জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

জাবিতে বিড়াল নিধন ও নিষ্ঠুরতা বন্ধে আইনি নোটিশ

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ২২
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সংগৃহীত ছবি

ক্যাম্পাসে বিড়াল নির্যাতন, অবৈধ স্থানান্তর বন্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) ‘এএলবি অ্যানিমেল শেল্টার’ নামে প্রাণিকল্যাণ সংস্থার পক্ষে ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তৌফিকুল ইসলাম খান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) সোহেল আহমেদ, প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম ও জাহানারা ইমাম হলের প্রোভোস্ট অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানকে পাঠানো নোটিশে বলা হয়, ক্যাম্পাসে বিড়ালের ওপর নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিষ্ঠুর আচরণ করা হচ্ছে, যা ‘প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯’ এবং সংবিধানের ১৮(এ) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন।

এতে বলা হয়, ক্যাম্পাসে অন্তঃসত্ত্বা বিড়ালকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া, পুরুষ বিড়ালের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলা, আবাসিক হলের ওপর তলা থেকে নিচে ফেলা, শরীরে গরম পানি এবং মোটরসাইকেল চাপা দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর জাহানারা ইমাম হলের প্রভোস্ট বিড়ালকে ‘অসহনীয় উপদ্রব’ উল্লেখ করে চিঠি দেন। ওই চিঠিতে বিড়াল অপসারণের যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তা প্রাণিকল্যাণ আইনের ৭ ও ৩ ধারার পরিপন্থী এবং বেআইনি।

নোটিশ পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ সম্পর্কিত পাঁচটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আইনানুগ প্রতিকার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ স্ট্রিমকে বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৃতি ও প্রাণ রক্ষায় একটি অনন্য জায়গা। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে যারা প্রাণী নিয়ে কাজ করে, তাদের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আমি নোটিশটি দেখেছি। নির্যাতনের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখছি।

তিনি বলেন, যারা এমন কাজ করছেন– তাদের প্রতি আমাদের উপদেশ– এমন কিছু করার আগে একবার হলেও আপনারা ভাববেন। তাদেরও তো প্রাণ রয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত