতে কোনো প্রার্থীই অরাজনৈতিক নন। সবারই একটি রাজনৈতিক অবস্থান আছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘অরাজনৈতিক’ করার চেষ্টা করাটাও একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রকল্প, যার উদ্দেশ্য হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্যিকীকরণ বা প্রাইভেটাইজেশন। শিক্ষার্থীদের এই “চার্মিং” পরিচয়ের পেছনে থাকা আসল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য খুঁজে বের করার আহ্বান জানাই।’
অন্যরা যা ভাবছেন
অন্যদিকে, ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী বিপ্র বিশ্বাস বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার হচ্ছে একটা কথা খুব প্রচলিত আছে যে নাথিং ইজ অ্যাপলিটিক্যাল। অরাজনৈতিক বলে আসলে কিছুই নেই। তো আপনি কোনো না কোনো আইডোলজি অবশ্যই ধারণ করেন। এই ডাকসুর সময় আমরা বিভিন্ন প্যানেলের ক্ষেত্রে দেখতে পাচ্ছি।’
থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী সাফওয়ান স্পর্শ মনে করেন, ডাকসু নির্বাচন কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং এটি অনেক ক্ষেত্রে জাতীয় রাজনীতির প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়ায়। তিনি বলেন, ‘যদি দলীয় আইওয়াশের ব্যাপার না থাকে তাহলে যে কোনো শিক্ষার্থীর অধিকার আছে দলীয় প্যানেলের বাইরে নির্বাচনে দাঁড়ানোর।’
ডাকসুতে স্বতন্ত্র ও নির্দলীয় প্রার্থীদের সনাতন ধারার রাজনীতির বাইরে অধিকার-সচেতনদের পক্ষের অবস্থান সম্পর্কে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘ডাকসুর গঠনতন্ত্রে দলীয় রাজনীতির কথা না থাকলেও সচরাচর এই নির্বাচনগুলো দলীয় দিকেই ঝুঁকে যায়। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও অরাজনৈতিক নন। তাঁরাও তাঁদের রাজনীতি করছেন। কারণ, মানুষের অধিকারের কথা বলাটাও রাজনীতি।’

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১ দিন আগে