টাঙ্গাইলে বলাৎকারের অভিযোগে পিটুনির পর মাদ্রাসাশিক্ষক পুলিশে

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
টাঙ্গাইল

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০: ১৩
অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আল আমিন। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আল আমিন। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ছাত্রের অভিভাবক ও স্থানীয়রা আল আমিনকে মারধর করে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক এবং মাদ্রাসাটির প্রিন্সিপাল মাওলানা মনিরুজ্জামানকে আটক করে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, মির্জাপুর উপজেলা সদরের বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পাঁচ বছর আগে মারকাজুল উম্মাহ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। তিন বছর আগে আল আমিন সেখানে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। গত ফেব্রুয়ারিতে জামুর্কী ইউনিয়নের ভুক্তভোগী শিশু নাজেরা বিভাগে ভর্তি হয়ে মাদ্রাসার আবাসিক শাখায় থাকা শুরু করে।

পরিবারের অভিযোগ, প্রায় তিন মাস ধরে শিক্ষক আল আমিন শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে যৌন নির্যাতন করে আসছিল। এ সময় শিশুটির পেটব্যথা, পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্তক্ষরণসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

অসুস্থতার কথা মাকে জানালে ছুটিতে বাড়ি আসে। এ সময় বাথরুমে শিশুটির রক্ত দেখতে পেয়ে পরিবার হাসপাতালে চিকিৎসা করায়।

চিকিৎসার পর শিশুটিকে আবার মাদ্রাসায় দেওয়া হয়। পরিবার জানায়, আবার তার ওপর যৌন নির্যাতন চালান আল আমিন। পরে স্বাস্থ্যের অবনতি হলে শিশুটি আবার মাকে পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত পড়ার কথা জানায়।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মির্জাপুর সদরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে শিশুটির বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। পরে মেডিকেল রিপোর্ট ও শিশুর বক্তব্যে পরিবারের সদস্যরা মাদ্রাসায় যান। জানতে পেরে স্থানীয়রাও মাদ্রাসায় গিয়ে আল আমিনকে মারধর করে।

মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মা মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত