স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে ভোর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে হারারো মানুষ জড়ো হয়েছেন। বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে দেখা গেছে।
শ্রদ্ধা নিবেদন করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল, বাসদ (মার্কসবাদী) প্রভৃতি। এছাড়া বাংলাদেশ হিন্দু, বৈদ্ধ্য ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ জাসদ, জুলাই যোদ্ধা সংসদ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন, সংসদ সদস্য হাবিবুর রশিদ প্রমুখ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, 'দীর্ঘ ১৭ বছর পরে একটি মুক্ত পরিবেশে জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় দেশের মানুষের বিএনপির প্রতি তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রয়েছে। গত ১৭টি বছর প্রতিটি জাতীয় দিবসকে এ সরকার তার দলীয়করণ করেছিল। এর কারণে আমার ভাষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি যেভাবে বিকষিত হওয়ার কথা ছিল, সেভাবে বিকষিত হয়নি। একটা সর্বজনীন হয়নি। বিএনপি বিশেষ করে সে আবার সকল দিবসকে সর্বজনিন করতে পারবে।'
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী স্ট্রিমকে বলেন, '৫২ সালের ভাষা শহীদদের লড়াইয়ের ইতিহাস ঠিক হারিয়ে যাচ্ছে বলে আমি মনে করি না। আজকে প্রচুর মানুষ ভোর থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। তবে শ্রদ্ধা নিবেদনটা যেনো শুধু ফুল দেওয়া না হয়, যে চেতনা থেকে ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন একটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে হয়েছিলো সেটা যেনো আমরা সমাজে জারি রাখতে পারি।'
গেন্ডারিয়া থেকে ৬ মাসের নিভানকে নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসে মা খাদিজা আক্তার বলেন, 'বাচ্চাকে দেখাতে তাঁর স্মৃতিতে এগুলো যেনো থাকে সে জন্য নিয়ে এসেছি। যাতে সে ছোট থেকেই বায়ান্নর ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে ও শিখতে পারে। আমরা যদি ইতিহাস ধরে রাখতে পারি তবে হারাবে না৷'

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট-এর কেন্দ্রীয় সদস্য মোজাফফর মিয়া বলেন, 'ভাষার জন্য জীবনদানকারী শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তি। নতুন প্রজন্মকে একুশের চেতনা ধারণ করতে হবে।'
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী-এর কেন্দ্রীয় সহ-সম্পদাক জয় খ্রীষ্টপার বলেন, 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শুধু বইয়ে নয়, চর্চায় বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই একুশের চেতনাকে জাগ্রত রাখা সম্ভব।'
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘প্রচেষ্টার কেন্দ্রীয় সভাপতি সামিউল সাগর বলেন, 'মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবার দায়িত্ব রয়েছে। শুধু একদিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, সারা বছর বাংলা ভাষার শুদ্ধ চর্চা ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।'
পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-এর কেন্দ্রীয় সম্পাদক কৃতিত্ব চাকমা বলেন, 'একুশে ফেব্রুয়ারি সকল ভাষার অধিকার আদায়ের অনুপ্রেরণা জোগায়। সকল মাতৃভাষা সমান মর্যাদা পাবে—এটাই প্রত্যাশা।'
রোমানিয়া থেকে আসা এন্থি আন্দ্রে স্ট্রিমকে বলেন, 'এতো পরিমাণ ক্রাউড দেখে আমি খুবই আশ্চর্যিত। আমরা খুবই ভালো লাগছে, আনন্দিত লাগছে।'

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে ভোর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে হারারো মানুষ জড়ো হয়েছেন। বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে দেখা গেছে।
শ্রদ্ধা নিবেদন করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল, বাসদ (মার্কসবাদী) প্রভৃতি। এছাড়া বাংলাদেশ হিন্দু, বৈদ্ধ্য ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ জাসদ, জুলাই যোদ্ধা সংসদ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন, সংসদ সদস্য হাবিবুর রশিদ প্রমুখ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, 'দীর্ঘ ১৭ বছর পরে একটি মুক্ত পরিবেশে জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় দেশের মানুষের বিএনপির প্রতি তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রয়েছে। গত ১৭টি বছর প্রতিটি জাতীয় দিবসকে এ সরকার তার দলীয়করণ করেছিল। এর কারণে আমার ভাষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি যেভাবে বিকষিত হওয়ার কথা ছিল, সেভাবে বিকষিত হয়নি। একটা সর্বজনীন হয়নি। বিএনপি বিশেষ করে সে আবার সকল দিবসকে সর্বজনিন করতে পারবে।'
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী স্ট্রিমকে বলেন, '৫২ সালের ভাষা শহীদদের লড়াইয়ের ইতিহাস ঠিক হারিয়ে যাচ্ছে বলে আমি মনে করি না। আজকে প্রচুর মানুষ ভোর থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। তবে শ্রদ্ধা নিবেদনটা যেনো শুধু ফুল দেওয়া না হয়, যে চেতনা থেকে ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন একটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে হয়েছিলো সেটা যেনো আমরা সমাজে জারি রাখতে পারি।'
গেন্ডারিয়া থেকে ৬ মাসের নিভানকে নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে এসে মা খাদিজা আক্তার বলেন, 'বাচ্চাকে দেখাতে তাঁর স্মৃতিতে এগুলো যেনো থাকে সে জন্য নিয়ে এসেছি। যাতে সে ছোট থেকেই বায়ান্নর ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে ও শিখতে পারে। আমরা যদি ইতিহাস ধরে রাখতে পারি তবে হারাবে না৷'

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট-এর কেন্দ্রীয় সদস্য মোজাফফর মিয়া বলেন, 'ভাষার জন্য জীবনদানকারী শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তি। নতুন প্রজন্মকে একুশের চেতনা ধারণ করতে হবে।'
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী-এর কেন্দ্রীয় সহ-সম্পদাক জয় খ্রীষ্টপার বলেন, 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শুধু বইয়ে নয়, চর্চায় বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই একুশের চেতনাকে জাগ্রত রাখা সম্ভব।'
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘প্রচেষ্টার কেন্দ্রীয় সভাপতি সামিউল সাগর বলেন, 'মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবার দায়িত্ব রয়েছে। শুধু একদিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, সারা বছর বাংলা ভাষার শুদ্ধ চর্চা ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।'
পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-এর কেন্দ্রীয় সম্পাদক কৃতিত্ব চাকমা বলেন, 'একুশে ফেব্রুয়ারি সকল ভাষার অধিকার আদায়ের অনুপ্রেরণা জোগায়। সকল মাতৃভাষা সমান মর্যাদা পাবে—এটাই প্রত্যাশা।'
রোমানিয়া থেকে আসা এন্থি আন্দ্রে স্ট্রিমকে বলেন, 'এতো পরিমাণ ক্রাউড দেখে আমি খুবই আশ্চর্যিত। আমরা খুবই ভালো লাগছে, আনন্দিত লাগছে।'

একুশ আমাদের নতুন প্রেরণা হয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১৮ মিনিট আগে
বাংলা ভাষার চর্চা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়া যায়নি উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, তবে পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। শনিবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রভাতফেরিতে অংশ নিয়ে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এসব কথা বলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১১ ঘণ্টা আগে