আজ ১২ জানুয়ারি ‘গরম চা দিবস’ বা ‘হট টি ডে’। পানির পর পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ যে পানীয়টি পান করে, সেটি চা। কেন গরম চা দিবস পালিত হয়? যেভাবে উদযাপন করতে পারেন গরম চা দিবস?
স্ট্রিম ডেস্ক

কবীর সুমন গেয়েছিলেন, ‘এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই।’ সত্যি বলতে, চায়ের সঙ্গে বাঙালির সম্পর্ক খুব আপন। মায়ের হাতের স্পর্শ, প্রিয়জনের হাসি কিংবা পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা, এসব কিছুর সঙ্গেই যেন চায়ের গন্ধ জড়িয়ে থাকে।
আজ ১২ জানুয়ারি ‘গরম চা দিবস’ বা ‘হট টি ডে’। পানির পর পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ যে পানীয়টি পান করে, সেটি চা। যদিও চা বহু বছর ধরে মানুষের সঙ্গী, কিন্তু এই বিশেষ দিনটি পালিত হচ্ছে খুব বেশি দিন নয়। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘টি কাউন্সিল অব ইউএসএ’ প্রথম এই দিনটি পালনের উদ্যোগ নেয়।
এই দিনটি পালনের মূল কারণ চায়ের দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাস। ধারণা করা হয়, চায়ের জন্ম চীনে। লোককথা অনুযায়ী, খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৩৭ সালে চীনের সম্রাট শেন নাং গরম পানি পান করছিলেন। হঠাৎ কিছু পাতা উড়ে এসে পড়ল সেই পানিতে। পানির রং বদলে গেল, সুন্দর গন্ধ ছড়াল, আর পান করার পর তিনি অনুভব করলেন এক ধরনের সতেজতা। সেই পাতা থেকেই নাকি চায়ের শুরু।

চীনে চায়ের জনপ্রিয়তার আন্দাজ এভাবে করা যায় যে, ৮ম শতাব্দীতে বিখ্যাত চীনা লেখক লু ইউ চা নিয়ে একটি বই লেখেন। নাম দেন ‘চা জিং’। যা আজ ক্লাসিক অফ টি নামে পরিচিত। চা জিং ছিল চা নিয়ে লেখা বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। তবে ‘চা’ শব্দটির উৎপত্তি এসেছে চীনা ভাষার ‘চা’ উচ্চারণ থেকে, যা স্থলপথে ছড়িয়ে বিভিন্ন ভাষায় ‘চা’, ‘চাই’ বা ‘চায়ে’ রূপ নেয়।
শুধু চায়ের সমৃদ্ধ ইতিহাস নয়, এই দিবস পালনের আরেকটি কারণ হলো এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে মানুষকে জানানো।
চীনের হান সাম্রাজ্যে চা-কে ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। একই গাছ থেকে এলেও প্রক্রিয়াজাতকরণের ভিন্নতার কারণে ব্ল্যাক, গ্রিন, উলং কিংবা ভেষজ বা হার্বাল চায়ের মতো নানান পদের সৃষ্টি হয়েছে। আজকের এই দিনে মানুষ কেবল স্বাদ নয়, চায়ের স্বাস্থ্যগত দিকগুলো নিয়েও বেশ সচেতন।
বিশেষ করে গ্রিন টি ও হোয়াইট টি-তে থাকা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া আদা, লেবু বা বিভিন্ন মসলাযুক্ত ভেষজ চা সর্দিকাশি প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

চায়ের স্বাস্থ্যগত উপকারীতা যেমন আছে, ঠিক তেমন চা খেতেও সুস্বাদু। একই গাছ ‘ক্যামেলিয়া সিনেনসিস’ থেকে এলেও প্রক্রিয়াজাতকরণের ভিন্নতার কারণে চায়ের স্বাদ ও ধরণ পাল্টে যায়। বিশ্বজুড়ে মূলত চার ধরনের চায়ের প্রচলন বেশি- ব্ল্যাক টি, গ্রিন টি, হোয়াইট টি ও উলং টি।
চা-প্রেমীদের জন্য প্রতিদিনই গরম চা দিবস। তাই এই দিন উদযাপন করতে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। তবে দিনটিকে স্মরণীয় করতে কিছু ছোট উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। যেমন সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নিজের পছন্দের চা, তা হোক ধোয়া ওঠা দুধ চা, আদা চা কিংবা স্বাস্থ্যকর গ্রিন টি, আয়েশ করে পান করা।
তবে বৈচিত্র্য আনতে আজ গতানুগতিক চায়ের বদলে নতুন কোনো রেসিপি ট্রাই করা যেতে পারে। চায়ের সঙ্গে এলাচ, দারুচিনি, আদা বা লেবুর সংমিশ্রণ ঘটিয়ে নতুন ফ্লেভার তৈরি করতে পারেন।
বন্ধুদের নিয়ে আয়োজন করা যেতে পারে ছোট্ট একটি ‘টি পার্টি’র, যেখানে আধুনিক কিংবা ঐতিহ্যবাহী কায়দায় চা পরিবেশন করা হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে নিজের প্রিয় চায়ের কাপের ছবি তুলে হ্যাশট্যাগ দিয়ে পোস্ট করাও হতে পারে উদযাপনের অংশ। এগুলো কিছু করতে না চাইলে চায়ের কাপ হাতে প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন ব্যালকনিতে। শীতের এই সন্ধ্যায় ধোঁয়া ওঠা চায়ের গন্ধে মেতে উঠুক আমাদের চারপাশ, আর জমে উঠুক প্রিয়জনদের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডা। শুভ গরম চা দিবস!

কবীর সুমন গেয়েছিলেন, ‘এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই।’ সত্যি বলতে, চায়ের সঙ্গে বাঙালির সম্পর্ক খুব আপন। মায়ের হাতের স্পর্শ, প্রিয়জনের হাসি কিংবা পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা, এসব কিছুর সঙ্গেই যেন চায়ের গন্ধ জড়িয়ে থাকে।
আজ ১২ জানুয়ারি ‘গরম চা দিবস’ বা ‘হট টি ডে’। পানির পর পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ যে পানীয়টি পান করে, সেটি চা। যদিও চা বহু বছর ধরে মানুষের সঙ্গী, কিন্তু এই বিশেষ দিনটি পালিত হচ্ছে খুব বেশি দিন নয়। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘টি কাউন্সিল অব ইউএসএ’ প্রথম এই দিনটি পালনের উদ্যোগ নেয়।
এই দিনটি পালনের মূল কারণ চায়ের দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাস। ধারণা করা হয়, চায়ের জন্ম চীনে। লোককথা অনুযায়ী, খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৩৭ সালে চীনের সম্রাট শেন নাং গরম পানি পান করছিলেন। হঠাৎ কিছু পাতা উড়ে এসে পড়ল সেই পানিতে। পানির রং বদলে গেল, সুন্দর গন্ধ ছড়াল, আর পান করার পর তিনি অনুভব করলেন এক ধরনের সতেজতা। সেই পাতা থেকেই নাকি চায়ের শুরু।

চীনে চায়ের জনপ্রিয়তার আন্দাজ এভাবে করা যায় যে, ৮ম শতাব্দীতে বিখ্যাত চীনা লেখক লু ইউ চা নিয়ে একটি বই লেখেন। নাম দেন ‘চা জিং’। যা আজ ক্লাসিক অফ টি নামে পরিচিত। চা জিং ছিল চা নিয়ে লেখা বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ। তবে ‘চা’ শব্দটির উৎপত্তি এসেছে চীনা ভাষার ‘চা’ উচ্চারণ থেকে, যা স্থলপথে ছড়িয়ে বিভিন্ন ভাষায় ‘চা’, ‘চাই’ বা ‘চায়ে’ রূপ নেয়।
শুধু চায়ের সমৃদ্ধ ইতিহাস নয়, এই দিবস পালনের আরেকটি কারণ হলো এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে মানুষকে জানানো।
চীনের হান সাম্রাজ্যে চা-কে ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। একই গাছ থেকে এলেও প্রক্রিয়াজাতকরণের ভিন্নতার কারণে ব্ল্যাক, গ্রিন, উলং কিংবা ভেষজ বা হার্বাল চায়ের মতো নানান পদের সৃষ্টি হয়েছে। আজকের এই দিনে মানুষ কেবল স্বাদ নয়, চায়ের স্বাস্থ্যগত দিকগুলো নিয়েও বেশ সচেতন।
বিশেষ করে গ্রিন টি ও হোয়াইট টি-তে থাকা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া আদা, লেবু বা বিভিন্ন মসলাযুক্ত ভেষজ চা সর্দিকাশি প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

চায়ের স্বাস্থ্যগত উপকারীতা যেমন আছে, ঠিক তেমন চা খেতেও সুস্বাদু। একই গাছ ‘ক্যামেলিয়া সিনেনসিস’ থেকে এলেও প্রক্রিয়াজাতকরণের ভিন্নতার কারণে চায়ের স্বাদ ও ধরণ পাল্টে যায়। বিশ্বজুড়ে মূলত চার ধরনের চায়ের প্রচলন বেশি- ব্ল্যাক টি, গ্রিন টি, হোয়াইট টি ও উলং টি।
চা-প্রেমীদের জন্য প্রতিদিনই গরম চা দিবস। তাই এই দিন উদযাপন করতে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। তবে দিনটিকে স্মরণীয় করতে কিছু ছোট উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। যেমন সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নিজের পছন্দের চা, তা হোক ধোয়া ওঠা দুধ চা, আদা চা কিংবা স্বাস্থ্যকর গ্রিন টি, আয়েশ করে পান করা।
তবে বৈচিত্র্য আনতে আজ গতানুগতিক চায়ের বদলে নতুন কোনো রেসিপি ট্রাই করা যেতে পারে। চায়ের সঙ্গে এলাচ, দারুচিনি, আদা বা লেবুর সংমিশ্রণ ঘটিয়ে নতুন ফ্লেভার তৈরি করতে পারেন।
বন্ধুদের নিয়ে আয়োজন করা যেতে পারে ছোট্ট একটি ‘টি পার্টি’র, যেখানে আধুনিক কিংবা ঐতিহ্যবাহী কায়দায় চা পরিবেশন করা হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে নিজের প্রিয় চায়ের কাপের ছবি তুলে হ্যাশট্যাগ দিয়ে পোস্ট করাও হতে পারে উদযাপনের অংশ। এগুলো কিছু করতে না চাইলে চায়ের কাপ হাতে প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন ব্যালকনিতে। শীতের এই সন্ধ্যায় ধোঁয়া ওঠা চায়ের গন্ধে মেতে উঠুক আমাদের চারপাশ, আর জমে উঠুক প্রিয়জনদের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডা। শুভ গরম চা দিবস!
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
১০ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১২ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে