ইসরায়েলি হামলাতে গাজায় নিহত হওয়া সাংবাদিক আনাসের স্ত্রী ইয়াসমিন আবু শামালার একটি হৃদয়স্পর্শী চিঠি প্রকাশ করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। স্ট্রিম পাঠকদের জন্য চিঠিটি অনুবাদ করেছেন হুমায়ূন শফিক।
স্ট্রিম ডেস্ক

শুধু বোমা পড়া বন্ধ হলেই গাজায় যুদ্ধ থেমে যাবে না। এই যুদ্ধ আমাদের ভেতরে ভেতরে আঘাত করতে থাকবে। রেখে যাবে এমন ক্ষত, যা কোনো হতাহতের তালিকায় লেখা থাকে না, উঠে আসে না খবরের শিরোনামেও।
আমাদের পরিবারে এই সত্যের নির্মম উদাহরণ আমার ছোট ছেলে মালিক। ওর বয়স মাত্র এক বছর চার মাস। সে কখনো দেখেনি তার বাবাকে। আনাস—তার বাবা আর আমার স্বামী—গাজা শহরে সাংবাদিকতা করতে গিয়ে ইসরায়েলি এক বিমান হামলায় প্রাণ হারান। তখন আমি চার মাসের অন্তসত্ত্বা।
আমাদের স্বপ্ন ছিল—নিজেদের আর সন্তানদের জন্য এক নতুন আশ্রয়, নিরাপদ ঘর, শিক্ষা ও জ্ঞানের অব্যাহত পথচলা। সে করবে পিএইচডি, আমি পড়ব মাস্টার্সে। অনাগত সন্তানের নাম নিয়েও কথা হয়েছিল। ঠিক করেছিলাম—যদি ছেলে হয়, নাম হবে মালিক। কিন্তু মেয়ে হলে? এক্ষেত্রে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি আমরা।
ইসরায়েল শুধু আমার স্বামীকে কেড়ে নেয়নি; কেড়ে নিয়েছে একসঙ্গে বার্ধক্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন, কেড়ে নিয়েছে এক কণ্ঠস্বর—যে কণ্ঠস্বর গাজার রক্তাক্ত সত্যকে তুলে ধরছিল বিশ্বের সামনে। তাঁর মৃত্যুর পর অনেকে বলেছিল, শিশুর নাম যেন আনাসের নামে রাখি। কিন্তু পারিনি আমি। আমি চেয়েছিলাম তাঁর নিজের ইচ্ছাকেই সম্মান জানাতে। তাই নাম রেখেছি—মালিক।
যুদ্ধ আমাদের জীবন ভেঙে চুরমার করার আগে আনাস নিজেকে সম্পূর্ণ বিলিয়ে দিয়েছিল পিতৃত্বের জন্য। আমাদের প্রথম সন্তান ইব্রাহিম। ওর বয়স এখন তিন বছর। আনাসের কাছে সন্তান ছিল ওর একান্ত সাথী। অসংখ্য ছবি আর ভিডিও আছে আমার কাছে—ইব্রাহিমকে খাওয়াচ্ছে আনাস, নামাজে নিয়ে যাচ্ছে, কাজে যাওয়ার পথে বুকের কাছে আঁকড়ে ধরে আছে। আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে ব্যস্ত, আনাস ঘরে থেকে সন্তানের যত্ন নিত ধৈর্য, ভালোবাসা আর নিবেদনে—যেন এক পবিত্র দায়িত্ব।
এই স্মৃতিগুলো আজ অমূল্য সম্পদ। ইব্রাহিমের কাছে আছে জীবন্ত স্মৃতি—বাবার ভালোবাসা। ওর স্মৃতিতে আছে বাবার হাসির ঝিলিক, সেই সান্নিধ্যের মুহূর্তগুলো।

কিন্তু মালিক জন্মেছে শূন্যতার ভেতর। তার কাছে নেই বাবার সঙ্গে কোনো ছবি, নেই কোনো ভিডিও। নেই বাবার সঙ্গে থাকা কোনো মুহূর্ত। সে পৃথিবীতে এসেছে সঙ্গে নিয়ে এক গভীর শূন্যতা। শুধু গল্প দিয়েই সেই অভাব কিছুটা পূরণ হতে পারে। প্রতিবার আমি ছবিতে ইব্রাহিমের সঙ্গে তার বাবাকে দেখি। আমার হৃদয়টা ভেঙে যায়। কারণ আনাস নেই। আর মালিকের উত্তরাধিকার হলো নিস্তব্ধ শূন্যতা।
একজন বাবার ভেতরের শক্তি সে কীভাবে খুঁজে পাবে? বাবাকে তো সে কোনোদিন দেখেইনি। কোন স্মৃতির ভরসায় সে গড়ে তুলবে সাহস? আমি অবশ্যই তাকে বলব, কীভাবে জন্মের আগেই আনাস তার জন্য আকুল ছিল। স্বপ্ন দেখেছিল বুকের মাঝে তাকে জড়িয়ে ধরার। কিন্তু শুধু কথা কী বাবার বুকের উষ্ণতার, কণ্ঠস্বরের সান্ত্বনার বদল হতে পারে?
আমাদের গল্পগুলো ব্যতিক্রমী কিছু নয়। এ এক সমষ্টিগত বাস্তবতা। হাজারও শিশুর জীবনের প্রতিধ্বনি। এই গল্প অল্প বয়সেই মা কিংবা বাবা হারানো গাজার শিশুদের, যারা বঞ্চিত হয়েছে স্মৃতির অধিকার থেকে।
এ কেবল ব্যক্তিগত দুঃখ নয়। এ এক সামষ্টিক ক্ষত। এই ক্ষত প্রতিদিন গভীর হচ্ছে। ইসরায়েলি দখলদারত্ব শুধু জীবন কেড়ে নেয় না। সে ছিনিয়ে নেয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্মৃতিও। ছিনিয়ে নেয় সংযোগ, ছিনিয়ে নেয় এক টুকরো ছবি, এক মুহূর্তের হাসি। যা অন্য কোথাও হয়তো সহজ, কিন্তু ফিলিস্তিনে তা বিলাসিতা।
বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া শূন্যতার গল্পগুলো সেলাই করে ছোট্ট শিশুরা বড় হচ্ছে। তাদের কাছে আছে শুধু টুকরো টুকরো কাহিনী।
আমি মা। এখন আমি বাবা-ও। আমি আশ্রয়দাত্রী, স্মৃতির রক্ষক। যতই হত্যাযজ্ঞ চলুক, যতই মৃত্যু আমাদের ঘর ভাঙুক; আমরা কত রকম কাজ করি শুধু সন্তানদের মুখে অন্ন তুলে দিতে।
গল্পের সুতোয় তাঁর বাবার সঙ্গে বেঁধে রাখার চেষ্টা করি মালিককে। শব্দ দিয়ে গড়ে তুলি এমন এক জগৎ, যেখানে অনুপস্থিত বাবার ছায়া জীবিত হয়ে ওঠে। অথচ জানি—আমার বলা কোনো গল্পই তাকে শোনাতে পারবে না আনাসের হাসির সুর, অনুভব করাবে না তাঁর বুকে জড়ানোর উষ্ণতা।
এই হত্যাযজ্ঞের নীরব নিষ্ঠুরতা এটাই—এ শুধু প্রাণ নেয় না, স্মৃতিও ছিনিয়ে নেয়। আমাদের বাধ্য করে লড়তে, বেঁচে থাকার মতোই প্রবলভাবে স্মরণ করতেও। মালিকের মতো শিশুদের জন্য স্মৃতি তৈরি করতে হয়। টুকরো টুকরো গল্প জুড়ে, মুছে ফেলার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।
শোকের ভারে ডুবে যাওয়ার জন্য নয়, আমি লিখি ভগ্নাংশটুকু ধরে রাখার জন্য। লিখি কারণ যখন আমাদের মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে, তখন লেখা হয়ে ওঠে প্রতিরোধ।
হয়তো এই শব্দগুলো মালিককে বাবার সঙ্গে বেঁধে রাখবে। হয়তো এই শব্দই একদিন বিশ্বকে জাগাবে—রক্তপাত থামাতে, হত্যাযজ্ঞ থামাতে, যাতে কোনো শিশু তার বাবা-মায়ের অনুপস্থিতির অন্ধকারে আর না ডুবে যায়।

শুধু বোমা পড়া বন্ধ হলেই গাজায় যুদ্ধ থেমে যাবে না। এই যুদ্ধ আমাদের ভেতরে ভেতরে আঘাত করতে থাকবে। রেখে যাবে এমন ক্ষত, যা কোনো হতাহতের তালিকায় লেখা থাকে না, উঠে আসে না খবরের শিরোনামেও।
আমাদের পরিবারে এই সত্যের নির্মম উদাহরণ আমার ছোট ছেলে মালিক। ওর বয়স মাত্র এক বছর চার মাস। সে কখনো দেখেনি তার বাবাকে। আনাস—তার বাবা আর আমার স্বামী—গাজা শহরে সাংবাদিকতা করতে গিয়ে ইসরায়েলি এক বিমান হামলায় প্রাণ হারান। তখন আমি চার মাসের অন্তসত্ত্বা।
আমাদের স্বপ্ন ছিল—নিজেদের আর সন্তানদের জন্য এক নতুন আশ্রয়, নিরাপদ ঘর, শিক্ষা ও জ্ঞানের অব্যাহত পথচলা। সে করবে পিএইচডি, আমি পড়ব মাস্টার্সে। অনাগত সন্তানের নাম নিয়েও কথা হয়েছিল। ঠিক করেছিলাম—যদি ছেলে হয়, নাম হবে মালিক। কিন্তু মেয়ে হলে? এক্ষেত্রে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি আমরা।
ইসরায়েল শুধু আমার স্বামীকে কেড়ে নেয়নি; কেড়ে নিয়েছে একসঙ্গে বার্ধক্যে পৌঁছানোর স্বপ্ন, কেড়ে নিয়েছে এক কণ্ঠস্বর—যে কণ্ঠস্বর গাজার রক্তাক্ত সত্যকে তুলে ধরছিল বিশ্বের সামনে। তাঁর মৃত্যুর পর অনেকে বলেছিল, শিশুর নাম যেন আনাসের নামে রাখি। কিন্তু পারিনি আমি। আমি চেয়েছিলাম তাঁর নিজের ইচ্ছাকেই সম্মান জানাতে। তাই নাম রেখেছি—মালিক।
যুদ্ধ আমাদের জীবন ভেঙে চুরমার করার আগে আনাস নিজেকে সম্পূর্ণ বিলিয়ে দিয়েছিল পিতৃত্বের জন্য। আমাদের প্রথম সন্তান ইব্রাহিম। ওর বয়স এখন তিন বছর। আনাসের কাছে সন্তান ছিল ওর একান্ত সাথী। অসংখ্য ছবি আর ভিডিও আছে আমার কাছে—ইব্রাহিমকে খাওয়াচ্ছে আনাস, নামাজে নিয়ে যাচ্ছে, কাজে যাওয়ার পথে বুকের কাছে আঁকড়ে ধরে আছে। আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে ব্যস্ত, আনাস ঘরে থেকে সন্তানের যত্ন নিত ধৈর্য, ভালোবাসা আর নিবেদনে—যেন এক পবিত্র দায়িত্ব।
এই স্মৃতিগুলো আজ অমূল্য সম্পদ। ইব্রাহিমের কাছে আছে জীবন্ত স্মৃতি—বাবার ভালোবাসা। ওর স্মৃতিতে আছে বাবার হাসির ঝিলিক, সেই সান্নিধ্যের মুহূর্তগুলো।

কিন্তু মালিক জন্মেছে শূন্যতার ভেতর। তার কাছে নেই বাবার সঙ্গে কোনো ছবি, নেই কোনো ভিডিও। নেই বাবার সঙ্গে থাকা কোনো মুহূর্ত। সে পৃথিবীতে এসেছে সঙ্গে নিয়ে এক গভীর শূন্যতা। শুধু গল্প দিয়েই সেই অভাব কিছুটা পূরণ হতে পারে। প্রতিবার আমি ছবিতে ইব্রাহিমের সঙ্গে তার বাবাকে দেখি। আমার হৃদয়টা ভেঙে যায়। কারণ আনাস নেই। আর মালিকের উত্তরাধিকার হলো নিস্তব্ধ শূন্যতা।
একজন বাবার ভেতরের শক্তি সে কীভাবে খুঁজে পাবে? বাবাকে তো সে কোনোদিন দেখেইনি। কোন স্মৃতির ভরসায় সে গড়ে তুলবে সাহস? আমি অবশ্যই তাকে বলব, কীভাবে জন্মের আগেই আনাস তার জন্য আকুল ছিল। স্বপ্ন দেখেছিল বুকের মাঝে তাকে জড়িয়ে ধরার। কিন্তু শুধু কথা কী বাবার বুকের উষ্ণতার, কণ্ঠস্বরের সান্ত্বনার বদল হতে পারে?
আমাদের গল্পগুলো ব্যতিক্রমী কিছু নয়। এ এক সমষ্টিগত বাস্তবতা। হাজারও শিশুর জীবনের প্রতিধ্বনি। এই গল্প অল্প বয়সেই মা কিংবা বাবা হারানো গাজার শিশুদের, যারা বঞ্চিত হয়েছে স্মৃতির অধিকার থেকে।
এ কেবল ব্যক্তিগত দুঃখ নয়। এ এক সামষ্টিক ক্ষত। এই ক্ষত প্রতিদিন গভীর হচ্ছে। ইসরায়েলি দখলদারত্ব শুধু জীবন কেড়ে নেয় না। সে ছিনিয়ে নেয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্মৃতিও। ছিনিয়ে নেয় সংযোগ, ছিনিয়ে নেয় এক টুকরো ছবি, এক মুহূর্তের হাসি। যা অন্য কোথাও হয়তো সহজ, কিন্তু ফিলিস্তিনে তা বিলাসিতা।
বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া শূন্যতার গল্পগুলো সেলাই করে ছোট্ট শিশুরা বড় হচ্ছে। তাদের কাছে আছে শুধু টুকরো টুকরো কাহিনী।
আমি মা। এখন আমি বাবা-ও। আমি আশ্রয়দাত্রী, স্মৃতির রক্ষক। যতই হত্যাযজ্ঞ চলুক, যতই মৃত্যু আমাদের ঘর ভাঙুক; আমরা কত রকম কাজ করি শুধু সন্তানদের মুখে অন্ন তুলে দিতে।
গল্পের সুতোয় তাঁর বাবার সঙ্গে বেঁধে রাখার চেষ্টা করি মালিককে। শব্দ দিয়ে গড়ে তুলি এমন এক জগৎ, যেখানে অনুপস্থিত বাবার ছায়া জীবিত হয়ে ওঠে। অথচ জানি—আমার বলা কোনো গল্পই তাকে শোনাতে পারবে না আনাসের হাসির সুর, অনুভব করাবে না তাঁর বুকে জড়ানোর উষ্ণতা।
এই হত্যাযজ্ঞের নীরব নিষ্ঠুরতা এটাই—এ শুধু প্রাণ নেয় না, স্মৃতিও ছিনিয়ে নেয়। আমাদের বাধ্য করে লড়তে, বেঁচে থাকার মতোই প্রবলভাবে স্মরণ করতেও। মালিকের মতো শিশুদের জন্য স্মৃতি তৈরি করতে হয়। টুকরো টুকরো গল্প জুড়ে, মুছে ফেলার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।
শোকের ভারে ডুবে যাওয়ার জন্য নয়, আমি লিখি ভগ্নাংশটুকু ধরে রাখার জন্য। লিখি কারণ যখন আমাদের মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে, তখন লেখা হয়ে ওঠে প্রতিরোধ।
হয়তো এই শব্দগুলো মালিককে বাবার সঙ্গে বেঁধে রাখবে। হয়তো এই শব্দই একদিন বিশ্বকে জাগাবে—রক্তপাত থামাতে, হত্যাযজ্ঞ থামাতে, যাতে কোনো শিশু তার বাবা-মায়ের অনুপস্থিতির অন্ধকারে আর না ডুবে যায়।

দীর্ঘ অচলায়তন ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পর অবশেষে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নানা সংকট, মতবিরোধ ও আস্থাহীনতার আবহ পেরিয়ে এই নির্বাচন ছিল রাষ্ট্র ও রাজনীতির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত।
১৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে সরকার গঠন করতে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে এই জয় যেমন বিপুল প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে, তেমনই তৈরি করেছে এক জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
২ দিন আগে
এখন মানুষের প্রত্যাশা বা এক্সপেকটেশন অনেক বেশি। এই সরকারের কাছে মানুষ অনেক কিছু আশা করবে। আর এখানেই বিপদ। সরকারকে প্রমাণ করতে হবে যে তারা এই প্রত্যাশাগুলো শুনতে পাচ্ছে এবং তাদের কাজে তার প্রতিফলন আছে। অতিরিক্ত প্রত্যাশার বিপদ হলো, আপনি যখন ডেলিভার করতে পারবেন না, তখন জনপ্রিয়তা খুব দ্রুত পড়ে যায়।
২ দিন আগে
ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন তৈরি করা গেলে কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সরাসরি সংযোগ স্থাপন সম্ভব হবে। যদি সরকার শুরুতেই এই দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারবে।
৩ দিন আগে