স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ অবমাননার অভিযোগ এনেছে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেল।
আজ শনিবার রাত ৯টায় ক্যাম্পাসের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ জানায় উমামা ফাতেমা নেতৃত্বাধীন এ প্যানেলটি।
আজ দুপুরে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদকেরা অংশ নেন। সেখানে ফাতিমা তাসনিম জুমার একটি মন্তব্য থেকে ঘটনার সূত্রপাত হয়।
‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক নূমান আহমাদ চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অনুষ্ঠানের একটা পর্যায়ে, ৩৬ মিনিটের পরে তিনি একটি মন্তব্য করেন। যে মন্তব্যটা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের বীর সেনা নিয়ে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিদের বাইরে, যেসব অবাঙালি জাতিসত্তার মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নিয়েছেন, সকলের জন্য চরম মাত্রায় অবমাননাকর বলে আমি মনে করি। তিনি যে বিষয়টি বলেছেন, আমি একদম কোটেশন ধরে বলছি, “মুক্তিযুদ্ধে চাকমাদের কোনো স্টেক (অংশীদারিত্ব) নেই।” আমরা আমাদের প্যানেলের পক্ষ থেকে মনে করছি যে মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি, অবাঙালি, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণ ছিল।’
নূমান আরও বলেন, ‘যে কথাটা তিনি বলেছেন মুক্তিযুদ্ধের জন্য, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এবং মুক্তিযুদ্ধে অবাঙালি জাতিগোষ্ঠীর যে কন্ট্রিবিউশন—সকলের জন্য অবমাননাকর বলে আমি মনে করি। সেই জায়গা থেকে শুধু এটা প্রার্থীর ব্যক্তিগত বক্তব্য বলে আমি মনে করছি না। মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের যে বিরোধী অবস্থান ছিল, যেহেতু ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল এটা—তাদের প্যানেলেরই বক্তব্য কি না, সেটার জবাব তাদেরকে দিতে হবে। যেই প্রার্থী এই কথা বলেছেন, আমি তাঁর কাছ থেকেও পাবলিক স্টেটমেন্ট চাই। পাশাপাশি তাঁর যে প্যানেল লিডার আছেন—ভিপি, জিএস, এজিএস, তাঁদের কাছ থেকেও আমি স্পষ্ট বক্তব্য চাই।’
এ সময় ঢাবি প্রশাসনকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান নূমান।
‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক সুর্মী চাকমা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘চাকমা জাতিসত্তা থেকে আমরা যাঁরা বিলং করি, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছিলেন, তাঁদের অবদানকে তিনি (জুমা) অস্বীকার করেছেন এবং বাংলাদেশের যে সার্বভৌমত্ব, সেই সার্বভৌমত্বে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি, চাকমা জাতিসত্তার মধ্যে ত্রিদিব রায়কে আপনারা সবাই হচ্ছে পাকিস্তানপন্থী হিসেবে চেনেন। কিন্তু ত্রিদিব রায় ভিন্ন অন্য যারা ছিলেন—তাঁর চাচা কে কে রায়, পাশাপাশি হেমরঞ্জন চাকমা, অমৃতলাল চাকমা, সঞ্জয় কেতন চাকমা, স্নেহ কুমার চাকমা, মতিলাল চাকমা, রমণী রঞ্জন চাকমা প্রমুখ। এ ছাড়া গৌতম দেওয়ান–যিনি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলেন—এই সকল চাকমাদের অবদানকে অস্বীকার করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সেই অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে ফাতিমা তাসনিম জুমা মন্তব্য করেছিলেন, ‘আপনি যখন বলেন যে মুক্তিযুদ্ধে সবার স্টেক ছিল, কিন্তু একটা দলের ছাড়া। সেখানে আমি কন্ট্রাডিক্ট (বিরোধীতা) করি। মুক্তিযুদ্ধ কিন্তু পিকিংপন্থী যারা বাম দল ছিল, তাদের কোনো স্টেক ছিল না। মুক্তিযুদ্ধে কিন্তু যারা চাকমা ছিল, তাদের কোনো স্টেক ছিল না।’
পরে আজ সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে ফাতিমা তাসনিম জুমা লেখেন, ‘আজ ছাত্রদলের আরিফ ভাই বলেছে, সবাই অংশগ্রহণ করছে (মুক্তিযুদ্ধে), সবার স্টেক থাকবে, একমাত্র জামায়াত ছাড়া। তখন আমি কন্ট্রাডিক্ট করি যে পিকিংপন্থী ও চাকমা রাজাও বিরোধিতা করসে, তাদের স্টেকও নাই তাহলে। তারা কি ক্ষমা চাইসে কিনা–এইটা নিয়ে শুনলাম নতুন ন্যারেটিভ আসতেছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ অবমাননার অভিযোগ এনেছে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেল।
আজ শনিবার রাত ৯টায় ক্যাম্পাসের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ জানায় উমামা ফাতেমা নেতৃত্বাধীন এ প্যানেলটি।
আজ দুপুরে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদকেরা অংশ নেন। সেখানে ফাতিমা তাসনিম জুমার একটি মন্তব্য থেকে ঘটনার সূত্রপাত হয়।
‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক নূমান আহমাদ চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অনুষ্ঠানের একটা পর্যায়ে, ৩৬ মিনিটের পরে তিনি একটি মন্তব্য করেন। যে মন্তব্যটা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের বীর সেনা নিয়ে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিদের বাইরে, যেসব অবাঙালি জাতিসত্তার মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নিয়েছেন, সকলের জন্য চরম মাত্রায় অবমাননাকর বলে আমি মনে করি। তিনি যে বিষয়টি বলেছেন, আমি একদম কোটেশন ধরে বলছি, “মুক্তিযুদ্ধে চাকমাদের কোনো স্টেক (অংশীদারিত্ব) নেই।” আমরা আমাদের প্যানেলের পক্ষ থেকে মনে করছি যে মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি, অবাঙালি, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণ ছিল।’
নূমান আরও বলেন, ‘যে কথাটা তিনি বলেছেন মুক্তিযুদ্ধের জন্য, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এবং মুক্তিযুদ্ধে অবাঙালি জাতিগোষ্ঠীর যে কন্ট্রিবিউশন—সকলের জন্য অবমাননাকর বলে আমি মনে করি। সেই জায়গা থেকে শুধু এটা প্রার্থীর ব্যক্তিগত বক্তব্য বলে আমি মনে করছি না। মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের যে বিরোধী অবস্থান ছিল, যেহেতু ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল এটা—তাদের প্যানেলেরই বক্তব্য কি না, সেটার জবাব তাদেরকে দিতে হবে। যেই প্রার্থী এই কথা বলেছেন, আমি তাঁর কাছ থেকেও পাবলিক স্টেটমেন্ট চাই। পাশাপাশি তাঁর যে প্যানেল লিডার আছেন—ভিপি, জিএস, এজিএস, তাঁদের কাছ থেকেও আমি স্পষ্ট বক্তব্য চাই।’
এ সময় ঢাবি প্রশাসনকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান নূমান।
‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক সুর্মী চাকমা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘চাকমা জাতিসত্তা থেকে আমরা যাঁরা বিলং করি, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছিলেন, তাঁদের অবদানকে তিনি (জুমা) অস্বীকার করেছেন এবং বাংলাদেশের যে সার্বভৌমত্ব, সেই সার্বভৌমত্বে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি, চাকমা জাতিসত্তার মধ্যে ত্রিদিব রায়কে আপনারা সবাই হচ্ছে পাকিস্তানপন্থী হিসেবে চেনেন। কিন্তু ত্রিদিব রায় ভিন্ন অন্য যারা ছিলেন—তাঁর চাচা কে কে রায়, পাশাপাশি হেমরঞ্জন চাকমা, অমৃতলাল চাকমা, সঞ্জয় কেতন চাকমা, স্নেহ কুমার চাকমা, মতিলাল চাকমা, রমণী রঞ্জন চাকমা প্রমুখ। এ ছাড়া গৌতম দেওয়ান–যিনি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলেন—এই সকল চাকমাদের অবদানকে অস্বীকার করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সেই অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে ফাতিমা তাসনিম জুমা মন্তব্য করেছিলেন, ‘আপনি যখন বলেন যে মুক্তিযুদ্ধে সবার স্টেক ছিল, কিন্তু একটা দলের ছাড়া। সেখানে আমি কন্ট্রাডিক্ট (বিরোধীতা) করি। মুক্তিযুদ্ধ কিন্তু পিকিংপন্থী যারা বাম দল ছিল, তাদের কোনো স্টেক ছিল না। মুক্তিযুদ্ধে কিন্তু যারা চাকমা ছিল, তাদের কোনো স্টেক ছিল না।’
পরে আজ সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে ফাতিমা তাসনিম জুমা লেখেন, ‘আজ ছাত্রদলের আরিফ ভাই বলেছে, সবাই অংশগ্রহণ করছে (মুক্তিযুদ্ধে), সবার স্টেক থাকবে, একমাত্র জামায়াত ছাড়া। তখন আমি কন্ট্রাডিক্ট করি যে পিকিংপন্থী ও চাকমা রাজাও বিরোধিতা করসে, তাদের স্টেকও নাই তাহলে। তারা কি ক্ষমা চাইসে কিনা–এইটা নিয়ে শুনলাম নতুন ন্যারেটিভ আসতেছে।’

রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে নতুন সরকার। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
৩ মিনিট আগে
সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জওয়ান বা কর্মকর্তাদের মন থেকে মানুষ হত্যার মনস্তাত্ত্বিক বাধা দূর করা হয় এবং এই প্রক্রিয়ার বাইরে তিনিও ছিলেন না— আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জেরার মুখে এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া।
৪ মিনিট আগে
দৈনিক প্রথম আলোর আগুনে পোড়ানার ভবনে শুরু হয়েছে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’। শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান এই শিল্পকর্ম সৃষ্টি করেছেন।
৬ মিনিট আগে
নানা জল্পনা-কল্পনা ও প্রকাশকদের একাংশের আপত্তি এবং শর্তের মুখে অবশেষে চূড়ান্ত হলো অমর একুশে বইমেলার দিনক্ষণ। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এবারের বইমেলা। এদিনই হবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন।
৩৩ মিনিট আগে