স্ট্রিম প্রতিবেদক

নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র স্ট্রিমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি, তিনিই হচ্ছেন দেশের পরবর্তী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। শপথ হওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার তিন মাসের মাথায় ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর সাবেক কূটনীতিক খলিলুর রহমানকে উপদেষ্টার মর্যাদায় রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি সংক্রান্ত ‘হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের’ দায়িত্ব দেওয়া হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে তাকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী করা হচ্ছে বলে মঙ্গলবার আলোচনা শুরু হয়। এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানা গেল।
১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম হওয়া খলিলুর রহমান ১৯৭৯ সালে কূটনৈতিক সার্ভিসে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া খলিলুর রহমান ১৯৮০–৮৩ সালে টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্লেচার স্কুল অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্টে অধ্যয়ন করেন এবং সেখান থেকে এমএ ইন ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি ও অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৩ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং স্বল্পোন্নত দেশসমূহের (এলডিসি) মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯১ সালে ড. খলিলুর রহমান জেনেভায় জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (ইউএনসিটিএডি) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে জাতিসংঘ সচিবালয়ে যোগ দেন। পরবর্তী ২৫ বছরে তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এর মধ্যে ছিল জাতিসংঘ মহাসচিবের নির্বাহী দপ্তরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান; প্রযুক্তি ব্যাংক বিষয়ক মহাসচিবের উচ্চপর্যায়ের গ্রুপের নির্বাহী সচিব; ইউএনসিটিএডির প্রযুক্তি বিভাগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান; জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনসিটিএডির ব্যুরো প্রধান; জাতিসংঘ সচিবালয়ে এলডিসি কর্মসূচির প্রধান; আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অশুল্ক বাধা বিষয়ক জাতিসংঘ আন্তঃসংস্থাগত গ্রুপের চেয়ার; বিশ্ব বাণিজ্যের নতুন ও গতিশীল খাতসমূহ বিষয়ক কর্মসূচির সমন্বয়কারীসহ বিভিন্ন দায়িত্ব।

নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র স্ট্রিমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি, তিনিই হচ্ছেন দেশের পরবর্তী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। শপথ হওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার তিন মাসের মাথায় ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর সাবেক কূটনীতিক খলিলুর রহমানকে উপদেষ্টার মর্যাদায় রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি সংক্রান্ত ‘হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের’ দায়িত্ব দেওয়া হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে তাকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী করা হচ্ছে বলে মঙ্গলবার আলোচনা শুরু হয়। এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানা গেল।
১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম হওয়া খলিলুর রহমান ১৯৭৯ সালে কূটনৈতিক সার্ভিসে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়া খলিলুর রহমান ১৯৮০–৮৩ সালে টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্লেচার স্কুল অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্টে অধ্যয়ন করেন এবং সেখান থেকে এমএ ইন ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি ও অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৩ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং স্বল্পোন্নত দেশসমূহের (এলডিসি) মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯১ সালে ড. খলিলুর রহমান জেনেভায় জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (ইউএনসিটিএডি) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে জাতিসংঘ সচিবালয়ে যোগ দেন। পরবর্তী ২৫ বছরে তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এর মধ্যে ছিল জাতিসংঘ মহাসচিবের নির্বাহী দপ্তরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান; প্রযুক্তি ব্যাংক বিষয়ক মহাসচিবের উচ্চপর্যায়ের গ্রুপের নির্বাহী সচিব; ইউএনসিটিএডির প্রযুক্তি বিভাগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান; জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনসিটিএডির ব্যুরো প্রধান; জাতিসংঘ সচিবালয়ে এলডিসি কর্মসূচির প্রধান; আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অশুল্ক বাধা বিষয়ক জাতিসংঘ আন্তঃসংস্থাগত গ্রুপের চেয়ার; বিশ্ব বাণিজ্যের নতুন ও গতিশীল খাতসমূহ বিষয়ক কর্মসূচির সমন্বয়কারীসহ বিভিন্ন দায়িত্ব।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে