স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্যের মধ্যেই আগামী শনিবার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় হবেন বলে আশা করছেন করছেন
আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বৈঠক শেষে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের জানান, তারা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় একমত পৌঁছাতে আশা করছেন। চূড়ান্ত সনদের কপি রাজনৈতিক দলগুলোকে পাঠানো হবে এবং আগামী শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যে সনদে স্বাক্ষর করার জন্য প্রতিটি দল দুই জনকে মনোনীত করবে।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আজকে বাস্তবায়ন নিয়ে সব দল একমত হয়নি, তাই আগামী রোববার আবারও আলোচনা হবে।’ তিনি আরও জানান, ৮৪টি বিষয়ে নোট অব ডিসেন্টসহ ইতিমধ্যে একমত হয়েছে এবং দুটি খসড়া দলগুলোকে পাঠানো হয়েছে। তবে সকল দলের মতামত একক সনদে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সঙ্গে খসড়া নিয়ে আলোচনার পর কিছু বিষয় নিয়ে একমত হয়েছে। সংবিধান সংশ্লিষ্ট সংস্কারগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়নি; তবে সংবিধান সংশোধনের বাইরে থাকা সংস্কারগুলো বর্তমান সরকার বাস্তবায়ন করতে পারবে।
সকালেই কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে সুপারিশ জানিয়েছিল, জুলাই সনদের সংবিধানবিষয়ক বিষয়গুলো বাস্তবায়নের জন্য গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ, অধ্যাদেশ এবং নির্বাহী আদেশ প্রভৃতি পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া ১০৬ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেওয়ার কথাও উল্লেখ ছিল। বিশেষজ্ঞ প্যানেল দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছিল: অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশ, গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ এবং ১০৬ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে আদালতের মতামত নেওয়া। পরে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে চারটি প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়েছে: অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশ, গণভোট এবং বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ।
সনবদ বাস্তবায়ন নিয়ে দলগুলোর অবস্থান নিয়েছে ভিন্ন অবস্থান। জামায়াতে ইসলামী বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন চায়; গণসংহতি আন্দোলন আদালতের মতামতের ভিত্তিতে সংসদ সংস্কারে বাধ্যকর আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দেয়; বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আগামী সংসদে সরাসরি বাস্তবায়ন করতে চায়।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্যের মধ্যেই আগামী শনিবার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় হবেন বলে আশা করছেন করছেন
আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বৈঠক শেষে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের জানান, তারা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় একমত পৌঁছাতে আশা করছেন। চূড়ান্ত সনদের কপি রাজনৈতিক দলগুলোকে পাঠানো হবে এবং আগামী শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যে সনদে স্বাক্ষর করার জন্য প্রতিটি দল দুই জনকে মনোনীত করবে।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আজকে বাস্তবায়ন নিয়ে সব দল একমত হয়নি, তাই আগামী রোববার আবারও আলোচনা হবে।’ তিনি আরও জানান, ৮৪টি বিষয়ে নোট অব ডিসেন্টসহ ইতিমধ্যে একমত হয়েছে এবং দুটি খসড়া দলগুলোকে পাঠানো হয়েছে। তবে সকল দলের মতামত একক সনদে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সঙ্গে খসড়া নিয়ে আলোচনার পর কিছু বিষয় নিয়ে একমত হয়েছে। সংবিধান সংশ্লিষ্ট সংস্কারগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়নি; তবে সংবিধান সংশোধনের বাইরে থাকা সংস্কারগুলো বর্তমান সরকার বাস্তবায়ন করতে পারবে।
সকালেই কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে সুপারিশ জানিয়েছিল, জুলাই সনদের সংবিধানবিষয়ক বিষয়গুলো বাস্তবায়নের জন্য গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ, অধ্যাদেশ এবং নির্বাহী আদেশ প্রভৃতি পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া ১০৬ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেওয়ার কথাও উল্লেখ ছিল। বিশেষজ্ঞ প্যানেল দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছিল: অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশ, গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ এবং ১০৬ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে আদালতের মতামত নেওয়া। পরে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে চারটি প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়েছে: অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশ, গণভোট এবং বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ।
সনবদ বাস্তবায়ন নিয়ে দলগুলোর অবস্থান নিয়েছে ভিন্ন অবস্থান। জামায়াতে ইসলামী বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন চায়; গণসংহতি আন্দোলন আদালতের মতামতের ভিত্তিতে সংসদ সংস্কারে বাধ্যকর আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দেয়; বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আগামী সংসদে সরাসরি বাস্তবায়ন করতে চায়।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে