স্ট্রিম প্রতিবেদক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা শুরু করেছে দেশের ব্যাংকগুলো। প্রতিটি শাখার সামনে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ফেস্টুন ও ব্যানার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক ব্যাংক এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেছে।
পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গঠনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসিকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দিচ্ছে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সিএসআর তহবিল থেকে অর্থায়ন
সূত্রমতে, প্রচার-প্রচারণা ও বিতর্কের মাধ্যমে জনমত গঠনে কাজ করবে সুজন ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। এ কার্যক্রমের ব্যয় মেটানো হবে ব্যাংকগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহের রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) এক বৈঠক হয়। সভায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি শাখায় অন্তত দুটি করে ব্যানার টাঙানোর কথা বলা হয়।
যেভাবে এলো সুজন ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির নাম
গত সোমবার এবিবি নেতাদের সঙ্গে গভর্নরের আবারও সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে চান এবং এর জন্য অর্থায়ন প্রয়োজন। তবে ব্যাংকগুলোর এমডিরা সরাসরি শিক্ষার্থীদের অর্থায়নে সম্মত হননি।
পরবর্তীতে সিএসআর তহবিল থেকে ‘সুজন’ ও ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’কে আড়াই কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ অর্থের বিনিময়ে সুজন দেশজুড়ে প্রচারণা চালাবে। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি গণভোট বিষয়ে একাধিক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নির্দেশনা
এর আগে ৫ জানুয়ারি গণভোটের প্রচারণার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবি-কে (বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস) চিঠি দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এ লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলোর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শাখায় দুটি করে ব্যানার প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়।
৪ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাঁর বিশেষ সহকারী ও গণভোট সংক্রান্ত প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়কের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দেন প্রধান উপদেষ্টা।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা শুরু করেছে দেশের ব্যাংকগুলো। প্রতিটি শাখার সামনে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ফেস্টুন ও ব্যানার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক ব্যাংক এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেছে।
পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গঠনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসিকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দিচ্ছে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সিএসআর তহবিল থেকে অর্থায়ন
সূত্রমতে, প্রচার-প্রচারণা ও বিতর্কের মাধ্যমে জনমত গঠনে কাজ করবে সুজন ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। এ কার্যক্রমের ব্যয় মেটানো হবে ব্যাংকগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল থেকে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহের রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) এক বৈঠক হয়। সভায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি শাখায় অন্তত দুটি করে ব্যানার টাঙানোর কথা বলা হয়।
যেভাবে এলো সুজন ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির নাম
গত সোমবার এবিবি নেতাদের সঙ্গে গভর্নরের আবারও সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে চান এবং এর জন্য অর্থায়ন প্রয়োজন। তবে ব্যাংকগুলোর এমডিরা সরাসরি শিক্ষার্থীদের অর্থায়নে সম্মত হননি।
পরবর্তীতে সিএসআর তহবিল থেকে ‘সুজন’ ও ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’কে আড়াই কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ অর্থের বিনিময়ে সুজন দেশজুড়ে প্রচারণা চালাবে। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি গণভোট বিষয়ে একাধিক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নির্দেশনা
এর আগে ৫ জানুয়ারি গণভোটের প্রচারণার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবি-কে (বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস) চিঠি দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এ লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলোর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শাখায় দুটি করে ব্যানার প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়।
৪ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাঁর বিশেষ সহকারী ও গণভোট সংক্রান্ত প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়কের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দেন প্রধান উপদেষ্টা।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে