পর্যটন স্পট দেবতাখুম খুলল চার শর্তেবান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দেবতাখুম আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) থেকে আবার পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানে ভ্রমণে যেতে হলে চার শর্ত মানতে হবে।২১ জুলাই ২০২৬
দুর্যোগের ঘাতে পর্যটক খরা, বান্দরবানে থমকে জীবিকাবৃষ্টি-বন্যার পর বান্দরবানে পর্যটকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু চার দিনেও নেই পর্যটকের দেখা। এতে পাহাড়ের অর্থনীতির চাকা থমকে গেছে। বন্যার পানি নামলেও, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের জীবিকার ওপর নেমে আসা দুর্যোগ কাটেনি।১৯ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের এক মাসের ঋণের কিস্তি মওকুফ: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীবান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন করা হবে এবং ব্যাংক ও এনজিওর ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি এক মাস মওকুফ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন।১৭ জুলাই ২০২৬
নেমে গেছে বন্যার পানি, রেখে গেছে ক্ষতবান্দরবানে গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গিয়েছিল অনেক বাড়িঘর ও সড়ক। পানি নেমে যাওয়ার পর চোখে পড়ে বিপুল পরিমাণ ক্ষতির চিহ্ন। অনেক বসতঘর এখনো বসবাসের উপযোগী নয়।১৭ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ে শুরু হলো কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমকৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বান্দরবানের থানচি উপজেলায় কৃষকদের ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।১৬ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে এখনো বসবাসের উপযোগী হয়নি বাড়িগুলো, ফিরছে বাসিন্দারাবান্দরবানের বন্যা দুর্গতদের এখনো দুর্ভোগ কাটেনি। ঘরজুড়ে কাদা ও বালির স্তূপ, ভাঙা মাচাং বাড়ি, পাহাড়ধসের পর আশ্রয়হীন অনেক পরিবার। কেউ সারাদিন কাদা পরিষ্কার করছেন, কেউ মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়ের বাড়িতে। এখনো বসবাসের উপযোগী হয়নি বন্যাকবলিত এলাকার বাড়িগুলো।১৫ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘর মেরামত করে দেবে সরকার: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীবিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বান্দরবানে পাহাড়ের কোনো মানুষ ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হবে না। একসঙ্গে বন্যায় যেসব ঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে, সেগুলো সরকারি উদ্যোগে পুনর্নির্মাণ করা হবে।১৫ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে বাড়িঘরের কাদা সরাতে ব্যস্ততা, রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক এখনও বন্ধবান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে এসেছে। পানি নেমে যাওয়ায় বাড়িঘর ও দোকানপাট পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। যান চলাচল শুরু হয়েছে অধিকাংশ সড়কে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ আছে।১৪ জুলাই ২০২৬
বন্যায় পার্বত্য জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ হাজার হেক্টর ফসলটানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।১২ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে পানি কমলেও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নবান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টি কমে আসায় জেলা শহরের নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পাহাড়ধস এবং পানি জমে থাকায় সারা দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ রয়েছে।১২ জুলাই ২০২৬
টানা বর্ষণে নাকাল দেশ, ত্রাণ পাচ্ছেন না দুর্গতরাটানা বর্ষণে নাকাল দেশ। এর মধ্যে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় পানিবন্দি লাখো মানুষ। দুর্গতরা পর্যাপ্ত ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। আবার বন্যার পানির তোড়ে সড়ক ভেঙে গেছে। ফলে বিচ্ছিন্ন এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।১১ জুলাই ২০২৬