২০১৬ সালে হাতিরঝিলে ৩২০টি ডাস্টবিন বসানো হয়। কিছু নষ্ট হলেও মেরামত করা হয়নি। কিছু জায়গার ডাস্টবিন খুলে নিয়ে গেছে মাদকসেবীরা। আবার ডাস্টবিন থাকলেও ময়লা ফেলা হয় তার পাশে।
আবদুল্লাহ কাফি

নানন্দিক হাতিরঝিল দিনকে দিন হারাচ্ছে তার সৌন্দর্য। ছোট-বড় খানাখন্দে ভরা সড়ক। চলাচল করা দায়। বাড়তি ভোগান্তি দিচ্ছে লেকের পানি থেকে আসা দুর্গন্ধ। পথচারীদের চলতে হয় নাক চেপে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দারাও রয়েছেন অস্বস্তিতে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় হাতিরঝিলে তৈরি হয়েছে বাজে অবস্থা। দুর্ঘটনা ও দুর্গন্ধ এড়াতে অনেকে হাতিরঝিল এড়িয়ে চলছেন। তবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দাবি, তারা কাজ করছেন। শিগগির আগের নান্দনিক রূপে ফিরবে হাতিরঝিল।
‘এফডিসির সামনে যেতেই নাকে আসে উৎকট গন্ধ। কিছুদূর এগিয়ে দেখা মেলে হাতিরঝিল লেকের নোংরা পানি। দীর্ঘদিন ময়লা পড়ে থেকে বীভৎস গন্ধ তৈরি হয়েছে। ঝিলের কাছাকাছি তো টেকাই মুশকিল। নাকে কাপড় চেপে চলতে হয়।’– কথাগুলো বলছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আরমান হুসেন।
তিনি এফডিসি খেয়াঘাট থেকে নিয়মিত গুলশানে যাতায়াত করেন। স্ট্রিমকে আরমান আরও বলেন, ‘আমি তো নৌকায় যাতায়াত করি। ঝিলের পানির গন্ধটা কখন কেমন, বুঝতে পারি। মাসখানেক হলো, যাতায়াতের সময় বমি চলে আসে। টিস্যু মুখ চেপে ধরে বসে থাকি। হয়তো এ রুটে চলাচল বন্ধ করতে হবে।’

শুধু আরমান নয়, এমন অভিযোগ হাতিরঝিলে চলাচল করা বেশির ভাগ মানুষের। মধুবাগের গৃহিণী মহিমা আয়াত শিশুসন্তান নিয়ে বেড়াতে এসেছেন। ছেলে কান্না করছে বাসায় ফিরবে বলে। মহিমা স্ট্রিমকে বলেন, ঢাকায় তো ঘুরতে যাওয়ার তেমন জায়গা নেই। বাসার পাশে হাতিরঝিল, মাঝেমধ্যে এখানে আসি। কিন্তু ইদানীং পানির দুর্গন্ধের কারণে এলেও বেশিক্ষণ থাকতে পারছি না।
এ ব্যাপারে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘কাঁঠালবাগান থেকে রামপুরা, তেজগাঁও এবং বাড্ডা এলাকার সুয়ারেজ পদ্ধতি ডাইভারশন করে দাশেরকান্দিতে যাবে। কিন্তু এ ডাইভারশন প্ল্যান আর বাস্তবায়ন হয়নি। এটি না হওয়ায় মূল সমস্যাটি হয় বৃষ্টি হলে। ওই সময় পানির চাপের কারণে অনেক সময় কলাবাগানের দিকের পরিশোধন প্ল্যান্টের গেট খুলে দিতে হয়ে। এতে বৃষ্টির পানির সঙ্গে সুয়ারেজ লাইনের মল-মূত্রও হাতিরঝিলে ঢুকে যায়। ওই পানি যখন কমে আসে, পচে দুর্গন্ধটা ছড়ায়। রাজউক থেকে মাঝেমধ্যে কেমিক্যাল দেওয়া হয়। তবে ডাইভারশন সুয়ারেজের নেটওয়ার্ক ছাড়া এ বিষয়ে স্থায়ী কোনো সমাধান নেই।’
হাতিরঝিলে পানির দুর্গন্ধ দূর করতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজউকের এ কর্মকর্তা জানান, এটা হাতিরঝিল প্রকল্প শুরুর থেকেই আছে। তবে এর কাজ পানিতে স্রোত তৈরি করা। যেন দীর্ঘদিন পানি জমে দুর্গন্ধ তৈরি না হয়। কিন্তু যদি সার্বক্ষণিক সুয়ারেজের পানি ঝিলে পড়তে থাকে তাহলে তো পরিশোধন করতে হবে।
২০১৬ সালে হাতিরঝিলে ৩২০টি ডাস্টবিন বসানো হয়। কিছু নষ্ট হলেও মেরামত করা হয়নি। কিছু জায়গার ডাস্টবিন খুলে নিয়ে গেছে মাদকসেবীরা। আবার যেসব স্থানে ডাস্টবিন আছে, সেখানেও ময়লা ফেলা হয় না। ডাস্টবিনের পাশেই ময়লার স্তূপ পাওয়া যায়।

হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার বলেন, ‘এটি শুধু হাতিরঝিলের নয়, গোটা দেশেরই সমস্যা। ডাস্টবিন রেখে তার পাশেই ময়লা ফেলি আমরা। রাস্তা, জলাশয়েও একই দশা।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যারা ঢাকায় থাকি, হাতিরঝিল ছিল নির্মল শ্বাস নেওয়ার মতো জায়গা। এখন নিজেরাই এটি নষ্ট করে ফেলছি।’
এ ব্যাপারে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, ‘আমরা অসংখ্য ডাস্টবিন বসিয়েছি। নিরাপত্তার অভাবে অনেকগুলো চুরি হয়ে গেছে। যেগুলো আছে, নাগরিকরা সচেতন না হওয়ায় ব্যবহার করছেন না।’
সরেজমিন হাতিরঝিলের সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ পাওয়া যায়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন চালক ও যাত্রীরা। রামপুরা থেকে কারওয়ান বাজার নিয়মিত যাত্রী বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আলম হোসেন বলেন, ‘আগে হাতিরঝিলের রাস্তায় চোখ বন্ধ করে গাড়ি চালানো যেত। কোনো গর্ত ছিল না। এখন তো একটু পর পর খানাখন্দ। সামান্য অসতর্ক হলেই বিপদে পড়তে হচ্ছে।’
হাতিরঝিল দুই নম্বর সেতু এলাকায় মোটরসাইকেলের চালক মোহাম্মদ আলিফ বলেন, ‘এখানকার রাস্তাকে আর হাতিরঝিলের মনে হয় না। একটু পর পর গর্ত। চালানোর সময় খুব সাবধান না থাকলেই বিপদ।’

আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘বর্ষা তো সবে শেষ হয়েছে। বিদ্যুৎ কোম্পানি কিছু এলাকায় পাইপলাইন বসিয়েছে। এজন্য খোঁড়াখুঁড়ির পরে মেরামত করা হয়নি। মেরামতের জন্য দরপত্র হয়েছে। আশা করছি, ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক ঠিক হয়ে যাবে।’
এ ব্যাপারে রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) নুরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘দরপত্র মূল্যায়ন শেষে আমরা হাতিরঝিলের উন্নয়ন কাজ শুরু করব।’ একটা ছোট্ট গর্ত ভরাট করতেও দরপত্র– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব কোনো ব্যবস্থাপনা নেই। ছোট-বড় বিষয় নয়, সরকারি কাজ দরপত্র ছাড়া করা যায় না। তবে আমরাও মাঝেমধ্যে নাগরিক ভোগান্তি বিবেচনায় টুকটাক কাজ নিজেরা করে থাকি।’

নানন্দিক হাতিরঝিল দিনকে দিন হারাচ্ছে তার সৌন্দর্য। ছোট-বড় খানাখন্দে ভরা সড়ক। চলাচল করা দায়। বাড়তি ভোগান্তি দিচ্ছে লেকের পানি থেকে আসা দুর্গন্ধ। পথচারীদের চলতে হয় নাক চেপে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দারাও রয়েছেন অস্বস্তিতে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় হাতিরঝিলে তৈরি হয়েছে বাজে অবস্থা। দুর্ঘটনা ও দুর্গন্ধ এড়াতে অনেকে হাতিরঝিল এড়িয়ে চলছেন। তবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দাবি, তারা কাজ করছেন। শিগগির আগের নান্দনিক রূপে ফিরবে হাতিরঝিল।
‘এফডিসির সামনে যেতেই নাকে আসে উৎকট গন্ধ। কিছুদূর এগিয়ে দেখা মেলে হাতিরঝিল লেকের নোংরা পানি। দীর্ঘদিন ময়লা পড়ে থেকে বীভৎস গন্ধ তৈরি হয়েছে। ঝিলের কাছাকাছি তো টেকাই মুশকিল। নাকে কাপড় চেপে চলতে হয়।’– কথাগুলো বলছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আরমান হুসেন।
তিনি এফডিসি খেয়াঘাট থেকে নিয়মিত গুলশানে যাতায়াত করেন। স্ট্রিমকে আরমান আরও বলেন, ‘আমি তো নৌকায় যাতায়াত করি। ঝিলের পানির গন্ধটা কখন কেমন, বুঝতে পারি। মাসখানেক হলো, যাতায়াতের সময় বমি চলে আসে। টিস্যু মুখ চেপে ধরে বসে থাকি। হয়তো এ রুটে চলাচল বন্ধ করতে হবে।’

শুধু আরমান নয়, এমন অভিযোগ হাতিরঝিলে চলাচল করা বেশির ভাগ মানুষের। মধুবাগের গৃহিণী মহিমা আয়াত শিশুসন্তান নিয়ে বেড়াতে এসেছেন। ছেলে কান্না করছে বাসায় ফিরবে বলে। মহিমা স্ট্রিমকে বলেন, ঢাকায় তো ঘুরতে যাওয়ার তেমন জায়গা নেই। বাসার পাশে হাতিরঝিল, মাঝেমধ্যে এখানে আসি। কিন্তু ইদানীং পানির দুর্গন্ধের কারণে এলেও বেশিক্ষণ থাকতে পারছি না।
এ ব্যাপারে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘কাঁঠালবাগান থেকে রামপুরা, তেজগাঁও এবং বাড্ডা এলাকার সুয়ারেজ পদ্ধতি ডাইভারশন করে দাশেরকান্দিতে যাবে। কিন্তু এ ডাইভারশন প্ল্যান আর বাস্তবায়ন হয়নি। এটি না হওয়ায় মূল সমস্যাটি হয় বৃষ্টি হলে। ওই সময় পানির চাপের কারণে অনেক সময় কলাবাগানের দিকের পরিশোধন প্ল্যান্টের গেট খুলে দিতে হয়ে। এতে বৃষ্টির পানির সঙ্গে সুয়ারেজ লাইনের মল-মূত্রও হাতিরঝিলে ঢুকে যায়। ওই পানি যখন কমে আসে, পচে দুর্গন্ধটা ছড়ায়। রাজউক থেকে মাঝেমধ্যে কেমিক্যাল দেওয়া হয়। তবে ডাইভারশন সুয়ারেজের নেটওয়ার্ক ছাড়া এ বিষয়ে স্থায়ী কোনো সমাধান নেই।’
হাতিরঝিলে পানির দুর্গন্ধ দূর করতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজউকের এ কর্মকর্তা জানান, এটা হাতিরঝিল প্রকল্প শুরুর থেকেই আছে। তবে এর কাজ পানিতে স্রোত তৈরি করা। যেন দীর্ঘদিন পানি জমে দুর্গন্ধ তৈরি না হয়। কিন্তু যদি সার্বক্ষণিক সুয়ারেজের পানি ঝিলে পড়তে থাকে তাহলে তো পরিশোধন করতে হবে।
২০১৬ সালে হাতিরঝিলে ৩২০টি ডাস্টবিন বসানো হয়। কিছু নষ্ট হলেও মেরামত করা হয়নি। কিছু জায়গার ডাস্টবিন খুলে নিয়ে গেছে মাদকসেবীরা। আবার যেসব স্থানে ডাস্টবিন আছে, সেখানেও ময়লা ফেলা হয় না। ডাস্টবিনের পাশেই ময়লার স্তূপ পাওয়া যায়।

হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার বলেন, ‘এটি শুধু হাতিরঝিলের নয়, গোটা দেশেরই সমস্যা। ডাস্টবিন রেখে তার পাশেই ময়লা ফেলি আমরা। রাস্তা, জলাশয়েও একই দশা।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যারা ঢাকায় থাকি, হাতিরঝিল ছিল নির্মল শ্বাস নেওয়ার মতো জায়গা। এখন নিজেরাই এটি নষ্ট করে ফেলছি।’
এ ব্যাপারে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, ‘আমরা অসংখ্য ডাস্টবিন বসিয়েছি। নিরাপত্তার অভাবে অনেকগুলো চুরি হয়ে গেছে। যেগুলো আছে, নাগরিকরা সচেতন না হওয়ায় ব্যবহার করছেন না।’
সরেজমিন হাতিরঝিলের সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ পাওয়া যায়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন চালক ও যাত্রীরা। রামপুরা থেকে কারওয়ান বাজার নিয়মিত যাত্রী বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আলম হোসেন বলেন, ‘আগে হাতিরঝিলের রাস্তায় চোখ বন্ধ করে গাড়ি চালানো যেত। কোনো গর্ত ছিল না। এখন তো একটু পর পর খানাখন্দ। সামান্য অসতর্ক হলেই বিপদে পড়তে হচ্ছে।’
হাতিরঝিল দুই নম্বর সেতু এলাকায় মোটরসাইকেলের চালক মোহাম্মদ আলিফ বলেন, ‘এখানকার রাস্তাকে আর হাতিরঝিলের মনে হয় না। একটু পর পর গর্ত। চালানোর সময় খুব সাবধান না থাকলেই বিপদ।’

আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘বর্ষা তো সবে শেষ হয়েছে। বিদ্যুৎ কোম্পানি কিছু এলাকায় পাইপলাইন বসিয়েছে। এজন্য খোঁড়াখুঁড়ির পরে মেরামত করা হয়নি। মেরামতের জন্য দরপত্র হয়েছে। আশা করছি, ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক ঠিক হয়ে যাবে।’
এ ব্যাপারে রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) নুরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘দরপত্র মূল্যায়ন শেষে আমরা হাতিরঝিলের উন্নয়ন কাজ শুরু করব।’ একটা ছোট্ট গর্ত ভরাট করতেও দরপত্র– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব কোনো ব্যবস্থাপনা নেই। ছোট-বড় বিষয় নয়, সরকারি কাজ দরপত্র ছাড়া করা যায় না। তবে আমরাও মাঝেমধ্যে নাগরিক ভোগান্তি বিবেচনায় টুকটাক কাজ নিজেরা করে থাকি।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে