স্ট্রিম প্রতিবেদক

আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে অল্প সময়ের মুষলধারে বৃষ্টির পর মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জনজীবনে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মিরপুর ১০ নম্বর, প্যারিস রোড, অরিজিনাল-১০ ও আশপাশের এলাকা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত জলমগ্ন ছিল।
পথচারীরা অভিযোগ করেছেন, সামান্য বৃষ্টিতেই মিরপুর ১০ নম্বরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ভারী বৃষ্টিতে স্থানগুলোতে হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে যানজট ও যাতায়াতের সমস্যা তৈরি হয়।
মেট্রোরেল স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও বিভিন্ন মার্কেট থাকায় মিরপুর ১০ নম্বরে জনসমাগম বেশি। স্থানীয়রা দাবি করছেন, এই এলাকার পানি দ্রুত অপসরণের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বিশেষ নজর প্রয়োজন।
পথচারী কাজি হাসেম বলেন, ‘মেট্রো থেকে নেমেছি, মিরপুর-১৪ যেতে হবে। কিন্তু বাসে ওঠার কোনো উপায় নেই। রাস্তায় পানি জমে গেছে। অপেক্ষা করছি, কোনো বাস যদি কাছে আসে, তবেই উঠব। বৃষ্টি হলে পানি জমা স্বাভাবিক, তবে দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’
দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকার পর মেট্রোরেলের দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মী ড্রেন লাইন পরিস্কার করে পানি অপসারণের কাজ শুরু করেন। দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, কালশী রোড, মুসলিম বাজার ঢাল, মিরপুর ডি ব্লক সিরামিক রোড, এক নম্বর ধানক্ষেত মোড়, কমার্স কলেজ শিয়ালবাড়ি মোড় এবং মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে রয়েছে।
কালশী রোডের বাসিন্দা তমাল আহমেদ বলেন, ‘১১টায় অফিস যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বৃষ্টির কারণে বাসা থেকে বের হতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত জামা-কাপড় ব্যাগে রেখে হাফপ্যান্ট ও টি-শার্ট পরে বের হতে হয়েছে। এখন তো বর্ষাকালও নয়, তবু জলাবদ্ধতা হচ্ছে।’
মিরপুর ১২ নম্বর সিরামিক এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, ‘মিরপুরের অনেক স্থানে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। কালশী রোড, মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর, শিয়ালবাড়ি মোড় ও সিরামিক এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। হাঁটু পানি জমে যানজট সৃষ্টি হয়। এতদিনেও কোনো স্থায়ী সমাধান নেওয়া হয়নি, এটিই আমাদের বড় আক্ষেপ।’
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ আজ জলাবদ্ধতা নিরসন ও চলমান কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে অল্প সময়ের মুষলধারে বৃষ্টির পর মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জনজীবনে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মিরপুর ১০ নম্বর, প্যারিস রোড, অরিজিনাল-১০ ও আশপাশের এলাকা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত জলমগ্ন ছিল।
পথচারীরা অভিযোগ করেছেন, সামান্য বৃষ্টিতেই মিরপুর ১০ নম্বরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ভারী বৃষ্টিতে স্থানগুলোতে হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে যানজট ও যাতায়াতের সমস্যা তৈরি হয়।
মেট্রোরেল স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও বিভিন্ন মার্কেট থাকায় মিরপুর ১০ নম্বরে জনসমাগম বেশি। স্থানীয়রা দাবি করছেন, এই এলাকার পানি দ্রুত অপসরণের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বিশেষ নজর প্রয়োজন।
পথচারী কাজি হাসেম বলেন, ‘মেট্রো থেকে নেমেছি, মিরপুর-১৪ যেতে হবে। কিন্তু বাসে ওঠার কোনো উপায় নেই। রাস্তায় পানি জমে গেছে। অপেক্ষা করছি, কোনো বাস যদি কাছে আসে, তবেই উঠব। বৃষ্টি হলে পানি জমা স্বাভাবিক, তবে দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’
দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকার পর মেট্রোরেলের দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মী ড্রেন লাইন পরিস্কার করে পানি অপসারণের কাজ শুরু করেন। দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, কালশী রোড, মুসলিম বাজার ঢাল, মিরপুর ডি ব্লক সিরামিক রোড, এক নম্বর ধানক্ষেত মোড়, কমার্স কলেজ শিয়ালবাড়ি মোড় এবং মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে রয়েছে।
কালশী রোডের বাসিন্দা তমাল আহমেদ বলেন, ‘১১টায় অফিস যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বৃষ্টির কারণে বাসা থেকে বের হতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত জামা-কাপড় ব্যাগে রেখে হাফপ্যান্ট ও টি-শার্ট পরে বের হতে হয়েছে। এখন তো বর্ষাকালও নয়, তবু জলাবদ্ধতা হচ্ছে।’
মিরপুর ১২ নম্বর সিরামিক এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, ‘মিরপুরের অনেক স্থানে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। কালশী রোড, মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর, শিয়ালবাড়ি মোড় ও সিরামিক এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। হাঁটু পানি জমে যানজট সৃষ্টি হয়। এতদিনেও কোনো স্থায়ী সমাধান নেওয়া হয়নি, এটিই আমাদের বড় আক্ষেপ।’
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ আজ জলাবদ্ধতা নিরসন ও চলমান কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৫ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে