জাইমা রহমানের বিড়ালের নামে ফেসবুক পেজবিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তাঁর পোষা বিড়াল ‘জেবু’। চালু করা হয়েছে ‘জেবু–দ্য ক্যাট’ নামের একটি ফেসবুক পেজ।
তারেক রহমানের সঙ্গে এল জেবু, বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যপরীক্ষাবিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরেছে পোষা বিড়াল ‘জেবু’। সাইবেরিয়ান জাতের বিড়ালটির আগমন ঘিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেওয়া হয় বিশেষ প্রস্তুতি। জেবুর স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য বিমানবন্দরে অপেক্ষয় ছিলেন প্রাণী চিকিৎসক
পোষ্য প্রাণী: তাদের খাদ্য এবং চিকিৎসায় যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবেমানুষের সঙ্গে প্রাণীর সখ্যতা আবহমান কালের। বর্তমানে আমাদের দেশে, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বাড়িতে পোষা প্রাণী বা ‘পেট’ রাখার প্রবণতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। নিঃসঙ্গতা কাটাতে কিংবা শখের বশে অনেকেই কুকুর, বিড়ল বা পাখি পালন করছেন।
শখের প্রাণীটি পোষা বৈধ তো? জানুন আইন, অপরাধ ও শাস্তিবগুড়ার দত্তবাড়িয়ায় বিড়ালকে জবাই করে হত্যা কিংবা পাবনার ঈশ্বরদীতে সদ্যজাত আটটি কুকুর ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে মেরে ফেলার ঘটনা—সম্প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সন্তান হারিয়ে মা কুকুরের আর্তনাদের ভিডিও নাড়া দিয়েছে মানুষের বিবেককে।
শহুরে মধ্যবিত্তরা যে কারণে ‘প্রাণীপ্রেমী’ হয়ে উঠলকিছুদিন আগে ফেসবুকে ভাইরাল হয় একটি খবর। পাবনার ঈশ্বরদীতে সদ্যজাত আটটি কুকুরছানা বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে মেরে ফেলার অভিযোগে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। আরও কিছুদিন আগে গ্রামীণ ফোনের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাঁর আশ্রিত বিড়ালকে নিচে ফেলে দিয়ে আহত করার প্রতিবাদ করেন এক তরুণী।
ধানমন্ডিতে বিড়ালের চোখ উপড়ে ফেলার ঘটনায় মানববন্ধন কর্মসূচিরাজধানীর ধানমন্ডি লেক ও এর আশপাশে গত কয়েকদিনের ব্যবধানে পরপর চারটি বিড়ালের খোঁজ পাওয়া গেছে; যেগুলোর একটিরও চোখ নেই। এটি নিছক কোনো দুর্ঘটনা নয় বলেই মনে করছেন প্রাণিগুলোকে উদ্ধার ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া ব্যক্তিরা।
একের পর এক বিড়ালের চোখ উপড়ে ফেলছে কেগত কয়েকদিনে রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে পরপর চারটি আহত বিড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। যেগুলোর একটিরও চোখ নেই। এটি নিছক কোনো দুর্ঘটনা নয় বলেই মনে করছেন প্রাণিগুলোকে উদ্ধারকারী ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া ব্যক্তিরা। তাদের ধারণা, এর পেছনে থাকতে পারে কোনো ‘সাইকোপ্যাথ’ ব্যক্তির হাত, যে বিড়ালের কষ্টে আনন্দ পাচ্ছে।