একদিনের ছুটি, তবু কেন পরিকল্পনার শেষ নেইসপ্তাহের কর্মব্যস্ত দিনগুলোতে যখনই ছোটখাটো কোনো কাজ সামনে আসে, আমাদের মস্তিষ্ক খুব সহজেই একটি অজুহাত তৈরি করে, আজ থাক শুক্রবারে করব।
সরস্বতী যেভাবে নদী থেকে বিদ্যার দেবী হলেনপ্রতিবছর মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় তাঁর পূজা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ঘরে ঘরে, আজ এই পঞ্চমী তিথিতে অসংখ্য ভক্ত বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে প্রার্থনা জানাচ্ছেন।
গোসল যেখানে উৎসব: সাইবেরিয়ায় মানুষ সপ্তাহে কয়দিন গোসল করেন‘সাইবেরিয়ার তুষারপাতে সবুজ ফসল ফলবে না’—এই তথ্য তাসনিয়া ফারিণ গানে গানে জানালেও সেখানকার মানুষ সপ্তাহে কতদিন গোসল করেন তা নিয়ে কিছু বলেননি। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজব এই লেখায়।
বিহারের যে বাড়িতে জর্জ অরওয়েলের জন্ম, সেখানে যেন বাস্তব হয়ে উঠেছিল ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ব্রিটিশ ভারতের মোতিহারিতে জন্ম নেন জর্জ অরওয়েল। ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস। ১৯৫০ সালের ২১ জানুয়ারি তিনি মারা যান। ২০১৪ সালে বিবিসির এক সাংবাদিক মোতিহারিতে অরওয়েলের জন্মস্থানে গিয়ে দেখেন, সেখানে চারদিকে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছাগল, গরু, ঘোড়া আর রাস্তার কুকুর। আগাছার জঙ্গল ঠেলে এক কোণে ঘোঁত ঘ
৫৩ বছরেই থেমে গিয়েছিল জীবন, ইতিহাসে থামেননি লেনিনআজ ২১ জানুয়ারি ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের মৃত্যুদিন। মাত্র ৫৩ বছর বয়সে থেমে যায় তাঁর জীবন। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া চিন্তা ও রাজনীতির প্রভাব এখনো আছে।
ভবঘুরে পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সিরিয়াল কিলাররাশুধু সম্রাটই নয়, ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, পৃথিবীর অনেক নৃশংস সিরিয়াল কিলার ‘ভবঘুরে’ কৌশল ব্যবহার একের পর এক খুন করেছেন।
উনসত্তরের ২০ জানুয়ারি: যে মৃত্যু বদলে দিয়েছিল ইতিহাসের মোড়উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে যে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তার অগ্রভাগের দীপশিখাটির নাম শহীদ আসাদ। আসাদ শুধু উনসত্তরের আন্দোলনের একজন শহীদ নন; তিনি বাঙালি জাতিসত্তার জাগরণের চিরন্তন প্রতীক।
অ্যাডভেঞ্চার বই পড়েননি কখনো, নিজেই এখন জীবন্ত অ্যাডভেঞ্চারজীবনে একটিও অ্যাডভেঞ্চার বই পড়েননি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। কখনো ছুঁয়ে দেখেননি মাসুদ রানা, তিন গোয়েন্দা কিংবা বর্ন টু রান, ফাইন্ড আ ওয়ের মতো বই। তবু কীভাবে কীভাবে যেন সাঁতার ও দীর্ঘ দৌড় তাঁর জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে ওতপ্রোতভাবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের জীবন দেখে আমরা কেন নিজের জীবনকে ব্যর্থ মনে করিসারাদিনের কাজ শেষে রাতে বিছানায় শুয়ে মোবাইল হাতে নিলেই অনেক সময় অবচেতনভাবেই ঢুকে পড়ি ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে। সেখানে দেখলে মনে হয়, সবাই কত সুখে আছে, কত সার্থক তাঁদের জীবন, আর আমি পড়ে আছি সেই একই একঘেয়ে জীবনে। কিন্তু কেমন এমন হয়? এর পেছনে আছে সুস্পষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
সাকরাইন: কবে ও কীভাবে শুরু, কেন পুরান ঢাকায়আজ ১৪ জানুয়ারি পৌষ মাসের শেষ দিনে পুরান ঢাকায় পালিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসব। কবে ও কীভাবে এই উৎসব শুরু হয়েছিল? কেন পুরান ঢাকায় পালিত হয়?
