স্ট্রিম প্রতিবেদক

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। শনিবারের (২১ ফেব্রুয়ারির) প্রথম প্রহরে (১২:০১) মিনিটে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো: শাহবুদ্দিন। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন ও ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ক্রমান্বয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিন বাহিনীর প্রধানেরা, মন্ত্রীপরিষদের সদস্য, বিরোধীদলীয় নেতা, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, ঢাবি উপাচার্য, অ্যাটর্নি জেনারেল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলসহ রাষ্ট্রের গণমান্য ব্যাক্তিরা।
পরে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। একে একে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে ঢাবি সাংবাদিক সমিতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ছাত্র ফেডারেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভিত্তিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, নার্সেস এসোসিয়েশন, জাতীয় যুব শক্তি, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল, বিপ্লবী, ওয়াকার্স পার্টি, পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি, গারো স্টুডেন্ট ফেডারেশন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল, গার্মেন্টস ওয়াকার্স ফোরাম, রেল স্টেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন।
এছাড়াও শহীদ মিনারে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন জাতীয় নাগরিক পার্টি, জাতীয় যুবশক্তি, ছাত্রশক্তি, সাংস্কৃতিক সংসদ, বাঁধন, জাতীয় ছাত্র সমাজ, পাহাড়ি ছাত্রপরিষদ, গণ অধিকার পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ ,ভালোবাসার মঞ্চ, চারু শিল্পী সংসদ সহ নানা পেশাজীবী, রাজনৈতিক ও সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংগঠন।
শ্রদ্ধা জ্ঞাপন জানাতে আসা আখিদুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, 'একুশ আমাদের অহংকার। আজকের এই দিনে আমাদের প্রত্যাশা আমরা যেন আমাদের বাংলা ভাষা-সংস্কৃতিকে ধারণ করি। সঠিকভাবে বাংলা ভাষা চর্চা করি'।
রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুদীপ্ত পাল স্ট্রিমকে বলেন, 'আমরা ঘটা করে একদিন ভাষা শহীদদের সন্মান জানাই। একুশের চোতনা আমরা কতটুকু ধারণ করি? শুধু লোক দেখানো বা সোস্যাল মিডিয়ায় ছবি দেয়া থেকে সরে এসে একুশকে আমাদের ধারণ করা উচিত।'
ঢাবি শিক্ষার্থী তরিকুল সরদার বলেন, 'একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির অস্বিত্ব। এবার আমরা ইতিহাসের সাক্ষী হলাম।'

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। শনিবারের (২১ ফেব্রুয়ারির) প্রথম প্রহরে (১২:০১) মিনিটে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো: শাহবুদ্দিন। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন ও ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ক্রমান্বয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিন বাহিনীর প্রধানেরা, মন্ত্রীপরিষদের সদস্য, বিরোধীদলীয় নেতা, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, ঢাবি উপাচার্য, অ্যাটর্নি জেনারেল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলসহ রাষ্ট্রের গণমান্য ব্যাক্তিরা।
পরে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। একে একে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে ঢাবি সাংবাদিক সমিতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পরিষদ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ছাত্র ফেডারেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভিত্তিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, নার্সেস এসোসিয়েশন, জাতীয় যুব শক্তি, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল, বিপ্লবী, ওয়াকার্স পার্টি, পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি, গারো স্টুডেন্ট ফেডারেশন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল, গার্মেন্টস ওয়াকার্স ফোরাম, রেল স্টেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন।
এছাড়াও শহীদ মিনারে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন জাতীয় নাগরিক পার্টি, জাতীয় যুবশক্তি, ছাত্রশক্তি, সাংস্কৃতিক সংসদ, বাঁধন, জাতীয় ছাত্র সমাজ, পাহাড়ি ছাত্রপরিষদ, গণ অধিকার পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ ,ভালোবাসার মঞ্চ, চারু শিল্পী সংসদ সহ নানা পেশাজীবী, রাজনৈতিক ও সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংগঠন।
শ্রদ্ধা জ্ঞাপন জানাতে আসা আখিদুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, 'একুশ আমাদের অহংকার। আজকের এই দিনে আমাদের প্রত্যাশা আমরা যেন আমাদের বাংলা ভাষা-সংস্কৃতিকে ধারণ করি। সঠিকভাবে বাংলা ভাষা চর্চা করি'।
রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুদীপ্ত পাল স্ট্রিমকে বলেন, 'আমরা ঘটা করে একদিন ভাষা শহীদদের সন্মান জানাই। একুশের চোতনা আমরা কতটুকু ধারণ করি? শুধু লোক দেখানো বা সোস্যাল মিডিয়ায় ছবি দেয়া থেকে সরে এসে একুশকে আমাদের ধারণ করা উচিত।'
ঢাবি শিক্ষার্থী তরিকুল সরদার বলেন, 'একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির অস্বিত্ব। এবার আমরা ইতিহাসের সাক্ষী হলাম।'

একুশ আমাদের নতুন প্রেরণা হয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
২১ মিনিট আগে
বাংলা ভাষার চর্চা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়া যায়নি উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, তবে পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। শনিবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রভাতফেরিতে অংশ নিয়ে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এসব কথা বলেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে ভোর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে হারারো মানুষ জড়ো হয়েছেন। বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে দেখা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১১ ঘণ্টা আগে