স্ট্রিম ডেস্ক

তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান আবারও নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৯৮ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরছেন। তবে নির্বাচনে ‘বড় কারচুপি’ হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবারের নির্বাচনে মোট ৩ কোটি ২০ লাখ ভোট পড়েছে। ভোটের প্রায় সবকটিই পেয়েছেন সামিয়া।
শনিবার সকালে ফল ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্যাকবস মওয়ামবেগেলে বলেন, ‘চামা চা মাপিনদুজি (সিসিএম) দলের প্রার্থী সামিয়া সুলুহু হাসান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন।’
তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। বিভিন্ন শহরে সহিংসতায় শত শত মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় হতাহতের সংখ্যা যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকার সহিংসতার মাত্রা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
আংশিক স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল জানজিবারে স্থানীয় নির্বাচনে একই দলের হুসেইন মুইনি ৮০ শতাংশ ভোটে জয়ী হয়েছেন। তবে বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, সেখানে ভোটে ‘বড় কারচুপি’ হয়েছে।
শুক্রবারও রাজধানী দার এস সালামসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা সামিয়ার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং ভোটকেন্দ্রে হামলা চালায়। সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারির পরও বিক্ষোভ থামেনি।
এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণেরা। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচন অন্যায্যভাবে হয়েছে। তাঁরা বলছেন, প্রধান বিরোধী দলীয় নেতাদের সরকার দমন করছে—একজন জেলে, আরেকজনকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
বিরোধী দল চাদেমার এক মুখপাত্রের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে প্রায় ৭০০ মানুষ নিহত হয়েছেন।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ কোম্বো তাহিব সহিংসতাকে ‘বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা’ বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষায়, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও দৃঢ়ভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে।
নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন টুন্দু লিসু। তিনি বর্তমানে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় আটক রয়েছেন। অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী লুহাগা ম্পিনা আইনি জটিলতায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।
সামিয়ার দল সিসিএম স্বাধীনতার পর থেকে পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার রাজনীতিতে একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখেছে। তারা কখনো নির্বাচনে হারেনি।
ভোটের আগে মানবাধিকার সংস্থাগুলো সরকারের দমননীতি নিয়ে সমালোচনা করেছিল। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছিল, বিরোধীদের ওপর ‘ভয়ের রাজত্ব’ চলছে—গুম, নির্যাতন, ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটছে। সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছিল, নির্বাচন হবে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে।
২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলির মৃত্যুর পর সামিয়া দেশের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন।
সূত্র: বিবিসি

তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু হাসান আবারও নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৯৮ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরছেন। তবে নির্বাচনে ‘বড় কারচুপি’ হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবারের নির্বাচনে মোট ৩ কোটি ২০ লাখ ভোট পড়েছে। ভোটের প্রায় সবকটিই পেয়েছেন সামিয়া।
শনিবার সকালে ফল ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশনের প্রধান জ্যাকবস মওয়ামবেগেলে বলেন, ‘চামা চা মাপিনদুজি (সিসিএম) দলের প্রার্থী সামিয়া সুলুহু হাসান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন।’
তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। বিভিন্ন শহরে সহিংসতায় শত শত মানুষের মৃত্যু ও আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় হতাহতের সংখ্যা যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকার সহিংসতার মাত্রা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
আংশিক স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল জানজিবারে স্থানীয় নির্বাচনে একই দলের হুসেইন মুইনি ৮০ শতাংশ ভোটে জয়ী হয়েছেন। তবে বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, সেখানে ভোটে ‘বড় কারচুপি’ হয়েছে।
শুক্রবারও রাজধানী দার এস সালামসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা সামিয়ার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে এবং ভোটকেন্দ্রে হামলা চালায়। সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারির পরও বিক্ষোভ থামেনি।
এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণেরা। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচন অন্যায্যভাবে হয়েছে। তাঁরা বলছেন, প্রধান বিরোধী দলীয় নেতাদের সরকার দমন করছে—একজন জেলে, আরেকজনকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
বিরোধী দল চাদেমার এক মুখপাত্রের দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে প্রায় ৭০০ মানুষ নিহত হয়েছেন।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ কোম্বো তাহিব সহিংসতাকে ‘বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা’ বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষায়, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও দৃঢ়ভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে।
নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন টুন্দু লিসু। তিনি বর্তমানে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় আটক রয়েছেন। অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী লুহাগা ম্পিনা আইনি জটিলতায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।
সামিয়ার দল সিসিএম স্বাধীনতার পর থেকে পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার রাজনীতিতে একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখেছে। তারা কখনো নির্বাচনে হারেনি।
ভোটের আগে মানবাধিকার সংস্থাগুলো সরকারের দমননীতি নিয়ে সমালোচনা করেছিল। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছিল, বিরোধীদের ওপর ‘ভয়ের রাজত্ব’ চলছে—গুম, নির্যাতন, ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটছে। সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছিল, নির্বাচন হবে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে।
২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলির মৃত্যুর পর সামিয়া দেশের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন।
সূত্র: বিবিসি

পবিত্র রমজান শুরুর আগেই মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
২০ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
২ দিন আগে