নোটিশে সারওয়ার হোসেন যুক্তি দেন, এই তত্ত্ব ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি তরুণ শিক্ষার্থীদের উপর ‘অপ্রয়োজনীয় চাপ’ সৃষ্টি করে। দাবি না মানলে তিনি হাইকোর্টে রিট করারও হুঁশিয়ারি দেন।
তাহসিনা এনাম তৃষা

নবম ও দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তক থেকে চার্লস ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব অপসারণের দাবি জানিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সারওয়ার হোসেন নোটিশটি পাঠান।
নোটিশে সারওয়ার হোসেন যুক্তি দেন, এই তত্ত্ব ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি তরুণ শিক্ষার্থীদের উপর ‘অপ্রয়োজনীয় চাপ’ সৃষ্টি করে। দাবি না মানলে তিনি হাইকোর্টে রিট করারও হুঁশিয়ারি দেন।
নোটিশ দেওয়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা শুরু হয়। নতুন করে শুরু হওয়া এই বিতর্ক প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এম এ আজিজ স্ট্রিম-কে বলেন, ‘বিবর্তন নিয়ে শুরু থেকেই অনেক বিতর্ক রয়েছে। প্রমাণের ঘাটতির কারণে বিবর্তনের নানা দিক স্পষ্ট নয়। কারণ একটি প্রজাতির বিবর্তন হতে কোটি কোটি বছর লেগে যায় এবং এ প্রক্রিয়াটি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা অসম্ভব।’
এম এ আজিজ আরও বলেন, ‘ডারউইন নিজেও শুরুতে বিবর্তন প্রসঙ্গে খুব বেশি মনোযোগ দেননি। ডারউইন তার প্রথম বই ‘দ্য অরিজিন অব স্পিসিস’ (১৮৫৯)-এ মানুষের বিবর্তনের ওপর বেশি জোর দেননি। কিন্তু তার সময়ে বৈজ্ঞানিক মহলে বিতর্কের কারণে তিনি ১৮৭১ সালে ‘দ্য ডিসেন্ট অব ম্যান’ প্রকাশ করেন। যেখানে বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।’
স্কুল পর্যায়ে বিবর্তন তত্ত্ব পড়ানো উচিত কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বিবর্তন তত্ত্ব বিতর্কিত। স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা এতটা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পরিপক্ব নয় যে তারা এই ধরনের বিতর্ক সামলাতে পারবে। তাছাড়া পাঠ্যক্রমে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সমসাময়িক ও নতুন বিষয়ে গুরুত্ব দিলে ফলাফল আরও ভালো হবে।’
এম এ আজিজ আরও উল্লেখ করেন, ‘স্কুল পর্যায়ের শিক্ষকরা সব সময় এই ধরনের আলোচনার জন্য যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত নাও হতে পারেন। ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ঠিক আছে, যারা আলোচনা, বিতর্ক ও গবেষণা করতে পারে। কিন্তু স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য নয়।’
অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান স্ট্রিম-কে বলেন, বিতর্কের মূল উৎস হলো পাঠ্যপুস্তকে ডারউইনের তত্ত্ব যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, সেটিকে বিভ্রান্তিকর বলে মনে করেন তিনি।
মোহাম্মদ ফিরোজ বলেন, ‘ডারউইনের তত্ত্ব অনুযায়ী প্রত্যেক প্রজাতির পূর্বসূরি রয়েছে। ডারউইন কখনও বলেননি যে মানুষ শিম্পাঞ্জি থেকে এসেছে। শিম্পাঞ্জি সৃষ্টির শুরু থেকেই শিম্পাঞ্জিই ছিল। তিনি কেবল বলেছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিম্পাঞ্জির দেহগঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই বিভ্রান্তি সাধারণত একটি চিত্র থেকে আসে, যেখানে দেখা যায় মানুষ বনমানুষ থেকে ধাপে ধাপে আধুনিক মানুষে পরিণত হয়েছে। এটি আসলে বাস্তবসম্মত নয়।’
স্কুলে বিবর্তন তত্ত্ব পড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডারউইনের প্রকৃত বিবর্তন তত্ত্ব অবশ্যই স্কুল পর্যায়ে পড়ানো উচিত। তবে পাঠ্যপুস্তকে দেখানো মডেল এবং সেই মডেলের বর্ণনা (বানর থেকে ধাপে ধাপে আধুনিক মানুষে রূপান্তরের রেখাচিত্র) সরিয়ে দেওয়া উচিত, কারণ এটি ভীষণ বিভ্রান্তিকর।’
ডারউইনের তত্ত্বকে কেন্দ্র করে যারা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান বা ধর্মের বুলি আওড়ান, তাদের জন্য এটি বিতর্কের মূল বিষয় হয়ে ওঠা এবারই প্রথম নয়।
বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শুরুর দিকে বরিশাল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু সংসদে স্কুল পাঠ্যপুস্তকে ডারউইনের তত্ত্ব অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি একে ‘ধর্মবিরোধী’ আখ্যা দেন এবং ধর্ম অবমাননা আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান।
গোলাম কিবরিয়া তখন সংসদে বলেন, ‘মানুষ বানর থেকে এসেছে। এমন কথা বলা ধর্মবিরোধী প্রচারণা। আমরা মুসলমানরা আদম (আ.)-এর সন্তান … ডারউইনের এই তত্ত্ব ইসলামের জন্য অপমানজনক। এ বিষয়ে ধর্ম অবমাননা আইন প্রণয়ন করা উচিত।’
সে সময় এনসিটিবি কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ‘পাঠ্যপুস্তকে কোথাও বলা হয়নি যে মানুষ বানর থেকে এসেছে। এটি সাধারণত প্রচলিত একটি ভুল ধারণা।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও সারওয়ার হোসেনের পাঠানো নোটিশের জবাব দেয়নি।
তবে সারওয়ারের দাবি, ডারউইনের তত্ত্ব পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবালের উদ্যোগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।
সারওয়ার আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি মানবজাতির সূচনা হয়েছিল আদম ও হাওয়া থেকে, যেমনটি ইসলামে বলা আছে। বিবর্তন তত্ত্ব দাবি করে মানুষ বানর থেকে এসেছে, যেটি ইসলামী বিশ্বাসের পরিপন্থী।’

নবম ও দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তক থেকে চার্লস ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব অপসারণের দাবি জানিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সারওয়ার হোসেন নোটিশটি পাঠান।
নোটিশে সারওয়ার হোসেন যুক্তি দেন, এই তত্ত্ব ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি তরুণ শিক্ষার্থীদের উপর ‘অপ্রয়োজনীয় চাপ’ সৃষ্টি করে। দাবি না মানলে তিনি হাইকোর্টে রিট করারও হুঁশিয়ারি দেন।
নোটিশ দেওয়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা শুরু হয়। নতুন করে শুরু হওয়া এই বিতর্ক প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এম এ আজিজ স্ট্রিম-কে বলেন, ‘বিবর্তন নিয়ে শুরু থেকেই অনেক বিতর্ক রয়েছে। প্রমাণের ঘাটতির কারণে বিবর্তনের নানা দিক স্পষ্ট নয়। কারণ একটি প্রজাতির বিবর্তন হতে কোটি কোটি বছর লেগে যায় এবং এ প্রক্রিয়াটি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা অসম্ভব।’
এম এ আজিজ আরও বলেন, ‘ডারউইন নিজেও শুরুতে বিবর্তন প্রসঙ্গে খুব বেশি মনোযোগ দেননি। ডারউইন তার প্রথম বই ‘দ্য অরিজিন অব স্পিসিস’ (১৮৫৯)-এ মানুষের বিবর্তনের ওপর বেশি জোর দেননি। কিন্তু তার সময়ে বৈজ্ঞানিক মহলে বিতর্কের কারণে তিনি ১৮৭১ সালে ‘দ্য ডিসেন্ট অব ম্যান’ প্রকাশ করেন। যেখানে বিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।’
স্কুল পর্যায়ে বিবর্তন তত্ত্ব পড়ানো উচিত কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বিবর্তন তত্ত্ব বিতর্কিত। স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা এতটা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পরিপক্ব নয় যে তারা এই ধরনের বিতর্ক সামলাতে পারবে। তাছাড়া পাঠ্যক্রমে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সমসাময়িক ও নতুন বিষয়ে গুরুত্ব দিলে ফলাফল আরও ভালো হবে।’
এম এ আজিজ আরও উল্লেখ করেন, ‘স্কুল পর্যায়ের শিক্ষকরা সব সময় এই ধরনের আলোচনার জন্য যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত নাও হতে পারেন। ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ঠিক আছে, যারা আলোচনা, বিতর্ক ও গবেষণা করতে পারে। কিন্তু স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য নয়।’
অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান স্ট্রিম-কে বলেন, বিতর্কের মূল উৎস হলো পাঠ্যপুস্তকে ডারউইনের তত্ত্ব যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, সেটিকে বিভ্রান্তিকর বলে মনে করেন তিনি।
মোহাম্মদ ফিরোজ বলেন, ‘ডারউইনের তত্ত্ব অনুযায়ী প্রত্যেক প্রজাতির পূর্বসূরি রয়েছে। ডারউইন কখনও বলেননি যে মানুষ শিম্পাঞ্জি থেকে এসেছে। শিম্পাঞ্জি সৃষ্টির শুরু থেকেই শিম্পাঞ্জিই ছিল। তিনি কেবল বলেছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিম্পাঞ্জির দেহগঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই বিভ্রান্তি সাধারণত একটি চিত্র থেকে আসে, যেখানে দেখা যায় মানুষ বনমানুষ থেকে ধাপে ধাপে আধুনিক মানুষে পরিণত হয়েছে। এটি আসলে বাস্তবসম্মত নয়।’
স্কুলে বিবর্তন তত্ত্ব পড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডারউইনের প্রকৃত বিবর্তন তত্ত্ব অবশ্যই স্কুল পর্যায়ে পড়ানো উচিত। তবে পাঠ্যপুস্তকে দেখানো মডেল এবং সেই মডেলের বর্ণনা (বানর থেকে ধাপে ধাপে আধুনিক মানুষে রূপান্তরের রেখাচিত্র) সরিয়ে দেওয়া উচিত, কারণ এটি ভীষণ বিভ্রান্তিকর।’
ডারউইনের তত্ত্বকে কেন্দ্র করে যারা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান বা ধর্মের বুলি আওড়ান, তাদের জন্য এটি বিতর্কের মূল বিষয় হয়ে ওঠা এবারই প্রথম নয়।
বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শুরুর দিকে বরিশাল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু সংসদে স্কুল পাঠ্যপুস্তকে ডারউইনের তত্ত্ব অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি একে ‘ধর্মবিরোধী’ আখ্যা দেন এবং ধর্ম অবমাননা আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান।
গোলাম কিবরিয়া তখন সংসদে বলেন, ‘মানুষ বানর থেকে এসেছে। এমন কথা বলা ধর্মবিরোধী প্রচারণা। আমরা মুসলমানরা আদম (আ.)-এর সন্তান … ডারউইনের এই তত্ত্ব ইসলামের জন্য অপমানজনক। এ বিষয়ে ধর্ম অবমাননা আইন প্রণয়ন করা উচিত।’
সে সময় এনসিটিবি কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ‘পাঠ্যপুস্তকে কোথাও বলা হয়নি যে মানুষ বানর থেকে এসেছে। এটি সাধারণত প্রচলিত একটি ভুল ধারণা।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও সারওয়ার হোসেনের পাঠানো নোটিশের জবাব দেয়নি।
তবে সারওয়ারের দাবি, ডারউইনের তত্ত্ব পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবালের উদ্যোগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।
সারওয়ার আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি মানবজাতির সূচনা হয়েছিল আদম ও হাওয়া থেকে, যেমনটি ইসলামে বলা আছে। বিবর্তন তত্ত্ব দাবি করে মানুষ বানর থেকে এসেছে, যেটি ইসলামী বিশ্বাসের পরিপন্থী।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে