স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতির আবেদন করেছেন ‘আমরা জমিদার’ দাবি করা সেই কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম। চলতি বছরের আগস্টে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের পর এক সভায় ‘বিতর্কিত’ বক্তব্যের কারণে আলোচনায় আসেন জামায়াত ইসলামীর এই নেতা। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে শোকজ করে।
সিরাজুল ইসলাম বর্তমানে চবিতে তিনি সেকশন অফিসার (নবম গ্রেড) পদে কর্মরত আছেন। পদোন্নতি পেলে সহকারী রেজিস্ট্রার হবেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের জুলাইয়ে চবিতে নিম্নমান সহকারী (তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী) হিসেবে যোগ দেন সিরাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে একাধিক ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ২০২২ সালে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হন। তবে এবার নিজেকে বৈষম্যের শিকার দাবি করে পদোন্নতির আবেদন করেছেন তিনি।
এর আগে চলতি বছরের ৩০ ও ৩১ আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য, তৎকালীন প্রক্টরসহ দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। পরে ৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একটি অংশের মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন জামায়াত নেতা সিরাজুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন। তবে মতবিনিময় সভায় তাঁর দেওয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এ ঘটনার পর তাঁর সংসদ সদস্য প্রার্থিতা বাতিল এবং উপজেলা আমিরের পদ থেকেও অব্যাহতি দেয় জামায়াতে ইসলামী।
মতবিনিময় সভার বক্তব্যের ভিডিওতে সিরাজুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মালিক। আমরা জমিদার, জমিদারের ওপর কেউ হস্তক্ষেপ করবে, এটা আমরা মেনে নেব না।’ ওই বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে শোকজ করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তে বৈষম্যের শিকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি যাচাইয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিরাজুল ইসলামসহ চারজনকে সেকশন অফিসার থেকে সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতির সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়েছে। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবেন উপাচার্য ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও একাডেমিক কর্মকর্তারা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট সভায় হবে।
আবেদনের বিষয়ে সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি দীর্ঘদিন পদোন্নতিতে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করেছেন এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেবেন। সংঘর্ষ-সংক্রান্ত শোকজের জবাবও তিনি দিয়েছেন বলে জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সাক্ষাৎকারে ডাকা মানেই পদোন্নতি নয়। বিষয়টি সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই নিষ্পত্তি হবে এবং কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য নয়।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতির আবেদন করেছেন ‘আমরা জমিদার’ দাবি করা সেই কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম। চলতি বছরের আগস্টে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের পর এক সভায় ‘বিতর্কিত’ বক্তব্যের কারণে আলোচনায় আসেন জামায়াত ইসলামীর এই নেতা। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে শোকজ করে।
সিরাজুল ইসলাম বর্তমানে চবিতে তিনি সেকশন অফিসার (নবম গ্রেড) পদে কর্মরত আছেন। পদোন্নতি পেলে সহকারী রেজিস্ট্রার হবেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের জুলাইয়ে চবিতে নিম্নমান সহকারী (তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী) হিসেবে যোগ দেন সিরাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে একাধিক ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ২০২২ সালে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হন। তবে এবার নিজেকে বৈষম্যের শিকার দাবি করে পদোন্নতির আবেদন করেছেন তিনি।
এর আগে চলতি বছরের ৩০ ও ৩১ আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য, তৎকালীন প্রক্টরসহ দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। পরে ৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একটি অংশের মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন জামায়াত নেতা সিরাজুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন। তবে মতবিনিময় সভায় তাঁর দেওয়া বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এ ঘটনার পর তাঁর সংসদ সদস্য প্রার্থিতা বাতিল এবং উপজেলা আমিরের পদ থেকেও অব্যাহতি দেয় জামায়াতে ইসলামী।
মতবিনিময় সভার বক্তব্যের ভিডিওতে সিরাজুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মালিক। আমরা জমিদার, জমিদারের ওপর কেউ হস্তক্ষেপ করবে, এটা আমরা মেনে নেব না।’ ওই বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে শোকজ করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তে বৈষম্যের শিকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি যাচাইয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিরাজুল ইসলামসহ চারজনকে সেকশন অফিসার থেকে সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতির সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়েছে। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবেন উপাচার্য ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও একাডেমিক কর্মকর্তারা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট সভায় হবে।
আবেদনের বিষয়ে সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি দীর্ঘদিন পদোন্নতিতে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করেছেন এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেবেন। সংঘর্ষ-সংক্রান্ত শোকজের জবাবও তিনি দিয়েছেন বলে জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সাক্ষাৎকারে ডাকা মানেই পদোন্নতি নয়। বিষয়টি সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই নিষ্পত্তি হবে এবং কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য নয়।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে