স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষীর সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন ৫০, ৫১ ও ৫২তম সাক্ষী।
সাক্ষীরা হলেন, ডিএমপির ক্রাইম অ্যান্ড কনট্রোল সেন্টারের বেতার অপারেটর কামরুল হাসান, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরি অ্যান্ড রিসার্স শাখার ইনচার্জ কামরুল হোসাইন ও তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরি অ্যান্ড রিসার্স শাখার সাবেক ইনচার্জ আনিসুর রহমান।
কামরুল হাসান তাঁর জবানবন্দিতে বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে চাইনিজ রাইফেল দিয়ে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আন্দোলন দমনে সর্বোচ্চ বল প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাবিব।
কামরুল হাসান আরও জানান, তিনি গত বছরের ১৭ জুলাই সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। গণআন্দোলন দমনে ওই দিন ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে ডিএমপির কমিশনার সর্বোচ্চ বল প্রয়োগের নির্দেশ দেন। চাইনিজ রাইফেল দিয়ে গুলি করার নির্দেশ দেন। তখন বার্তাবাহক হিসেবে কামরুল ও তার দল সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটিতে তা পৌঁছে দেন।
এরপর, ট্রাইব্যুনালে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবের ওয়ারলেস বার্তার অডিও উপস্থাপন করা হয়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, আমি বারবার বলেছি, নির্দেশ দিয়েছি, আপনাদের স্বাধীনতা দিয়েছি যেখানে যেমন সিচুয়েশন, সেভাবে আপনারা করবেন, আপনারা নিলিং পজিশনে গিয়ে হাঁটু গেঁড়ে, হাঁটু গেঁড়ে কোমরের নিচে আপনারা গুলি করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবেন।
জবানবন্দি গ্রহণ শেষে সাক্ষী কামরুলকে জেরা করেন পলাতক আসামি হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
এ মামলার তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক। পুলিশের তৎকালীন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন আসামি থাকলেও তিনি রাজসাক্ষী হয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষীর সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন ৫০, ৫১ ও ৫২তম সাক্ষী।
সাক্ষীরা হলেন, ডিএমপির ক্রাইম অ্যান্ড কনট্রোল সেন্টারের বেতার অপারেটর কামরুল হাসান, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরি অ্যান্ড রিসার্স শাখার ইনচার্জ কামরুল হোসাইন ও তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরি অ্যান্ড রিসার্স শাখার সাবেক ইনচার্জ আনিসুর রহমান।
কামরুল হাসান তাঁর জবানবন্দিতে বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে চাইনিজ রাইফেল দিয়ে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আন্দোলন দমনে সর্বোচ্চ বল প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাবিব।
কামরুল হাসান আরও জানান, তিনি গত বছরের ১৭ জুলাই সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। গণআন্দোলন দমনে ওই দিন ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে ডিএমপির কমিশনার সর্বোচ্চ বল প্রয়োগের নির্দেশ দেন। চাইনিজ রাইফেল দিয়ে গুলি করার নির্দেশ দেন। তখন বার্তাবাহক হিসেবে কামরুল ও তার দল সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটিতে তা পৌঁছে দেন।
এরপর, ট্রাইব্যুনালে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবের ওয়ারলেস বার্তার অডিও উপস্থাপন করা হয়। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, আমি বারবার বলেছি, নির্দেশ দিয়েছি, আপনাদের স্বাধীনতা দিয়েছি যেখানে যেমন সিচুয়েশন, সেভাবে আপনারা করবেন, আপনারা নিলিং পজিশনে গিয়ে হাঁটু গেঁড়ে, হাঁটু গেঁড়ে কোমরের নিচে আপনারা গুলি করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবেন।
জবানবন্দি গ্রহণ শেষে সাক্ষী কামরুলকে জেরা করেন পলাতক আসামি হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
এ মামলার তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক। পুলিশের তৎকালীন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন আসামি থাকলেও তিনি রাজসাক্ষী হয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’– এর সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্যরা। তবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা এই শপথ নেননি। বিএনপির দাবি, সংবিধান কিংবা নির্বাচনী আইনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই। তাই এমন বিষয়ে শপথ নেওয়া সংবিধানবহ
৭ মিনিট আগে
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১১ ঘণ্টা আগে