কয়েক মিনিটের কাজও আমরা কেন দিনের পর দিন ফেলে রাখিকয়েক মিনিটের কাজ। অথচ দেখা যায়, ঘড়ির কাঁটা একের পর এক ঘর পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কাজটা আর করা হয়ে উঠছে না। জানি কী করতে হবে, জানি সময়ও লাগবে না। তবু কাজটা পড়ে থাকে। এই ‘পরে করব সিনড্রোম’ কি কোনো রোগ? কেন কয়েক মিনিটের কাজও আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেলে রাখি?
আজ গরম চা দিবস: কেন পালিত হয়, যেভাবে উদযাপন করতে পারেনআজ ১২ জানুয়ারি ‘গরম চা দিবস’ বা ‘হট টি ডে’। পানির পর পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ যে পানীয়টি পান করে, সেটি চা। কেন গরম চা দিবস পালিত হয়? যেভাবে উদযাপন করতে পারেন গরম চা দিবস?
শৈত্যপ্রবাহ: কী, কখন ও কেন হয়দেশের ২০ জেলায় আজ বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহ কী, এটি কখন হয় ও কতদিন থাকে? বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ হয় ও কেন হয়?
স্টিফেন হকিংয়ের যে পার্টিতে আসেননি কোনো অতিথি, কিন্তু কেনআজ ৮ জানুয়ারি স্টিফেন হকিংয়ের জন্মদিন। তাঁকে বলা হয় আইনস্টাইনের পরে দুনিয়ার সবচেয়ে মেধাবী বিজ্ঞানী। বিজ্ঞানের কঠিন জগতের বাইরেও স্টিফেন হকিং ছিলেন বেশ পরিচিত মুখ। সূক্ষ্ম রসবোধ আর বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের এক অদ্ভুত মিশেল ছিল ২০০৯ সালে আয়োজিত এক পার্টি। কী ঘটেছিল সেদিন?
কলকাতার পথের কুকুর থেকে ‘পিস ডগ’: যুক্তরাষ্ট্রে শান্তি পদযাত্রায় আলোকযুক্তরাষ্ট্রের পথে হেঁটে চলেছে কলকাতার ‘পথের কুকুর’ আলোক। এখন সবাই তাকে চেনে ‘দ্য পিস ডগ’ নামে। ‘শান্তি পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে ১৯ বৌদ্ধ ভিক্ষুর সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে সে এখন টেক্সাস থেকে ওয়াশিংটনের দিকে হাঁটছে।
গাজায় নতুন বছর: প্রাণ ফিরবে কিগাজায় দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ আর ক্ষুধার মধ্যে কেটে গেছে আরেকটি বছর। নতুন বছর এলেও সেখানে কোনো নতুনত্ব আসেনি। আল জাজিরার সাংবাদিক মারাম হুমাইদের চোখে গাজায় ক্ষুধা, ক্ষতি আর নিরবচ্ছিন্ন কষ্টে কাটানো এক বছর।
মামদানির শপথ: ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে শপথের ধারণা এল কীভাবেনিউইয়র্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মেয়র পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন ছুঁয়ে শপথ নিলেন। জোহরান মামদানি ওল্ড সিটি হলের নিচের একটি পরিত্যক্ত সাবওয়ে (পাতালরেল) স্টেশনে এই শপথ নেন। শপথবাক্য পাঠ করান নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিসিয়া জেমস। ধর্মগ্রন্থে ছুঁয়ে শপথের ব্যাপারটি আদালত, রাষ্ট্রপ্রধানের অভি