গতকাল (২৪ অক্টোবর) মুক্তি পেয়েছে কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের সপ্তম গান ‘ক্যাফে’। মহীনের ঘোড়াগুলির সম্পাদিত অ্যালবামের জনপ্রিয় গান ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’-কে এবার নতুনভাবে হাজির করা হয়েছে। এই গান প্রসঙ্গে স্ট্রিমের সঙ্গে কথা বলেছেন গানটির স্রষ্ট্রা গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী মিনতি চট্টোপাধ্যায় এবং সন্তান গৌরব চট্টোপাধ্যায় গাবু। গাবু কোক স্টুডিওর নতুন এই গানের গায়কদের একজন।
গৌতম কে শুভ

গতকাল মুক্তি পেয়েছে কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের সপ্তম গান ‘ক্যাফে’। পশ্চিমবাংলার বিখ্যাত ব্যান্ড মহীনের ঘোড়াগুলির সম্পাদিত অ্যালবামের জনপ্রিয় গান ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’-কে এবার নতুনভাবে হাজির করা হয়েছে। গানটির স্রষ্টা মহীনের ঘোড়াগুলির আদি ও প্রধান ‘ঘোড়া’ গৌতম চট্টোপাধ্যায়। ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত ‘ঝরা সময়ের গান’ অ্যালবামে এই গান প্রথম প্রকাশিত হয়। এরপর পশ্চিমবাংলার ‘কিছু সংলাপ কিছু প্রলাপ’ সিনেমাতেও গানটি ব্যবহৃত হয়েছিল।
এবার কোক স্টুডিও বাংলায় গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের এই গানটি কণ্ঠে তুলেছেন তানযীর তুহীন। ‘শিরোনামহীন’ ও পরবর্তী সময়ে ‘আভাস’ ব্যান্ডের ভোকাল তানযীর তুহীনকে এবারই প্রথম পাওয়া গেল কোক স্টুডিও বাংলায়।
কোক স্টুডিওতে গানটির নতুন সংগীতায়োজন করেছেন শুভেন্দু দাস শুভ। তাঁর করা নতুন সাউন্ডস্কেপে যুক্ত হয়েছে আফ্রো–কিউবান জ্যাজ ও লাতিন সালসার উপাদান। এতে তানযীর তুহীনের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন ব্রাজিলীয় শিল্পী লিভিয়া মাতোস আর গৌরব চট্টোপাধ্যায় গাবু। পশ্চিমবঙ্গের ব্যান্ড ‘লক্ষীছাড়া’-এর ড্রামার গাবু গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের সন্তান।

গৌতম চট্টোপাধ্যায় ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’ গানটিতে ব্যবহার করেছিলেন লাতিন আমেরিকান সংগীতধারার নানা উপাদান। গানের গ্রুভে, ভাব ও মেজাজে সেটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত লাতিন কম্পোজার এডি পালমিয়েরির অ্যালবাম এর ‘ক্যাফে’ গানটির কথা বলা যেতে পারে। সেই গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন ইসমেইল কুইনতানা। অনেক উপাদানের মধ্যে এই গানও একটি উপাদান হিসেবে ছিল গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’তে। কোক স্টুডিও বাংলার এই সংস্করণে ব্যবহৃত হয়েছে লাতিন গান ‘ক্যাফে’-এর অংশবিশেষ।
মহীনের ঘোড়াগুলির ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’ গানটি নিয়ে কথা হচ্ছিল গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী মিনতি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে গানটা যখন তৈরি হয়, তখন আমি সামনে থেকে তা দেখেছি। ইটস অ্যা ট্রিবিউট টু লাতিন আমেরিকান মিউজিক। এটাতে লাতিন মিউজিকের নানা উপাদান আছে। গৌতম বিভিন্ন ধরনের সংগীত পছন্দ করত, লাতিনের মিউজিক নিয়েও কাজ করেছে। বলা যায়, আমার প্রিয়া ক্যাফে ইন্সপায়ার্ড ফ্রম লাতিন আমেরিকান মিউজিক। আর একই সঙ্গে এটা কফি আর ক্যাফের প্রতিও এক ধরনের ট্রিবিউট। কারণ, গৌতম চট্টোপাধ্যায় দুটোই (কফি আর ক্যাফে) ভীষণ ভালোবাসত।’
কফি ও ক্যাফের প্রতি ট্রিবিউট প্রসঙ্গে মিনতি চট্টোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘সত্তর-আশির দশকে কলকাতার ক্যাফেতে আর ইউরোপে গিয়েও গৌতম চট্টোপাধ্যায় দেখেছিলেন, ক্যাফে আসলে এক ধরনের সাংস্কৃতিক পরিসর। যেখানে নানা ধরনের শিল্পী, লেখক, বুদ্ধিজীবী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, রাজনৈতিক চিন্তক একত্র হতেন। নানা রকম ভাবনার আদান–প্রদান হতো। কেউ কবিতা পড়ছেন, কেউ ছবি আঁকছেন, কেউ-বা সিনেমা নিয়ে আলোচনা করছেন। নতুন নতুন চিন্তা তৈরি হচ্ছে, সেটা রাজনৈতিক হোক বা বুদ্ধিবৃত্তিক।’
লক্ষীছাড়া ব্যান্ড এবং গৌরব চট্টোপাধ্যায় গাবু ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’গানটি কনসার্টেও পরিবেশন করেন। কোক স্টুডিও বাংলার ‘ক্যাফে’ গানে গাবু কণ্ঠ দিয়েছেন ও ড্রামস বাজিয়েছেন। তিনি জানালেন, ‘আমার জন্মের পর থেকেই ‘‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’’ আমার জার্নির একটা পার্ট। মেমরির কথা যদি বলি, এটা সম্ভবত আমার শোনা বাবার প্রথম গান। এটা তো আমার জন্য খুব বড় একটা ব্যাপার। পরে এই গানটারই একটা অংশ হয়ে গেছি আমি নিজেই। নিজের মতো করে গাই, নিজের মতো একটা এক্সপ্রেশন তৈরি হয়েছে। এবার অনেকে আবার নতুন করে গানটাকে ডিসকাভার করবে।’
কলকাতার প্রথম বাংলা ব্যান্ড মহীনের ঘোড়াগুলির দলনেতা গৌতম চট্টোপাধ্যায় ‘মণিদা’ নামেই সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। ১৯৯৯ সালের ২০ জুন তিনি মারা যান।
মহীনের ঘোড়াগুলির গান শুধু কলকাতা নয়, বাংলাদেশের তরুণদের কাছেও জনপ্রিয়। তাদের গানে ভিন্ন স্বাদের সুর আর এক বিকল্প নাগরিক অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। সেখানে প্রতিবাদ আছে, আবার প্রেমও আছে। আরও আছে বিপ্লব, দারিদ্র্য, অন্যায়-অবিচার, স্বাধীনতা থেকে সমাজচিন্তা—এ সব কিছুই। বাংলা সংগীতের জগতকে নতুন এক ধারা উপহার দেওয়ার পেছনে বড় অবদান যাঁর, তিনি গৌতম চট্টোপাধ্যায়। তিনি সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে কলকাতার বাংলা গানের নতুন সাউন্ডস্কেপ তৈরি করেছিলেন।

গৌতম চট্টোপাধ্যায় ছিলেন একাধারে ছিলেন গায়ক, সুরকার, গীতিকার, সংগীত পরিচালক ও চলচ্চিত্র পরিচালক। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গানের শ্রোতারা প্রথম জানতে পারেন, বাংলায় রক মানে স্যাক্সোফোনের সঙ্গে একতারা, লাতিন ছন্দের সঙ্গে লোকগান আর জ্যাজ ও ব্লুজের ‘বাংলা’ মানে।
গৌতম চট্টোপাধ্যায় প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াকালে পাশ্চাত্য ব্যান্ডের গান শুনতেন বন্ধুদের সঙ্গে। আবার অন্যদিকে বেদে-বৃহন্নলাদের গান, লোকাল ট্রেনের ভিক্ষাসংগীতও তাঁকে টানত সমানভাবে। সময় পেলেই গান শুনতে চলে যেতেন বাউল মেলায়। শুরু করেছিলেন গিটার বাজানো। সেই সূত্রে একসময় যুক্ত হন ‘আর্জ’ নামের একটি ব্যান্ডে।
এর মধ্যেই শুরু হয় নকশালবাড়ি আন্দোলন। গৌতম চট্টোপাধ্যায় তখন সরাসরি যুক্ত হয়েছিলেন এই আন্দোলনে। কিছুকাল আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে ধরা পড়েন, জেলও খাটেন। জেলে বসে কিছু গানও লিখেছিলেন। বছর দেড়েক পর বন্দিদশা থেকে ছাড়া পেয়ে কলকাতা ছাড়তে হয় তাঁকে। বছর দেড়েক পর চাকরি ছেড়ে ১৯৭৫ সালের মার্চের শেষে কিংবা এপ্রিলের শুরুর দিকে ফিরে আসেন আবার শহর কলকাতায়। এসেই গঠন করেন ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’।

গতকাল মুক্তি পেয়েছে কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের সপ্তম গান ‘ক্যাফে’। পশ্চিমবাংলার বিখ্যাত ব্যান্ড মহীনের ঘোড়াগুলির সম্পাদিত অ্যালবামের জনপ্রিয় গান ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’-কে এবার নতুনভাবে হাজির করা হয়েছে। গানটির স্রষ্টা মহীনের ঘোড়াগুলির আদি ও প্রধান ‘ঘোড়া’ গৌতম চট্টোপাধ্যায়। ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত ‘ঝরা সময়ের গান’ অ্যালবামে এই গান প্রথম প্রকাশিত হয়। এরপর পশ্চিমবাংলার ‘কিছু সংলাপ কিছু প্রলাপ’ সিনেমাতেও গানটি ব্যবহৃত হয়েছিল।
এবার কোক স্টুডিও বাংলায় গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের এই গানটি কণ্ঠে তুলেছেন তানযীর তুহীন। ‘শিরোনামহীন’ ও পরবর্তী সময়ে ‘আভাস’ ব্যান্ডের ভোকাল তানযীর তুহীনকে এবারই প্রথম পাওয়া গেল কোক স্টুডিও বাংলায়।
কোক স্টুডিওতে গানটির নতুন সংগীতায়োজন করেছেন শুভেন্দু দাস শুভ। তাঁর করা নতুন সাউন্ডস্কেপে যুক্ত হয়েছে আফ্রো–কিউবান জ্যাজ ও লাতিন সালসার উপাদান। এতে তানযীর তুহীনের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন ব্রাজিলীয় শিল্পী লিভিয়া মাতোস আর গৌরব চট্টোপাধ্যায় গাবু। পশ্চিমবঙ্গের ব্যান্ড ‘লক্ষীছাড়া’-এর ড্রামার গাবু গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের সন্তান।

গৌতম চট্টোপাধ্যায় ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’ গানটিতে ব্যবহার করেছিলেন লাতিন আমেরিকান সংগীতধারার নানা উপাদান। গানের গ্রুভে, ভাব ও মেজাজে সেটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত লাতিন কম্পোজার এডি পালমিয়েরির অ্যালবাম এর ‘ক্যাফে’ গানটির কথা বলা যেতে পারে। সেই গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন ইসমেইল কুইনতানা। অনেক উপাদানের মধ্যে এই গানও একটি উপাদান হিসেবে ছিল গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’তে। কোক স্টুডিও বাংলার এই সংস্করণে ব্যবহৃত হয়েছে লাতিন গান ‘ক্যাফে’-এর অংশবিশেষ।
মহীনের ঘোড়াগুলির ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’ গানটি নিয়ে কথা হচ্ছিল গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী মিনতি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে গানটা যখন তৈরি হয়, তখন আমি সামনে থেকে তা দেখেছি। ইটস অ্যা ট্রিবিউট টু লাতিন আমেরিকান মিউজিক। এটাতে লাতিন মিউজিকের নানা উপাদান আছে। গৌতম বিভিন্ন ধরনের সংগীত পছন্দ করত, লাতিনের মিউজিক নিয়েও কাজ করেছে। বলা যায়, আমার প্রিয়া ক্যাফে ইন্সপায়ার্ড ফ্রম লাতিন আমেরিকান মিউজিক। আর একই সঙ্গে এটা কফি আর ক্যাফের প্রতিও এক ধরনের ট্রিবিউট। কারণ, গৌতম চট্টোপাধ্যায় দুটোই (কফি আর ক্যাফে) ভীষণ ভালোবাসত।’
কফি ও ক্যাফের প্রতি ট্রিবিউট প্রসঙ্গে মিনতি চট্টোপাধ্যায় আরও বলেন, ‘সত্তর-আশির দশকে কলকাতার ক্যাফেতে আর ইউরোপে গিয়েও গৌতম চট্টোপাধ্যায় দেখেছিলেন, ক্যাফে আসলে এক ধরনের সাংস্কৃতিক পরিসর। যেখানে নানা ধরনের শিল্পী, লেখক, বুদ্ধিজীবী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, রাজনৈতিক চিন্তক একত্র হতেন। নানা রকম ভাবনার আদান–প্রদান হতো। কেউ কবিতা পড়ছেন, কেউ ছবি আঁকছেন, কেউ-বা সিনেমা নিয়ে আলোচনা করছেন। নতুন নতুন চিন্তা তৈরি হচ্ছে, সেটা রাজনৈতিক হোক বা বুদ্ধিবৃত্তিক।’
লক্ষীছাড়া ব্যান্ড এবং গৌরব চট্টোপাধ্যায় গাবু ‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’গানটি কনসার্টেও পরিবেশন করেন। কোক স্টুডিও বাংলার ‘ক্যাফে’ গানে গাবু কণ্ঠ দিয়েছেন ও ড্রামস বাজিয়েছেন। তিনি জানালেন, ‘আমার জন্মের পর থেকেই ‘‘আমার প্রিয়া ক্যাফে’’ আমার জার্নির একটা পার্ট। মেমরির কথা যদি বলি, এটা সম্ভবত আমার শোনা বাবার প্রথম গান। এটা তো আমার জন্য খুব বড় একটা ব্যাপার। পরে এই গানটারই একটা অংশ হয়ে গেছি আমি নিজেই। নিজের মতো করে গাই, নিজের মতো একটা এক্সপ্রেশন তৈরি হয়েছে। এবার অনেকে আবার নতুন করে গানটাকে ডিসকাভার করবে।’
কলকাতার প্রথম বাংলা ব্যান্ড মহীনের ঘোড়াগুলির দলনেতা গৌতম চট্টোপাধ্যায় ‘মণিদা’ নামেই সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। ১৯৯৯ সালের ২০ জুন তিনি মারা যান।
মহীনের ঘোড়াগুলির গান শুধু কলকাতা নয়, বাংলাদেশের তরুণদের কাছেও জনপ্রিয়। তাদের গানে ভিন্ন স্বাদের সুর আর এক বিকল্প নাগরিক অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। সেখানে প্রতিবাদ আছে, আবার প্রেমও আছে। আরও আছে বিপ্লব, দারিদ্র্য, অন্যায়-অবিচার, স্বাধীনতা থেকে সমাজচিন্তা—এ সব কিছুই। বাংলা সংগীতের জগতকে নতুন এক ধারা উপহার দেওয়ার পেছনে বড় অবদান যাঁর, তিনি গৌতম চট্টোপাধ্যায়। তিনি সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে কলকাতার বাংলা গানের নতুন সাউন্ডস্কেপ তৈরি করেছিলেন।

গৌতম চট্টোপাধ্যায় ছিলেন একাধারে ছিলেন গায়ক, সুরকার, গীতিকার, সংগীত পরিচালক ও চলচ্চিত্র পরিচালক। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গানের শ্রোতারা প্রথম জানতে পারেন, বাংলায় রক মানে স্যাক্সোফোনের সঙ্গে একতারা, লাতিন ছন্দের সঙ্গে লোকগান আর জ্যাজ ও ব্লুজের ‘বাংলা’ মানে।
গৌতম চট্টোপাধ্যায় প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াকালে পাশ্চাত্য ব্যান্ডের গান শুনতেন বন্ধুদের সঙ্গে। আবার অন্যদিকে বেদে-বৃহন্নলাদের গান, লোকাল ট্রেনের ভিক্ষাসংগীতও তাঁকে টানত সমানভাবে। সময় পেলেই গান শুনতে চলে যেতেন বাউল মেলায়। শুরু করেছিলেন গিটার বাজানো। সেই সূত্রে একসময় যুক্ত হন ‘আর্জ’ নামের একটি ব্যান্ডে।
এর মধ্যেই শুরু হয় নকশালবাড়ি আন্দোলন। গৌতম চট্টোপাধ্যায় তখন সরাসরি যুক্ত হয়েছিলেন এই আন্দোলনে। কিছুকাল আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে ধরা পড়েন, জেলও খাটেন। জেলে বসে কিছু গানও লিখেছিলেন। বছর দেড়েক পর বন্দিদশা থেকে ছাড়া পেয়ে কলকাতা ছাড়তে হয় তাঁকে। বছর দেড়েক পর চাকরি ছেড়ে ১৯৭৫ সালের মার্চের শেষে কিংবা এপ্রিলের শুরুর দিকে ফিরে আসেন আবার শহর কলকাতায়। এসেই গঠন করেন ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৯ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১১ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে