স্ট্রিম প্রতিবেদক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা সম্প্রীতির ঐক্য নামে প্যানেল ঘোষণা করেছে। এতে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থী হয়েছেন ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের একাংশের সাবেক সভাপতি অমর্ত্য রায় জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে (জিএস) প্রার্থী হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি শরণ এহসান।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংশপ্তক ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে জাবি সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রাপ্তি তাপসী এ প্যানেল ঘোষণা করেন ।
প্যানেলে ছাত্র ইউনিয়ন, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট, জাহাঙ্গীরনগর ফটোগ্রাফি সোসাইটি, জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদ, বাংলাদেশ কোচ-রাজবংশী-বর্মন সংগঠন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার (অডিটোরিয়াম), জলসিঁড়ি, গণকৃষ্টি, ইন্ডিজেনাস স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশন ও চলচ্চিত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী রয়েছে।
প্যানেলে ১১ জন নারী শিক্ষার্থী রয়েছেন। ‘আদিবাসী’ শিক্ষার্থী রয়েছেন ৭ জন। এদের মধ্যে ৩জন বৌদ্ধ, ২ জন খ্রিস্টানসহ ৬ জন সনাতন ধর্মাবলম্বীর শিক্ষার্থীও রয়েছে। তাঁদের প্যানেলে ক্রীড়া সম্পাদক পদে কোনো প্রার্থী নেই।
প্যানেল ঘোষণা শেষে ভিপি প্রার্থী অমর্ত্য রায় বলেন, ‘সকল মতের পথের মানুষদেরকে নিয়ে আমরা জাকসু নির্বাচনে বেরিয়ে আসতে চাই। সেই বার্তা আপনারা ইতিমধ্যে পেয়েছেন। আমরা এমন একটি জাকসু চাই যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতা কাঠামোর ভারসাম্য বজায় থাকবে, শিক্ষকদের যে একচেটিয়া আধিপত্য সেখান থেকে বেরিয়ে আসা যাবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য এবং জাহাঙ্গীরনগরকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য যা প্রয়োজন আমরা সেগুলোকে আমাদের ইশতেহারে রাখার চেষ্টা করেছি।’
এছাড়া সম্প্রীতির ঐক্য প্যানেলে সহ-সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে নূর-এ তামীম স্রোত, সহ-সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ফারিয়া জামান, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে সুকান্ত বর্মণ, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে সোমা ডুমরী, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে আতিকুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোছা. রাহাতুল ফেরদৌস, সহ- সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মায়মুনা বিনতে সাইফুল প্রার্থী হয়েছেন।
নাট্য সম্পাদক পদে ইগিমি চাকমা, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী) পদে প্রত্যাশা ত্রিপুরা, সহ - ক্রীড়া সম্পাদক (পুরুষ) পদে রেংথ্রি ম্রো, তথ্য-প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মো. মাহফুজ আহমেদ, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে আবরার হক বিন সাজেদ, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (নারী) পদে মায়িশা মনি, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (পুরুষ) পদে মো. তাজুন ইসলাম, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক পদে লাবিবা মুবাশশিরা ইশাদি, পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে সিমান্ত বর্ধন প্রার্থী হয়েছেন।
এছাড়াও নারীদের জন্য নির্ধারিত তিনটি কার্যকরী সদস্য পদে আরিফা জান্নাত মুক্তা, আনিকা তাবাসসুম ফারাবী, আদৃতা রায় প্রার্থী হয়েছেন। আর ছেলেদের জন্য নির্ধারিত তিনটি কার্যকরী সদস্য পদে নিহ্লা অং মারমা, সৈকত কুমার কানু ও এরফানুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন।
এদিকে, প্যানেল ঘোষণা শেষে ২৯ দফা ইশতেহার দেন জিএস প্রার্থী শরণ এহসান। ইশতেহারে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু এবং উপস্থিতি নম্বর সর্বোচ্চ ৫% এ সীমিত করার জোরাল পদক্ষেপ গ্রহণ ; শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতির আমূল, গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে ফলাফল নির্ভরতা কমিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনকে প্রাধান্য দিয়ে নিয়োগের ব্যবস্থা চালু; উইকেন্ড ও বাণিজ্যিক কোর্স বাতিলের স্বপক্ষে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে সেশনজটের সর্বগ্রাসী ভোগান্তি দূর করা ; সকল বিভাগের ক্লাসরুম সংকট নিরসনের লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া; ফিল্ড ওয়ার্কের পুরো ব্যয় ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক বহন নিশ্চিত করা; মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ সহজতর করা, ফলাফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রিতা দূর করা এবং সকল পরীক্ষার ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা; থিসিস প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ফলাফলের কঠোর বাধ্যবাধকতা শিথিল করা; সম্পূরক শিক্ষাবৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা; বিভাগগুলোতে শিক্ষার্থীবান্ধব পর্যাপ্ত জেনারেল ল্যাব এবং রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের দাবি জানানো।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসা কেন্দ্র ওরফে নাপা সেন্টারকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তর এবং স্বাস্থ্য বীমা কার্যকর করতে কাজ করা; হলের ডাইনিং ও ক্যান্টিনে ভর্তুকি বৃদ্ধি; নারীদের পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা; টিএসসি, মুক্তমঞ্চ, অডিটোরিয়ামের অবকাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ; ভরাট হয়ে যাওয়া ক্যাম্পাসের সকল লেক দ্রুত খনন ও অতিথি পাখির অভয়ারণ্য পুনরুদ্ধার; ক্যাম্পাসের সব রাস্তা সংস্কার এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব ফুটপাত নিশ্চিতে কাজ করে যাব; নারী হলে সান্ধ্য আইন সংক্রান্ত হয়রানিসহ সকল স্তরে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য দূর করা; প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের চলাফেরা ও একাডেমিক কার্যক্রমের সুবিধার্থে কুইক রেসপন্স পদ্ধতিতে সংরক্ষিত কার্ট চালু এবং ব্রেইল ও শ্রুতিলেখক পদ্ধতি নিশ্চিত করা; বিবাহিত শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য অংশীজনদের ভোগান্তি নিরসনে কার্যকর ‘ডে কেয়ার সেন্টার’ স্থাপনে উদ্যোগ নেওয়া; আদিবাসীসহ সকল শিক্ষার্থীদের প্রধান প্রধান উৎসবে ছুটি এবং তাদের সকল ধরনের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের প্রতি সংহতি গড়ে তোলা; সকল ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় সংস্কার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সর্বপরি ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা সম্প্রীতির ঐক্য নামে প্যানেল ঘোষণা করেছে। এতে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থী হয়েছেন ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের একাংশের সাবেক সভাপতি অমর্ত্য রায় জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে (জিএস) প্রার্থী হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি শরণ এহসান।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংশপ্তক ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে জাবি সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রাপ্তি তাপসী এ প্যানেল ঘোষণা করেন ।
প্যানেলে ছাত্র ইউনিয়ন, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট, জাহাঙ্গীরনগর ফটোগ্রাফি সোসাইটি, জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদ, বাংলাদেশ কোচ-রাজবংশী-বর্মন সংগঠন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার (অডিটোরিয়াম), জলসিঁড়ি, গণকৃষ্টি, ইন্ডিজেনাস স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশন ও চলচ্চিত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী রয়েছে।
প্যানেলে ১১ জন নারী শিক্ষার্থী রয়েছেন। ‘আদিবাসী’ শিক্ষার্থী রয়েছেন ৭ জন। এদের মধ্যে ৩জন বৌদ্ধ, ২ জন খ্রিস্টানসহ ৬ জন সনাতন ধর্মাবলম্বীর শিক্ষার্থীও রয়েছে। তাঁদের প্যানেলে ক্রীড়া সম্পাদক পদে কোনো প্রার্থী নেই।
প্যানেল ঘোষণা শেষে ভিপি প্রার্থী অমর্ত্য রায় বলেন, ‘সকল মতের পথের মানুষদেরকে নিয়ে আমরা জাকসু নির্বাচনে বেরিয়ে আসতে চাই। সেই বার্তা আপনারা ইতিমধ্যে পেয়েছেন। আমরা এমন একটি জাকসু চাই যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতা কাঠামোর ভারসাম্য বজায় থাকবে, শিক্ষকদের যে একচেটিয়া আধিপত্য সেখান থেকে বেরিয়ে আসা যাবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য এবং জাহাঙ্গীরনগরকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য যা প্রয়োজন আমরা সেগুলোকে আমাদের ইশতেহারে রাখার চেষ্টা করেছি।’
এছাড়া সম্প্রীতির ঐক্য প্যানেলে সহ-সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে নূর-এ তামীম স্রোত, সহ-সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ফারিয়া জামান, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে সুকান্ত বর্মণ, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে সোমা ডুমরী, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে আতিকুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোছা. রাহাতুল ফেরদৌস, সহ- সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মায়মুনা বিনতে সাইফুল প্রার্থী হয়েছেন।
নাট্য সম্পাদক পদে ইগিমি চাকমা, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী) পদে প্রত্যাশা ত্রিপুরা, সহ - ক্রীড়া সম্পাদক (পুরুষ) পদে রেংথ্রি ম্রো, তথ্য-প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মো. মাহফুজ আহমেদ, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে আবরার হক বিন সাজেদ, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (নারী) পদে মায়িশা মনি, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (পুরুষ) পদে মো. তাজুন ইসলাম, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক পদে লাবিবা মুবাশশিরা ইশাদি, পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে সিমান্ত বর্ধন প্রার্থী হয়েছেন।
এছাড়াও নারীদের জন্য নির্ধারিত তিনটি কার্যকরী সদস্য পদে আরিফা জান্নাত মুক্তা, আনিকা তাবাসসুম ফারাবী, আদৃতা রায় প্রার্থী হয়েছেন। আর ছেলেদের জন্য নির্ধারিত তিনটি কার্যকরী সদস্য পদে নিহ্লা অং মারমা, সৈকত কুমার কানু ও এরফানুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন।
এদিকে, প্যানেল ঘোষণা শেষে ২৯ দফা ইশতেহার দেন জিএস প্রার্থী শরণ এহসান। ইশতেহারে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু এবং উপস্থিতি নম্বর সর্বোচ্চ ৫% এ সীমিত করার জোরাল পদক্ষেপ গ্রহণ ; শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতির আমূল, গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে ফলাফল নির্ভরতা কমিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনকে প্রাধান্য দিয়ে নিয়োগের ব্যবস্থা চালু; উইকেন্ড ও বাণিজ্যিক কোর্স বাতিলের স্বপক্ষে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করে সেশনজটের সর্বগ্রাসী ভোগান্তি দূর করা ; সকল বিভাগের ক্লাসরুম সংকট নিরসনের লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া; ফিল্ড ওয়ার্কের পুরো ব্যয় ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক বহন নিশ্চিত করা; মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ সহজতর করা, ফলাফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রিতা দূর করা এবং সকল পরীক্ষার ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা; থিসিস প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ফলাফলের কঠোর বাধ্যবাধকতা শিথিল করা; সম্পূরক শিক্ষাবৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা; বিভাগগুলোতে শিক্ষার্থীবান্ধব পর্যাপ্ত জেনারেল ল্যাব এবং রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগের দাবি জানানো।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসা কেন্দ্র ওরফে নাপা সেন্টারকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তর এবং স্বাস্থ্য বীমা কার্যকর করতে কাজ করা; হলের ডাইনিং ও ক্যান্টিনে ভর্তুকি বৃদ্ধি; নারীদের পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা; টিএসসি, মুক্তমঞ্চ, অডিটোরিয়ামের অবকাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ; ভরাট হয়ে যাওয়া ক্যাম্পাসের সকল লেক দ্রুত খনন ও অতিথি পাখির অভয়ারণ্য পুনরুদ্ধার; ক্যাম্পাসের সব রাস্তা সংস্কার এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব ফুটপাত নিশ্চিতে কাজ করে যাব; নারী হলে সান্ধ্য আইন সংক্রান্ত হয়রানিসহ সকল স্তরে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য দূর করা; প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের চলাফেরা ও একাডেমিক কার্যক্রমের সুবিধার্থে কুইক রেসপন্স পদ্ধতিতে সংরক্ষিত কার্ট চালু এবং ব্রেইল ও শ্রুতিলেখক পদ্ধতি নিশ্চিত করা; বিবাহিত শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য অংশীজনদের ভোগান্তি নিরসনে কার্যকর ‘ডে কেয়ার সেন্টার’ স্থাপনে উদ্যোগ নেওয়া; আদিবাসীসহ সকল শিক্ষার্থীদের প্রধান প্রধান উৎসবে ছুটি এবং তাদের সকল ধরনের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের প্রতি সংহতি গড়ে তোলা; সকল ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় সংস্কার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সর্বপরি ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা।
নুরুল হক নুরসহ দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে গণঅধিকার পরিষদ। আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) স্ট্রিমকে এ তথ্য জানিয়েছেন দলটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও দপ্তর সমন্বয়ক শাকিল উজ্জামান।
১ ঘণ্টা আগেমামুনুল হক শাপলা চত্বরের শহীদদের স্বীকৃতি, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, বাহাত্তরের সংবিধান, ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে কথা বলেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগেবিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচনের যে সময়টার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেই সময়েই হবে। আজ যদি নির্বাচন বন্ধ করা হয় বা নির্বাচন না হয়, তাহলে এই জাতি প্রচণ্ড রকমের ক্ষতিগ্রস্ত হবে ও ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার আশঙ্কা বাড়বে।’
১৮ ঘণ্টা আগে