উত্তরা-মিরপুর ডিওএইচএস সড়কের নাম এখন ‘আহমদ ছফা সরণি’ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে মেট্রোরেল উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস এমপি চেকপোস্ট পর্যন্ত সড়কের নামকরণ করা হয়েছে প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও লেখক আহমদ ছফার নামে। সড়কটির নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘আহমদ ছফা সরণি’।২১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক ও পরিবর্তনশীল সময়ের বুদ্ধিজীবিতাএই প্রজন্মের পাঠকের কাছে রাজ্জাক স্যারকে ঠিক কোন পরিচয়ে তুলে ধরাটা উচিত হবে তা নিয়ে আমি নিজেই কিছুটা সন্দিহান! শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, লেখক, আড্ডারু না গুরুদের গুরু? সব পরিচয়ই তাঁর জন্য উপযুক্ত।২৮ নভেম্বর ২০২৫
অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক কেন লিখলেন নাঅধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক সারা জীবনে প্রায় কিছুই লিখলেন না। শিক্ষকতা করলেন, দাবা খেললেন আর গল্প করে গেলেন। অথচ লেখার মতো অনেক কিছু তাঁর ছিল। তাঁর শেষ না করা পিএইচডি থিসিস দেখলে তাতে সন্দেহ থাকে না। কিন্তু তিনি আর কিছু লিখলেন না।২৮ নভেম্বর ২০২৫
অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক কেন প্রভাববিস্তারী চিন্তকদুই মেরুর দুই বাসিন্দা—আহমদ ছফা ও হুমায়ুন আজাদ; দুজনের মধ্যে প্রায়ই ধুন্ধুমার ঝগড়া লেগে যায়। পত্রিকায় সেসব বিবাদকাণ্ডের খবর আমরা পড়ি। নব্বইয়ের দশকে হঠাৎ একদিন খেয়াল হলো দুজন বিস্ময়করভাবে একই গুরুর ‘শিষ্য’; গুরুর নাম আব্দুর রাজ্জাক। হুমায়ুন আজাদ রাজ্জাকের একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন।২৮ নভেম্বর ২০২৫
যেভাবে তিনি তরুণদের প্রভাবিত করলেনবেঁচে থাকলে আহমদ ছফা কি জনপ্রিয় ফেসবুকার বা ইউটিউবার হতেন১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে সেই সময়ের শাসকদের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হয়েছিলেন ছফা। আবার বছরগুলোতে আমাদের দেশ যে স্বৈরশাসনের ছায়ায় ছিল, এ সময় বেঁচে থাকলে কেমন হতো ছফার ভূমিকা? কী রকম হতেন তিনি?২৮ জুলাই ২০২৫
বাংলাদেশে আহমদ ছফা দুজন আছে নাকি?আহমদ ছফাকে `বাংলার প্রমিথিউস’ বললে হয়তো বাড়াবাড়ি হবে না। স্বর্গ থেকে আগুন আনার মতো, সমাজের অচলায়তন ভেঙে বারবার তিনি জ্বালতে চেয়েছিলেন বুদ্ধিবৃত্তির মশাল। `বাঙালি মুসলমানের মন’ থেকে `গাভী বিত্তান্ত’সহ নানা বইয়ে সমাজের মধ্যে থাকা তিতা সত্য কথাগুলো অকপটে লিখে গেছেন তিনি।০২ জুলাই ২০২৫
আহমদ ছফা কেন তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেনএ কালের অনেক তরুণের মতো ছফাও বাঙালি জাতীয়তাবাদকে দাঁড় করিয়েছিলেন কাঠগড়ায়। জাতীয়তাবাদের প্রতীকসমূহের দিকে ছুড়ে দিয়েছিলেন সমালোচনামূলক ভাষ্য। জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল, গোষ্ঠী, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মতাদর্শ—সব কিছুকেই তিনি পাঠযোগ্য করে তুলেছেন।৩০ জুন ২০২৫