প্যারোল বা জামিন: সাদ্দামের ক্ষেত্রে যা ঘটেছেঅবশেষে সাদ্দাম ফিরলেন তার প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে। ফিরলেন ৯ মাস বয়সী পুত্র সেজানের কাছে। কিন্তু ফিরতে হলো তাদের কবরের কাছে। দেশবাসীকে ছুঁয়েছে তাঁর মায়ের আক্ষেপ—‘এখন জামিন হওয়া আর না হওয়া সমান। বাড়ি এসে দেখবে ছেলে–বউয়ের কবর। তাহলে এই জামিন দিয়ে কী হবে?’
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এআই সন্ত্রাস: গণতন্ত্রের জন্য বিপদঢাকার একটি চায়ের দোকানে পাশাপাশি বসে তিনজন মধ্যবয়সী মানুষ মোবাইলের পর্দায় একটি ভিডিও দেখছিলেন। স্ক্রিনে একজন পরিচিত রাজনৈতিক নেতা কথা বলছেন। তার গলার আওয়াজ, মুখের ভাব, এমনকি বলার ঢং পর্যন্ত সম্পূর্ণ আসল নেতার মতো। কিন্তু কথার বিষয়বস্তু? এসব তিনি কখনো বলেননি। ভিডিওটি বানানো হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধি
সামনে নির্বাচন ও গণমাধ্যমের অগ্নিপরীক্ষাগণমাধ্যম চেষ্টা করেছে, কিন্তু তাদের সীমাবদ্ধতা ছিল পাহাড়সম। গণমাধ্যমের নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বার্থ, মালিকপক্ষের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাপ সবসময়ই ছিল। সব ক্ষেত্রে সেই চাপ মোকাবিলা করা সম্ভব হয় না।
ইনবক্সের বাইরে-৪রুটি, নীতি এবং এক হাজার টাকার গণতন্ত্রগণতন্ত্রের মহোৎসবে আজমলের কাছে ১ হাজার টাকার মূল্য অনেক বেশি। শোনা যায়, প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে যখন গণতন্ত্রের চর্চা হতো, তখন নাগরিকরা তাদের কাজ ফেলে ভোট দিতে যেত বলে তাদের নাকি রাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ দিত। আজমলের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কেউ নেই। তাঁর কাছে ব্যালট পেপারের চেয়ে দুই কেজি চালের দাম অনেক বেশি বাস্তব।
‘হ্যাঁ’-‘না’র রাজনীতি: ঐক্যের ভেতরে বিভাজন কেনগণভোট হওয়ার কথা ছিল জাতীয় ঐকমত্যের উৎসব। ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনীতির বিজয়গাথা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। গণভোট এখন নতুন বিভাজনের নাম। প্রশ্ন উঠেছে। কে কার পক্ষে? কে কার বিপক্ষে? আরেকটি প্রশ্ন আরও গভীর। পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং যারা নতুন ফ্যাসিবাদী শক্তি হয়ে উঠতে চায়-তারা কি সত্যিই ‘না’ ভোটকে কেন্দ্র কর
বিশ্ব রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্বর্ণের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাআন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম যে আউন্স প্রতি ৫০০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে, এমন ভবিষ্যৎবাণী আগে থেকেই ছিল বিশ্লেষকদের। ধারণার চেয়ে অনেকটা আগেভাগে হলেও তা সত্য হয়েছে। স্বভাবতই এর প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণবাজারে।
‘মব’ সহিংসতার বাংলাদেশস্বতঃস্ফূর্ত মব সহিংসতার পেছনে কি জাতীয় মানসিকতা কাজ করে? আমার মনে হয়, তিন ধরনের মানসিকতা। প্রথমটি হচ্ছে ক্ষোভের। যাপিত-জীবনের নানান দিকে বহু নানান বঞ্চনা, সমাজে ন্যায্যতার অভাব, অসাম্য ও বৈষম্য মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তোলে।
জনগণের পয়সায় মন্ত্রী-আমলাদের ফুটানি আর কতরাজধানীর বেইলি রোড, মিন্টো রোড ও হেয়ার রোড মন্ত্রিপাড়া হিসেবে পরিচিত। এসব এলাকার আবাসিক ভবনগুলোয় মন্ত্রীরা বসবাস করেন। বর্তমানে সেখানে আছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। বাড়িগুলো বনেদি। বিশাল জায়গাজুড়ে। খোলামেলা। কিন্তু তারপরও ভবিষ্যৎ সরকারের মন্ত
ট্রাম্প প্রশাসনের অন্দরমহলে নাৎসিবাদের ছায়াএকসময় যা ছিল উগ্রবাদী প্রচারপুস্তকের স্লোগান, আজ তা আমেরিকার রাষ্ট্রীয় ভাষ্য। ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে নাৎসি মতাদর্শ লালন ও প্রচারের অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
বাংলাদেশের সুতিকাগারের ভোটার ইতিহাসের পাশে দাঁড়িয়ে পরিবর্তনের যুক্তিকৃষি নির্ভর মেহেরপুর-মুজিবনগরের খেটে খাওয়া মানুষ এখন আর শুধু দল বদলের কথা বলছে না, তাদের চিন্তা বদলের কথা বলছে।
বাংলাদেশের শিক্ষা বাজেট: ঐতিহাসিক বঞ্চনা ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরাধীনতার স্বরূপযতদিন রাষ্ট্র শিক্ষাকে ‘খরচ’ না ভেবে ‘বিনিয়োগ’ হিসেবে না দেখবে এবং বাজেটে জিডিপির অন্তত ৫-৬ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করবে না, ততদিন বাংলাদেশ আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। আমাদের প্রকৌশলী বা চিকিৎসকরা গবেষণা করবে না এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি হবে না।
শিক্ষকেরাই কি বাংলাদেশের ‘জাতীয় শত্রু’নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, সাম্প্রতিক কালের বাংলাদেশে শিক্ষকদের ‘জাতীয় শত্রু’ হিসেবে দেখার যে প্রবণতা গড়ে উঠেছে, আখেরে তা শুভ কিছু বয়ে আনতে পারবে না। মাঝখান থেকে ভেঙে পড়বে শিক্ষার সহজাত বিন্যাস।
শিক্ষকের কথা বলার স্বাধীনতাশিক্ষাকাঠামোর আমূল পরিবর্তন এখন জরুরি। পরীক্ষা ও সনদ-নির্ভর ব্যবস্থার বদলে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত না করে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হতে হবে একে মনুষ্যত্বের বিকাশকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক দূরদর্শী সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোআজ আমরা ক্রীড়াঙ্গনের নানা সংকট নিয়ে কথা বলছি। আসলে বলছি না, বরং বলতে বাধ্য হচ্ছি। বিভিন্ন অনিয়ম ও কাঠামোগত দুর্বলতা আজ স্পষ্ট। পাশাপাশি দুর্বল প্রশাসন, রাজনৈতিক প্রভাব, পরিকল্পনার অভাব ইত্যাদি তো আছেই। এই দুরাবস্থা দেখে বর্তমান ক্রীড়াপ্রেমীদের মনে বারবার ভেসে ওঠে কোকোর নাম।
পাঠ্যপুস্তক কেমন হলে ফিরবে শেখার আনন্দবাংলাদেশের সকালগুলোতে একটি দৃশ্য খুবই সাধারণ: স্কুলের পথে শিশুরা ব্যাগ কাঁধে, চোখে আধো ঘুম, মাথায় হাজার রকম চাপ। এদের কেউ বইকে ভালোবাসে, কেউ বইকে ভয় পায়, কেউ বইয়ের পাতায় নিজের জীবনকে খানিকটা খুঁজে পায়।
বিক্ষোভের পাঠ: ইরানের শিক্ষা, পাকিস্তানের সতর্কতাপশ্চিমা বিশ্ব ইরানের ছোটখাটো বিক্ষোভ নিয়ে তোলপাড় করলেও পাকিস্তানের বিশাল গণআন্দোলন নিয়ে নীরব। কেন এই দ্বিচারিতা? জুনায়েদ এস. আহমদের লেখায় উঠে এসেছে পশ্চিমাদের ‘দৃশ্যমানতার রাজনীতি’ ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের নির্মম সত্য, যেখানে গণতন্ত্র রক্ষার বুলি কেবলই সুবিধাবাদের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়।
সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা কতটা আইনসঙ্গত?গণভোট মানে সংবিধানের সঙ্গে গণমানুষের সংলাপ। রাষ্ট্র একটি স্পষ্ট প্রশ্ন রাখে। নাগরিকরা স্বাধীনভাবে উত্তর দেন। এটিই তত্ত্ব। কিন্তু সাম্প্রতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের গণভোট যেন সেই নীরব সংলাপ নয়; বরং রাষ্ট্রীয় কণ্ঠে একটিমাত্র শব্দের পুনরাবৃত্তি—‘হ্যাঁ’। অথচ গণভোট গণতন্ত্রের নির্মলতম এক প্রকাশ।