জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ট্রাম্পের হুমকির পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ৩৮
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি। ছবি: সংগৃহীত

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আগেই অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরি আব্রাহাম লিংকন। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ওই অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন। এ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কয়েক ঘণ্টা ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি।

এর আগে ইরানের অভিজাত বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সেখানে সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে ‘নিরাপত্তাজনিত সতর্কতা’ জারি করে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর কমান্ডার জানান, শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে।

পারস্য ও ওমান উপসাগরকে যুক্ত করা এই জলপথে চলমান সামরিক মহড়ার তদারকি করতে গিয়ে রিয়ার অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাঙ্গসিরি বলেন, যুদ্ধপরিস্থিতিতে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো চলমান আইআরজিসি নৌ-মহড়ায় প্রদর্শিত অস্ত্র থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ‘স্মার্ট কন্ট্রোল অব দ্য স্ট্রেইট অব হরমুজ’ শীর্ষক মহড়া সোমবার শুরু করে তেহরান।

জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ পরমাণু ইস্যুতে দ্বিতীয় দফা আলোচনা শুরুর আগের দিন হরমুজ প্রণালিতে মহড়া দেয় তেহরান। এক বিবৃতিতে তেহরান বলেছে, এই মহড়ার লক্ষ্য আইআরজিসি নৌ ইউনিটগুলোর কার্যক্ষমতা যাচাই করা। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ও সামরিক হুমকির জবাবে পাল্টা সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা এবং পরিস্থিতি পরীক্ষা করে আইআরজিসির ভূরাজনৈতিক সুবিধা মূল্যায়ন করা।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ও বোমারু বিমান মোতায়েনের পর ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনা বাড়ে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের সামরিক মহড়া শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

ইরানের নৌ বাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাঙ্গসিরি দাবি করেন, আইআরজিসি নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে ২৪ ঘণ্টা গোয়েন্দা নজরদারি বজায় রাখে। ফলে প্রণালিতে জাহাজ নিরাপদে চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে ৮০টি তেলবাহী ট্যাংকার ও কনটেইনার জাহাজ এই জলপথে চলাচল করে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত