ইসরায়েলি বাহিনী আবারও গাজার একটি স্কুলে আশ্রয় নেওয়া নারী ও শিশুদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে, যেখানে নিহত হয়েছে অন্তত ৫০ জন। মধ্যরাতে ফাহমি আল-জারজাউই স্কুলে চালানো এই আক্রমণে ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছে ঘুমন্ত শিশুরা।
স্ট্রিম ডেস্ক

গাজা উপত্যকার উত্তরে আবারও স্কুলে আশ্রয় নেওয়া নিরীহ মানুষদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া একের পর এক বিমান ও কামান হামলায় অন্তত ৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
গাজা সিটির দরাজ পাড়ায় অবস্থিত ফাহমি আল-জারজাউই স্কুলে মধ্যরাতে চালানো এক হামলাতেই কমপক্ষে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন সিভিল ডিফেন্স। স্কুলটি ছিল শত শত ঘরহারা মানুষের একমাত্র আশ্রয়স্থল। আগুনে পুড়ে যাওয়া শ্রেণিকক্ষে ঘুমন্ত শিশুদের ওপর ধসে পড়েছে ভবনের অংশবিশেষ।
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসসাল জানান, নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশই শিশু ও নারী। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ।
হামলার পর আল জাজিরার সম্প্রচারে দেখা যায়, আগুনে পুড়ে যাওয়া শ্রেণিকক্ষে এক শিশু একা দাঁড়িয়ে আছে, বাইরে থেকে আতঙ্কিত মানুষজন জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে চেষ্টা করছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, স্কুলটিতে হামাস ও ইসলামিক জিহাদের একটি 'নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র' ছিল এবং সেখানে 'গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসীরা' অবস্থান করছিল।
তবে আল-জাজিরার প্রতিবেদন জানাচ্ছে। সেখানকার বাস্তব পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। বোমা পড়েছে ঘুমন্ত শিশুদের ওপর। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে অসহায় নারী-পুরুষ।
স্কুল লক্ষ্য করে হামলা এটাই প্রথম নয়। চলমান ১৯ মাসের যুদ্ধকালে গাজায় একাধিক স্কুলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যেগুলো মূলত উদ্বাস্তু মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজা সিটির আল-বুরাক স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছিল অন্তত ৫০ জন। একই বছরের আগস্টে আল-তাবিন স্কুলে প্রার্থনারত এক শর বেশি মানুষ প্রাণ হারান।
সর্বশেষ হামলার দিনে জবালিয়ায় একটি বাড়িতে আবদ রাব্বো পরিবারের ১৯ জন নিহত হয়েছেন। কাছাকাছি একটি তাবু শিবিরেও হামলার খবর পাওয়া গেছে, যেখানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং আশ্রয়স্থলের মতো বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা স্পষ্টত নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও ইসরায়েল প্রতিনিয়ত সেই আইন লঙ্ঘন করেই চলেছে। মানবিক বিপর্যয়ের মুখে থাকা গাজা উপত্যকার জনগণের জন্য এসব হামলা যেন হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন বাস্তবতা।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েল সরকার ইতিমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, পুরো গাজা নিয়ন্ত্রণে না নেওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে—যার বাস্তব রূপ হচ্ছে একের পর এক স্কুলে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোর ওপর বোমাবর্ষণ।

গাজা উপত্যকার উত্তরে আবারও স্কুলে আশ্রয় নেওয়া নিরীহ মানুষদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া একের পর এক বিমান ও কামান হামলায় অন্তত ৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
গাজা সিটির দরাজ পাড়ায় অবস্থিত ফাহমি আল-জারজাউই স্কুলে মধ্যরাতে চালানো এক হামলাতেই কমপক্ষে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন সিভিল ডিফেন্স। স্কুলটি ছিল শত শত ঘরহারা মানুষের একমাত্র আশ্রয়স্থল। আগুনে পুড়ে যাওয়া শ্রেণিকক্ষে ঘুমন্ত শিশুদের ওপর ধসে পড়েছে ভবনের অংশবিশেষ।
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসসাল জানান, নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশই শিশু ও নারী। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ।
হামলার পর আল জাজিরার সম্প্রচারে দেখা যায়, আগুনে পুড়ে যাওয়া শ্রেণিকক্ষে এক শিশু একা দাঁড়িয়ে আছে, বাইরে থেকে আতঙ্কিত মানুষজন জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে চেষ্টা করছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, স্কুলটিতে হামাস ও ইসলামিক জিহাদের একটি 'নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র' ছিল এবং সেখানে 'গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসীরা' অবস্থান করছিল।
তবে আল-জাজিরার প্রতিবেদন জানাচ্ছে। সেখানকার বাস্তব পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। বোমা পড়েছে ঘুমন্ত শিশুদের ওপর। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে অসহায় নারী-পুরুষ।
স্কুল লক্ষ্য করে হামলা এটাই প্রথম নয়। চলমান ১৯ মাসের যুদ্ধকালে গাজায় একাধিক স্কুলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যেগুলো মূলত উদ্বাস্তু মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজা সিটির আল-বুরাক স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছিল অন্তত ৫০ জন। একই বছরের আগস্টে আল-তাবিন স্কুলে প্রার্থনারত এক শর বেশি মানুষ প্রাণ হারান।
সর্বশেষ হামলার দিনে জবালিয়ায় একটি বাড়িতে আবদ রাব্বো পরিবারের ১৯ জন নিহত হয়েছেন। কাছাকাছি একটি তাবু শিবিরেও হামলার খবর পাওয়া গেছে, যেখানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং আশ্রয়স্থলের মতো বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা স্পষ্টত নিষিদ্ধ। তা সত্ত্বেও ইসরায়েল প্রতিনিয়ত সেই আইন লঙ্ঘন করেই চলেছে। মানবিক বিপর্যয়ের মুখে থাকা গাজা উপত্যকার জনগণের জন্য এসব হামলা যেন হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন বাস্তবতা।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েল সরকার ইতিমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, পুরো গাজা নিয়ন্ত্রণে না নেওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে—যার বাস্তব রূপ হচ্ছে একের পর এক স্কুলে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোর ওপর বোমাবর্ষণ।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার দুই মাস না পেরোতে ভেনেজুয়েলার পরিবেশ যেন আমূল বদলে গেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।
৫ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান শুরুর আগেই মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১ দিন আগে