গুগল নিরাপত্তা গবেষক ও এথিক্যাল হ্যাকারদের আহ্বান জানিয়েছে তাদের এআই সিস্টেমে থাকা ত্রুটি খুঁজে বের করতে। এসব গবেষক ও হ্যাকাররা সাধারণত প্রযুক্তির ভেতরের নিরাপত্তা ফাঁকফোকর শনাক্ত করেন।
স্ট্রিম ডেস্ক

বর্তমানে প্রায় সব ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এটি সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে, এমনটি বলা যায় না। তখন এটি হয়ে ওঠে বড় ঝুঁকি। এমন পরিস্থিতি বিবেচনায় গুগল এবার এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। তারা ঘোষণা দিয়েছে নতুন এআই বাগ বাউন্টি কর্মসূচির।
এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ঝুঁকি শনাক্তকরণ। গুগলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এআই এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। তাই এর নিরাপত্তা নিয়ে পরীক্ষা আরও জরুরি।’ এই বাগ সনাক্তকরণ কর্মসূচির আওতায় গুগলের এআইয়ের ত্রুটি ধরিয়ে দিলে মিলতে পারে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার।
গুগল কী ধরণের ত্রুটি খুঁজে পেতে চাইছে
সাধারণ সফটওয়্যারের বাগ মানে কোনো ত্রুটি, যা ঠিক করলে সমস্যাও মিটে যায়। কিন্তু এআইয়ের ত্রুটি অনেকটা আচরণগত। মানে এআই এমন কিছু করে ফেলে যা তার করার কথা ছিল না। যেমন ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে দেওয়া, ভুল কমান্ড চালানো বা হ্যাকারদের মাধ্যমে স্মার্ট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়া। এই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণকে সনাক্ত করা গুগলের এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য।
গুগল স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা কী ধরনের ত্রুটি খুঁজে পেতে চাইছে। যেমন যদি কেউ কোনো কৌশল ব্যবহার করে ‘গুগল হোম’ অ্যাপ দিয়ে দরজা খুলে ফেলতে পারে। বা কোনো লুকানো কমান্ডের মাধ্যমে জি-মেইল থেকে কোনো মেইল তৃতীয় পক্ষকে পাঠিয়ে দিতে পারে। মূলত গুগলের এআই-চালিত পণ্যগুলো যেমন সার্চ, জেমিনি অ্যাপস এবং ওয়ার্কস্পেসে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত করাই তাদের উদ্দেশ্য।
তবে এআইয়ের ভুল উত্তর দেওয়া বা এআইকে ভুল উত্তর দিতে বাধ্য করার মতো বিষয় এর আওতাভুক্ত নয়। যদি এআই বিভ্রান্তিকর বা কপিরাইট-লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট তৈরি করে, সেগুলোও বাগ হিসেবে গণ্য হবে না।
এআই নিরাপত্তা গবেষক ও এথিক্যাল হ্যাকারদের প্রতি গুগলের আহ্বান
গুগল নিরাপত্তা গবেষক ও এথিক্যাল হ্যাকারদের আহ্বান জানিয়েছে তাদের এআই সিস্টেমে থাকা ত্রুটি খুঁজে বের করতে। এসব গবেষক ও হ্যাকাররা সাধারণত প্রযুক্তির ভেতরের নিরাপত্তা ফাঁকফোকর শনাক্ত করেন। যা হয়তো হ্যাকার বা অপরাধীরা অপব্যবহার করতে পারে। কিন্তু এথিক্যাল হ্যাকারদের কাজ এর বিপরীত; তারা প্রতিষ্ঠানকে আগেভাগেই সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেন, যেন তা ঠিক করা যায়।
বড় ত্রুটি শনাক্তে মিলবে ৩০ হাজার ডলার
গুগল জানিয়েছে, তাদের নতুন এআই বাগ বাউন্টি প্রোগ্রামে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত পুরস্কার পাওয়া যাবে। পুরস্কারের পরিমাণ নির্ভর করবে শনাক্ত করা ত্রুটির গুরুত্ব ও প্রভাবের ওপর। যদি গুগলের মূল পণ্য যেমন সার্চ, জিমেইল, ড্রাইভ বা জেমিনি অ্যাপে বড় ধরনের নিরাপত্তা দুর্বলতা পাওয়া যায়, তাহলে পুরস্কার হতে পারে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত।
তবে আরো বড় ও নতুন কোনো ঝুঁকি শনাক্ত করে, তাহলে সেই পুরস্কারের পরিমাণ বাড়িয়ে ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত দেওয়া হতে পারে। এছাড়া তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ বা পরীক্ষামূলক এআই পণ্যের কোনো দুর্বলতা পাওয়া গেলেও পুরস্কার পাওয়া যাবে।
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

বর্তমানে প্রায় সব ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এটি সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে, এমনটি বলা যায় না। তখন এটি হয়ে ওঠে বড় ঝুঁকি। এমন পরিস্থিতি বিবেচনায় গুগল এবার এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। তারা ঘোষণা দিয়েছে নতুন এআই বাগ বাউন্টি কর্মসূচির।
এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ঝুঁকি শনাক্তকরণ। গুগলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এআই এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। তাই এর নিরাপত্তা নিয়ে পরীক্ষা আরও জরুরি।’ এই বাগ সনাক্তকরণ কর্মসূচির আওতায় গুগলের এআইয়ের ত্রুটি ধরিয়ে দিলে মিলতে পারে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার।
গুগল কী ধরণের ত্রুটি খুঁজে পেতে চাইছে
সাধারণ সফটওয়্যারের বাগ মানে কোনো ত্রুটি, যা ঠিক করলে সমস্যাও মিটে যায়। কিন্তু এআইয়ের ত্রুটি অনেকটা আচরণগত। মানে এআই এমন কিছু করে ফেলে যা তার করার কথা ছিল না। যেমন ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে দেওয়া, ভুল কমান্ড চালানো বা হ্যাকারদের মাধ্যমে স্মার্ট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়া। এই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণকে সনাক্ত করা গুগলের এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য।
গুগল স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা কী ধরনের ত্রুটি খুঁজে পেতে চাইছে। যেমন যদি কেউ কোনো কৌশল ব্যবহার করে ‘গুগল হোম’ অ্যাপ দিয়ে দরজা খুলে ফেলতে পারে। বা কোনো লুকানো কমান্ডের মাধ্যমে জি-মেইল থেকে কোনো মেইল তৃতীয় পক্ষকে পাঠিয়ে দিতে পারে। মূলত গুগলের এআই-চালিত পণ্যগুলো যেমন সার্চ, জেমিনি অ্যাপস এবং ওয়ার্কস্পেসে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত করাই তাদের উদ্দেশ্য।
তবে এআইয়ের ভুল উত্তর দেওয়া বা এআইকে ভুল উত্তর দিতে বাধ্য করার মতো বিষয় এর আওতাভুক্ত নয়। যদি এআই বিভ্রান্তিকর বা কপিরাইট-লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট তৈরি করে, সেগুলোও বাগ হিসেবে গণ্য হবে না।
এআই নিরাপত্তা গবেষক ও এথিক্যাল হ্যাকারদের প্রতি গুগলের আহ্বান
গুগল নিরাপত্তা গবেষক ও এথিক্যাল হ্যাকারদের আহ্বান জানিয়েছে তাদের এআই সিস্টেমে থাকা ত্রুটি খুঁজে বের করতে। এসব গবেষক ও হ্যাকাররা সাধারণত প্রযুক্তির ভেতরের নিরাপত্তা ফাঁকফোকর শনাক্ত করেন। যা হয়তো হ্যাকার বা অপরাধীরা অপব্যবহার করতে পারে। কিন্তু এথিক্যাল হ্যাকারদের কাজ এর বিপরীত; তারা প্রতিষ্ঠানকে আগেভাগেই সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেন, যেন তা ঠিক করা যায়।
বড় ত্রুটি শনাক্তে মিলবে ৩০ হাজার ডলার
গুগল জানিয়েছে, তাদের নতুন এআই বাগ বাউন্টি প্রোগ্রামে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত পুরস্কার পাওয়া যাবে। পুরস্কারের পরিমাণ নির্ভর করবে শনাক্ত করা ত্রুটির গুরুত্ব ও প্রভাবের ওপর। যদি গুগলের মূল পণ্য যেমন সার্চ, জিমেইল, ড্রাইভ বা জেমিনি অ্যাপে বড় ধরনের নিরাপত্তা দুর্বলতা পাওয়া যায়, তাহলে পুরস্কার হতে পারে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত।
তবে আরো বড় ও নতুন কোনো ঝুঁকি শনাক্ত করে, তাহলে সেই পুরস্কারের পরিমাণ বাড়িয়ে ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত দেওয়া হতে পারে। এছাড়া তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ বা পরীক্ষামূলক এআই পণ্যের কোনো দুর্বলতা পাওয়া গেলেও পুরস্কার পাওয়া যাবে।
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
১৫ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১৭ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
২ দিন আগে