জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো সাবেক উপাচার্য কলিমউল্লাহকে
স্ট্রিম সংবাদদাতা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে নতুন করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে রাজধানীতে তরিকুল ইসলাম রুবেল হত্যা মামলায় তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত বছরের ৭ আগস্ট থেকে কারাগারে থাকা কলিমউল্লাহ এর আগে দুটি মামলায় জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, রুবেল ঢাকার মিরপুর-১৫ নম্বরে একটি ডেভেলপার কোম্পানিতে চাকরি করতেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৫ মার্চ কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপপরিদর্শক জহুরুল ইসলাম আদালতকে জানান, তদন্তে ঘটনার সঙ্গে কলিমউল্লাহর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তাঁর নাম ও ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।
তবে অধ্যাপক কলিমউল্লাহ শুনানিতে বলেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই। আমার কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি নেই। উপাচার্য থাকা অবস্থায়ও ক্যাম্পাসে কোনো রাজনীতি করিনি।’
এর আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় গত বছরের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওই দিনই তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়।
ওই মামলায় চলতি বছরের ১৪ জুন তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। পরে এক লাখ টাকা মুচলেকা ও পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।
গত ৩০ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় ৩১ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। পরে ৭ সেপ্টেম্বর আদালতে তাঁর জামিননামা দাখিল করা হলে সেদিনই রাজধানীর কাফরুল থানায় তরিকুল ইসলাম রুবেল হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।
.png)
-028855-256x144.webp)





