স্ট্রিম প্রতিবেদক

যারা-ই হামলা চালাক না কেন, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে স্পষ্টতই হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নুরুল হক নুরকে দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা আঘাত করেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল নুরকে হত্যা করা—এটা স্পষ্ট।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মির্জা ফখরুল। তাঁর ভাষায়, ‘একটা গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি এ ধরনের হামলা হয়, আমাদের নেতাদের ওপর যদি আক্রমণ অব্যাহত থাকে, তবে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নুরুল হকের ওপর হামলার ঘটনায় যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে, সেটির কাজ দ্রুত শেষ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
এছাড়া নুরুল হকের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দেশের বাইরে পাঠাতে সরকারকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পরেও ল ইনফোর্সমেন্ট এজেন্সিস যদি আমাদের নেতাদের ওপরে এভাবে আক্রমণ করে, তাহলে সাধারণ মানুষকে কী করছে চিন্তা করেন। এটা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। অতি দ্রুত চিফ অ্যাডভাইজার যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দিয়েছেন, সেটা দ্রুত শেষ করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমি সরকারের কাছে বলি, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে পাঠানো দরকার।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জাপার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকসহ অনেকে আহত হন। এতে নুরুল হকের মাথায় আঘাত লাগে এবং নাকের হাড় ভেঙে যায়। এরপর থেকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ঘটনার পর গণ অধিকার পরিষদের দাবি, জাপার নেতা-কর্মীরাই তাঁদের মিছিলে হামলা চালায়। অন্যদিকে জাপার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, গণ অধিকার পরিষদের মিছিল থেকেই আগে তাদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছিল।

যারা-ই হামলা চালাক না কেন, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে স্পষ্টতই হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নুরুল হক নুরকে দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা আঘাত করেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল নুরকে হত্যা করা—এটা স্পষ্ট।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মির্জা ফখরুল। তাঁর ভাষায়, ‘একটা গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি এ ধরনের হামলা হয়, আমাদের নেতাদের ওপর যদি আক্রমণ অব্যাহত থাকে, তবে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নুরুল হকের ওপর হামলার ঘটনায় যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে, সেটির কাজ দ্রুত শেষ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’
এছাড়া নুরুল হকের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দেশের বাইরে পাঠাতে সরকারকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পরেও ল ইনফোর্সমেন্ট এজেন্সিস যদি আমাদের নেতাদের ওপরে এভাবে আক্রমণ করে, তাহলে সাধারণ মানুষকে কী করছে চিন্তা করেন। এটা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। অতি দ্রুত চিফ অ্যাডভাইজার যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দিয়েছেন, সেটা দ্রুত শেষ করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমি সরকারের কাছে বলি, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে পাঠানো দরকার।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জাপার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকসহ অনেকে আহত হন। এতে নুরুল হকের মাথায় আঘাত লাগে এবং নাকের হাড় ভেঙে যায়। এরপর থেকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ঘটনার পর গণ অধিকার পরিষদের দাবি, জাপার নেতা-কর্মীরাই তাঁদের মিছিলে হামলা চালায়। অন্যদিকে জাপার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, গণ অধিকার পরিষদের মিছিল থেকেই আগে তাদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছিল।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৩ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে