গণভোটের ফলাফলেই নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশ: ফারুক-ই-আজমগণভোটের ইতিবাচক ফলাফলের ভিত্তিতেই আগামীর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, বীর প্রতীক। তিনি বৈষম্যহীন দেশ গড়তে সবাইকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় সুজন ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি, অর্থায়ন করবে ব্যাংকআগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা শুরু করেছে দেশের ব্যাংকগুলো।
‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারের সমালোচনায় যা বলছে সরকারপ্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের ওপর আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—যে সিদ্ধান্তের ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেই সিদ্ধান্তের একটি পক্ষে সরকার নিজেই প্রচারণা চালানো কতটা যুক্তিসংগত।
‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে বাধা নেই সরকারি কর্মচারীদের: আলী রীয়াজগণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় দেখা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি কর্মচারীদের ওপর কোনো আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই।
জুলাই সনদ থেকে আসন্ন গণভোট, সরকারের পক্ষপাতত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটে সরকার 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে নির্বাচনে 'লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড' থাকছে কিনা এই প্রশ্ন উঠছে।
কী আছে গণভোট অধ্যাদেশেজুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই গণভোট হবে। এজন্য গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে। এই অধ্যাদেশ মূলত একটি রাষ্ট্রপতি আদেশ, যা বাংলাদেশের প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংস্কার বিষয়ে জাতীয় গণভোট আয়োজনের আইনগত কাঠামো নির্ধারণ করে দিবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’, কার জয়ে কী ঘটবেবাংলাদেশের আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটটি হলো ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সাংবিধানিক সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর অনুমোদন বিষয়ে একটি গণভোট।
এই গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের আগামী দিনের পথচলাসম্প্রতি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি গণভোট আয়োজনের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। আসন্ন সংসদ নির্বাচনের দিনে বা তার আগেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, যা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।