স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিদেশে নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় এখন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নেই বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আল্লাহর অসীম রহমতে যদি তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হয়, তখন বিদেশে স্থানান্তর করা সম্ভব কি না তা বিবেচনা করা হবে।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
প্রায় ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন হৃদরোগ ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাঁর হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছে জানান। বর্তমানে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।
শুক্রবার রাতে অবস্থার অবনতি হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান। এরই মধ্যে আজ দুপুরে ফেসবুক পোস্টে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।
এরপর সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বিএনপি চেয়ারপারসনের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আমেরিকার জনস হপকিনস হাসপাতালের চিকিৎসক এবং লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। গতকাল রাতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক করে মেডিকেল বোর্ড জানায়, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া প্রয়োজন।
শারীরিক সামর্থ্যের কারণে বিদেশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত না হলেও প্রস্তুতির কথা জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, তবে বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা, যেসব দেশে নেওয়া হতে পারে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে। যেন প্রয়োজন হলেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়। এ সময় হাসপাতালের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড় না করার অনুরোধ জানান মির্জা ফখরুল।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে না ফেরার কারণ নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার উত্তর দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ, উনি (তারেক রহমান) নিজে একটা ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।’
সাংবাদিকেরা এ নিয়ে আবার প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটার ব্যাখ্যা তো আমি দিতে পারব না। কারণ, উনি দলের অ্যাক্টিং চেয়ারম্যান, আমার নেতা, দলের প্রধান। তিনি পোস্ট দিয়েছেন, এটার ব্যাখ্যাটা আমি দিতে পারব না এই মুহূর্তে উনি যে পোস্টটা দিয়েছেন, এটাকে আপনারা ধরে নেন যে পোস্ট তাঁর ভাষ্য। এটার আর তো কোনো ব্যাখ্যা প্রয়োজন নেই।’
মায়ের অসুস্থতার মধ্যে তারেক রহমান আজ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, তাঁর দেশে ফেরার বিষয়টির নিয়ন্ত্রণ তাঁর একার ওপর নেই।

বিদেশে নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় এখন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নেই বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আল্লাহর অসীম রহমতে যদি তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হয়, তখন বিদেশে স্থানান্তর করা সম্ভব কি না তা বিবেচনা করা হবে।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
প্রায় ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন হৃদরোগ ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাঁর হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছে জানান। বর্তমানে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।
শুক্রবার রাতে অবস্থার অবনতি হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান। এরই মধ্যে আজ দুপুরে ফেসবুক পোস্টে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।
এরপর সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বিএনপি চেয়ারপারসনের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আমেরিকার জনস হপকিনস হাসপাতালের চিকিৎসক এবং লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। গতকাল রাতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক করে মেডিকেল বোর্ড জানায়, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া প্রয়োজন।
শারীরিক সামর্থ্যের কারণে বিদেশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত না হলেও প্রস্তুতির কথা জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, তবে বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা, যেসব দেশে নেওয়া হতে পারে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে। যেন প্রয়োজন হলেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়। এ সময় হাসপাতালের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড় না করার অনুরোধ জানান মির্জা ফখরুল।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে না ফেরার কারণ নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার উত্তর দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ, উনি (তারেক রহমান) নিজে একটা ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।’
সাংবাদিকেরা এ নিয়ে আবার প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটার ব্যাখ্যা তো আমি দিতে পারব না। কারণ, উনি দলের অ্যাক্টিং চেয়ারম্যান, আমার নেতা, দলের প্রধান। তিনি পোস্ট দিয়েছেন, এটার ব্যাখ্যাটা আমি দিতে পারব না এই মুহূর্তে উনি যে পোস্টটা দিয়েছেন, এটাকে আপনারা ধরে নেন যে পোস্ট তাঁর ভাষ্য। এটার আর তো কোনো ব্যাখ্যা প্রয়োজন নেই।’
মায়ের অসুস্থতার মধ্যে তারেক রহমান আজ ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, তাঁর দেশে ফেরার বিষয়টির নিয়ন্ত্রণ তাঁর একার ওপর নেই।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)। আগামীকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করবে দলটি।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজনীতির বাইরে কোনো অর্থনীতি নাই। সব নীতি সমন্বয়, নিয়ন্ত্রণ ও বিকশিত করবে রাজনীতি। ব্যবসায়ীরা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তিনি বলেন, ‘রাজনীতির জায়গা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আমরা কাঙ্ক্ষিত কমফোর্ট জোন ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই তাঁকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে পরিবারের। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কাতার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশ ছেড়ে পলাতকদের মালিকানাধীন বন্ধ কারখানাগুলো আবার কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে ভাবা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৪ ঘণ্টা আগে