পূর্ব বাংলার ক্ষেত্রে, পুরো বদ্বীপের মানুষের মধ্যে কিছু জায়গায় ঐক্য রয়েছে–জীবনযাপন ও রাজনীতিতে। আবার কিছু ভিন্নতাও রয়েছে। যেমন, পশ্চিম বাংলার ভূমি যেখানে একটু অনুর্বর হয়েছে, সেখানে মানুষকে কৃষি বা অন্য পেশা বেছে নিতে হয়েছে।
বিভিন্ন সময়ে বাইরে থেকে এসে উপমহাদেশের ইতিহাস বদলে দিয়েছেন এমন জাতি ও ব্যক্তির সংখ্যা অনেক। সেই অনুপাতে এই বঙ্গীয়-বদ্বীপ ছিল অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী ও দুর্গম। সমূদ্রপথে এই অঞ্চলের সঙ্গে বাইরের পৃথিবীর বাণিজ্য যোগাযোগ ছিল প্রাচীনকাল থেকেই।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বাংলাদেশে বন্যার প্রার্দুভাব, মৌসুমি ঝড় ও খরা বৃদ্ধি পেয়েছে-এমন প্রচলিত ধারণা সঠিক নয়। অন্যদিকে বিশ্বে যখন পানির সংকট নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন বাংলাদেশে বিশুদ্ধ পানির প্রাচুর্যের বিষয়টি এর জন্য বিশেষ সম্পদে রূপান্তরিত হয়ে উঠতে পারে।
বই আলোচনা
সেদিক দিয়ে ইকবালের এই প্রচেষ্টা বাংলার পরিবেশতাত্ত্বিক ইতিহাস রচনার প্রথম প্রয়াস। এর আগে মূলধারার বেশির ভাগ ইতিহাসবিদ ও পণ্ডিত পরিবেশকে শুধু পটভূমি হিসেবে বর্ণনা করার মাঝেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখেছেন। তাঁরা পরিবেশকে একটি অপরিবর্তনশীল বিষয় হিসেবে দেখেছেন। কিন্তু ইকবালই প্রথম বাংলা বদ্বীপের ক্ষেত্রে
দুই দিনব্যাপী ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৫‘ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকাল সোয়া ৯টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের গ্রান্ড বলরুমে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশন শুরু হয়।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার এবং কার্যকর গণতন্ত্রের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, `বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দীপনা ও দৃঢ় সংকল্প ২০২৪ কিংবা ১৯৯১-এর আগের পুরোনো রাজনীতি ফিরতে দেবে না।‘