স্ট্রিম সংবাদদাতা

এবার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের টেকনাফ অংশে ওপার থেকে রাতভর তীব্র গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। এতে করে নতুন করে রোহিঙ্গা নাগরিকরা নৌকায় করে নাফ নদ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছেন। তবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
শুক্রবার রাত ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই গোলাগুলির শব্দ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত শোনা গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহীগোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হতে পারে।
টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরী লালু স্ট্রিমকে বলেন, ‘গতরাত থেকে সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে ওপারের কুমিরখালী, শীলখালী ও সাইডং এলাকা থেকে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে।’ গোলাগুলি শুরু হলে এপারে সীমান্তবর্তী চিংড়ি ঘেরের লোকজন নিরাপদ দূরত্বে সরে আসেন বলে জানান তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি (কমিউনিটি নেতা) বলেন, ‘সম্প্রতি রাখাইনে আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই সেখানে বাস করা রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থান নিয়েছেন।’
স্থানীয় ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সূত্রগুলোর তথ্য বলছে, বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে ওপারে হাজার হাজার রোহিঙ্গা অপেক্ষা করছেন। এদিকে সম্ভাব্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় জোর তৎপরতা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সবশেষ শুক্রবারও অনুপ্রবেশ করতে চেষ্টা করা ৬২ জন রোহিঙ্গাকে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীটি।
বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘সীমান্তের ওপার থেকে কিছু মানুষ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছেন। কেউ যাতে নতুন করে ঢুকতে না পারেন, সেই লক্ষ্যে বিজিবি তৎপর আছে। অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য পয়েন্টগুলোতে বিজিবি সদস্য বাড়ানোর পাশাপাশি টহল বাড়ানো হয়েছে।’
এর আগে গত ১০ এবং ১৯ আগস্ট রাতে ওপার থেকে আসা দুই দফা গুলির শব্দ শুনতে পান উখিয়ার পার্শ্ববর্তী পার্বত্য উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন ঘুমধুমের বাসিন্দারা

এবার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের টেকনাফ অংশে ওপার থেকে রাতভর তীব্র গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। এতে করে নতুন করে রোহিঙ্গা নাগরিকরা নৌকায় করে নাফ নদ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছেন। তবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
শুক্রবার রাত ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই গোলাগুলির শব্দ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত শোনা গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহীগোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হতে পারে।
টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরী লালু স্ট্রিমকে বলেন, ‘গতরাত থেকে সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে ওপারের কুমিরখালী, শীলখালী ও সাইডং এলাকা থেকে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে।’ গোলাগুলি শুরু হলে এপারে সীমান্তবর্তী চিংড়ি ঘেরের লোকজন নিরাপদ দূরত্বে সরে আসেন বলে জানান তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি (কমিউনিটি নেতা) বলেন, ‘সম্প্রতি রাখাইনে আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই সেখানে বাস করা রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থান নিয়েছেন।’
স্থানীয় ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সূত্রগুলোর তথ্য বলছে, বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে ওপারে হাজার হাজার রোহিঙ্গা অপেক্ষা করছেন। এদিকে সম্ভাব্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় জোর তৎপরতা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সবশেষ শুক্রবারও অনুপ্রবেশ করতে চেষ্টা করা ৬২ জন রোহিঙ্গাকে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীটি।
বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘সীমান্তের ওপার থেকে কিছু মানুষ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছেন। কেউ যাতে নতুন করে ঢুকতে না পারেন, সেই লক্ষ্যে বিজিবি তৎপর আছে। অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য পয়েন্টগুলোতে বিজিবি সদস্য বাড়ানোর পাশাপাশি টহল বাড়ানো হয়েছে।’
এর আগে গত ১০ এবং ১৯ আগস্ট রাতে ওপার থেকে আসা দুই দফা গুলির শব্দ শুনতে পান উখিয়ার পার্শ্ববর্তী পার্বত্য উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন ঘুমধুমের বাসিন্দারা

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৫ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে