স্ট্রিম ডেস্ক

রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কারের সাত দফা অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদে’ স্বাক্ষর করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং দেশের ২৪টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে লেখা এই সনদকে একটি নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আজ শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে বহুল প্রতীক্ষিত এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
জুলাই সনদের সাত অঙ্গীকার
‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে’ এই সনদ শুরু হয়েছে। এতে সাতটি সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছে—
১. জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সুযোগের সদ্ব্যবহার করা হবে। জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে গৃহীত এই সনদের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।
২. জনগণ রাষ্ট্রের মালিক এবং তাদের ইচ্ছাই সর্বোচ্চ আইন—এই নীতিকে প্রতিষ্ঠা করে সনদটি পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে তফসিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে সংযুক্ত করা হবে।
৩. জুলাই জাতীয় সনদের বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না এবং এর বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে পূর্ণাঙ্গ আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৪. গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের জন্য জনগণের দীর্ঘ ১৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বিশেষ করে ২০২৪ সালের অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক তথা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।
৫. গণঅভ্যুত্থানের আগে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে। শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান, শহীদ পরিবারগুলোকে যথোপযুক্ত সহায়তা এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
৬. সনদে উল্লিখিত বাংলাদেশের সামগ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা, বিশেষ করে সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থার সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন বা সংশোধন করা হবে।
৭. সনদে গৃহীত যে সকল সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ে সেগুলো সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কারের সাত দফা অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদে’ স্বাক্ষর করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং দেশের ২৪টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে লেখা এই সনদকে একটি নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আজ শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে বহুল প্রতীক্ষিত এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
জুলাই সনদের সাত অঙ্গীকার
‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে’ এই সনদ শুরু হয়েছে। এতে সাতটি সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছে—
১. জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সুযোগের সদ্ব্যবহার করা হবে। জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে গৃহীত এই সনদের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।
২. জনগণ রাষ্ট্রের মালিক এবং তাদের ইচ্ছাই সর্বোচ্চ আইন—এই নীতিকে প্রতিষ্ঠা করে সনদটি পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে তফসিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে সংযুক্ত করা হবে।
৩. জুলাই জাতীয় সনদের বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না এবং এর বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে পূর্ণাঙ্গ আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৪. গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের জন্য জনগণের দীর্ঘ ১৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বিশেষ করে ২০২৪ সালের অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক তথা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।
৫. গণঅভ্যুত্থানের আগে ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে। শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান, শহীদ পরিবারগুলোকে যথোপযুক্ত সহায়তা এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
৬. সনদে উল্লিখিত বাংলাদেশের সামগ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা, বিশেষ করে সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থার সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন বা সংশোধন করা হবে।
৭. সনদে গৃহীত যে সকল সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ে সেগুলো সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৫ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে